মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ২১৮
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: দ্বিতীয় হিজরীতে বদর যুদ্ধের পূর্বে রমাদানের রোযা ফরয হয়
২১৮. মু'আয ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নামায বিধিবদ্ধ হয়েছে তিন পর্যায়ে এবং রোযা বিধিবদ্ধ হয়েছে তিন পর্যায়ে। (এরপর তিনি নামায বিধিবদ্ধ হবার পর্যায়গুলো বর্ণনা করলেন) আর বললেন রোযার বিধিবদ্ধ হবার পর্যায় এই যে, রাসূলুল্লাহ মদীনায় এসে প্রতি মাসে তিনদিন করে রোযা রাখতে শুরু করেন। এক বর্ণনায় আছে যে, তিনি রবিউল আউয়াল থেকে রজব পর্যন্ত ১৭ মাস এভাবে রোযা রেখেছেন। তিনি আশুরার রোযাও রেখেছিলেন। এরপর মহান আল্লাহ্ তাঁর জন্যে রোযা ফরয করে দিলেন। মহান আল্লাহ্ বললেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِمْ لعلكم تتقون
হে মু'মিনগণ তোমাদের জন্যে রোযার বিধান দেয়া হল যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে দেয়া হয়েছিল যাতে তোমরা সাবধান হয়ে চলতে পার (সূরা বাকারা : ১৮৩)
وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِيْنٍ –
এটি যাদেরকে অতিশয় কষ্ট দেয় তাদের কর্তব্য এর পরিবর্তে ফিদয়া- একজন অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করা (সূরা বাকারা: ১৮৪)।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في فريضة صوم رمضان في الثانية أيضا قبل وقعة بدر
عن معاذ بن جبل (3) قال أحيلت الصلاة ثلاثة أحوال وأحيل الصيام ثلاثة أحوال (فذكر أحوال الصلاة) قال وأما أحوال الصيام فان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قدم المدينة فجعل يصوم من كل شهر ثلاثة أيام (وفي رواية) فصام سبعة عشر شهرا من ربيع الأول إلي رمضان، من كل شهر ثلاثة أيام، وصام يوم عاشوراء ثم ان الله عز وجل فرض عليه الصيام فأنزل الله عز وجل (يا أيها الذين آمنوا كتب عليكم الصيام كما كتب علي الذين من قبلكم - الي هذه الآية) وعلي الذين يطيقونه فدية طعام مسكين)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান