মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: যতক্ষণ শত্রুরা যুদ্ধে লিপ্ত থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হিজরত বন্ধ না হওয়া
(১৬২) আবূ হিন্দ আল-বাজালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা মু'আবিয়ার (রা) এর কাছে ছিলাম। তিনি ছিলেন তার চৌকির উপর এবং তাঁর চক্ষুদ্বয় তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিল। এই সময় আমরা হিজরত বিষয়ে আলোচনা করছিলাম। আমাদের মধ্যে একজন বললেন, হিজরত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অপর একজন বললেন, বন্ধ হয়নি। এই সময় মু'আবিয়া (রা) সজাগ হলেন এবং বললেন, কী বিষয়ে তোমরা কথোপকথন করছিলে? আমরা তাঁকে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে অবহিত করলাম। (উল্লেখ্য) তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে (তুলনামূলকভাবে) কমসংখ্যক হাদীস বর্ণনাকারী। (যাহোক) তিনি বললেন, এই বিষয়ে আমরা আল্লাহর রাসূলের (ﷺ) সম্মুখে আলোচনা করছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন, তাওবা যতদিন বন্ধ না হবে, ততদিন হিজরতও বন্ধ হবে না। আর তাওবা ততদিন পর্যন্ত বন্ধ হবে না, যতদিন পর্যন্ত না সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে।
(আবু দাউদ ও নাসাঈ)
(আবু দাউদ ও নাসাঈ)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى عدم انقطاع الهجرة ما دام العدو يقاتل
عن أبى هند البجلى قال كنا عند معاوية (يعنى بن أبى سفيان) وهو على سريره وقد غمض عينيه فتذاكرنا الهجرة والقائل منا يقول قد انقطعت والقائل منا يقول لم تنقطع فانتبه معاوية فقال ما كنتم فيه؟ فأخبرنا وكان قليل الرد على النبى صلى الله عليه وسلم فقال تذاكرنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تنقطع الهجرة حتى تنقطع التوبة ولا تنقطع التوبة حتى تطلع الشمس من مغربها
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীছের সারমর্ম এই যে, আল্লাহ তা'আলা সর্বদা তাঁর পাপী বান্দাকে তাওবা ও ইস্তিগফারের তাওফীক দান করে থাকেন এবং তিনি বান্দার তাওবা কবূল করেন ও তার পাপরাশি ক্ষমা করেন।
বান্দার জন্যে আল্লাহর কাছে তাওবা কবূলের এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় হবে। পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া কিয়ামতের সর্বাপেক্ষা বড় আলামত। এ আলামত প্রকাশের পর আর কারও তাওবা কবূল হবে না।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. এ হাদীছ দ্বারাও তাওবার প্রতি উৎসাহ যোগানো হয়েছে।
খ. ক্ষমা করা আল্লাহর গুণ। বান্দার উচিত এ গুণে গুণান্বিত হওয়া।
বান্দার জন্যে আল্লাহর কাছে তাওবা কবূলের এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় হবে। পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া কিয়ামতের সর্বাপেক্ষা বড় আলামত। এ আলামত প্রকাশের পর আর কারও তাওবা কবূল হবে না।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. এ হাদীছ দ্বারাও তাওবার প্রতি উৎসাহ যোগানো হয়েছে।
খ. ক্ষমা করা আল্লাহর গুণ। বান্দার উচিত এ গুণে গুণান্বিত হওয়া।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)