মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ১৩৯
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : প্রথম 'আকাবার বায়'আতের পর আনসারীগণের মধ্য থেকে সত্তরজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার আগমন যা দ্বিতীয় আক্বাবার বায়'আত নামে পরিচিত
(১৩৯) আমির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর চাচা আব্বাসসহ আকাবার নিকট একটি বৃক্ষের নীচে সত্তরজন আনুসারীর সাথে মিলিত হতে গমন করলেন। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যিনি (মুখপাত্র) তিনি কথা বলা শুরু করুন। তিনি বক্তব্যের ভূমিকা যেন দীর্ঘ না করেন। কারণ, আপনাদের উপর মুশরিকদের চোখ (গুপ্তচর) রয়েছে। যদি তারা আপনাদের সম্পর্কে জেনে যায়, তবে তারা আপনাদেরকে নিগৃহীত করবে। তখন তাঁদের মধ্যকার মুখপাত্র আবু উমামা বললেন, হে মুহাম্মদ আপনি আপনার রবের জন্য (আমাদের কাছে) কী প্রত্যাশা করেন? তা ব্যক্ত করুন। এরপর আপনার নিজের জন্য এবং আপনার সাহাবীগণের জন্য কী চান, তা ব্যক্ত করুন। অতঃপর আপনি আমাদেরকে সংবাদ প্রদান করুন-যদি আমরা আপনার কথামত সবকিছু ঠিকঠাক সম্পন্ন করি, তাহলে আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু এবং আপনারা আমাদেরকে কী প্রতিদান দিবেন? রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার মহান রবের জন্য তোমাদের কাছে আমার প্রত্যাশা হচ্ছে- তোমরা তাঁর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করবে না। আর আমার ও আমার সাহাবীগণের জন্য প্রত্যাশা হচ্ছে-তোমরা আমাদের আশ্রয় দিবে, সাহায্য করবে এবং এমনভাবে নিরাপত্তা বিধান করবে যেমন তোমরা নিজেদের জন্য করে যাও। তারা বললো, আমরা এরূপ করলে আমাদের প্রতিদান কী? রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমাদেরকে দেওয়া হবে জান্নাত। তখন তারা বললেন, ঠিক আছে, আপনি যা বললেন তাই হবে।
আমির থেকে দ্বিতীয় একটি সনদে আবূ মাসউদ আল-আনসারী থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে-আবু মাসউদ ছিলেন বয়সে সবচেয়ে কনিষ্ঠ।
(ইবন কাছীর, বায়হাকী ও আহমদ)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب قدوم سبعين رجلا وامرأتين من الأنصار بعد العقبه الأولى بعام وبيعة العقبة الثانية
عن عامر قال انطلق النبى صلى الله عليه وسلم ومعه العباس عمه الى السبعين من الأنصار عند العقبة تحت الشجرة فقال ليتكلم متكلمكم ولا يطل الخطبة فان عليكم من المشرکين عينا وأن يعلموا بكم يفضحوكم، فقال قائلهم وهو أبو امامة سل يا محمد لربك ما شئت، ثم سل لنفسك ولأسحابك ما شئت، ثم أخبرنا ما لنا من الثواب على الله عز وجل وعليكم اذا فعلنا ذلك، قال فقال أسألكم لربى عز وجل أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا: واسألكم لنفسى ولأصحابى أن تؤوونا وتنصرونا وتمنعونا مما منعتم منه أنفسكم، قالوا فما لنا اذا فعلنا ذلك؟ قال كم الجنة، قالوا فلك ذلك (وعنه من طريق ثان) عن أبى مسعود الأنصارى نحو هذا قال وكان أبو مسعود أصغرهم سنا
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান