মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়

হাদীস নং: ১২৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কর্তৃক জিব্রীলকে (আ) তাঁর প্রকৃত সৃষ্টিগত আকৃতিতে দর্শন এবং রাসূল (ﷺ) কি মি'রাজ রজনীতে তাঁর রবের দর্শন লাভ করেছিলেন?
(১২৪) 'আমির থেকে ইসমাঈল বর্ণনা করেন, (একদা) মাসরুক আয়েশার (রা) কাছে আগমন করেন এবং জিজ্ঞেস করেন, ইয়া উম্মাল মু'মিনীন, মুহাম্মদ (ﷺ) কি তাঁর রব্বকে দর্শন করেছেন? আয়েশা (রা) বলেন, সুবহানাল্লাহি...! আমার চুল দাঁড়িয়ে গেছে তোমার প্রশ্ন শুনে। (এ কী বলছো তুমি?)। তুমি তিনটি বিষয় সম্পর্কে কোথায় রয়েছ? কেউ যদি তোমার কাছে তা বর্ণনা করে তবে সে মিথ্যাই বলে। যদি কেউ তোমাকে বলে যে, মুহাম্মদ (ﷺ) তাঁর রব্বকে দেখেছেন, তবে সে মিথ্যা বলেছে। অতঃপর আয়েশা (রা) এই আয়াত পাঠ করেন
لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ
(অর্থাৎ কোন চক্ষুই তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারবে না, অথচ তিনি সকল চক্ষু ও দৃষ্টিকে প্রত্যক্ষ করছেন)।
وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُكَلِمَهُ اللَّهُ إِلَّا وَحْيًّا أَوْ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ
কোন মানুষের সাধ্য নেই যে, ওহীর মাধ্যম কিংবা পর্দার অন্তরাল ব্যতীত আল্লাহর সাথে কথোপকথন করবে।
আর যে ব্যক্তি তোমাকে আগামীকালের সংবাদ দিবে (ভবিষ্যতবাণী করবে), সে মিথ্যা বলছে। এরপর তিনি (আয়েশা) এই আয়াত পাঠ করেন-
إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ
নিশ্চয়ই কিয়ামত (-এর ক্ষণ) সম্পর্কিত জ্ঞান কেবল আল্লাহরই কাছে আছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করান, গর্ভাশয়ে যা কিছু আছে, তা তিনি সম্যক অবগত...।"
আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলবে যে, মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর কোন আয়াত গোপন করেছেন, সে মিথ্যা বলেছে। এরপর তিনি এই আয়াত পাঠ করেন-
يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ بَلِغْ مَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ
“ রাসূল আপনার রবের পক্ষ থেকে আপনার উপর যা কিছু অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা পৌছে দিন।”
অবশ্য এটা সত্য যে, রাসূল (ﷺ) জিব্রীলকে (আ) তাঁর স্বআকৃতিতে দুইবার দেখেছেন।

দ্বিতীয় ধারায়ও মাসরূক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশার (রা) কাছে হেলান দিয়ে বসে ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ আয়েশা, আমি এই বিষয়ে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহকে (ﷺ) প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, সে তো জিব্রীল। আমি তাঁকে দুইবার মাত্র তাঁর সৃষ্টিগত রূপে দেখেছি। তাঁকে আমি দেখেছি আকাশ ও জমিনের মধ্যস্থিত শূন্যস্থান পূর্ণ করে আদিগন্ত বিস্তৃত অবস্থায়।
(উভয় ধারা উদ্ধৃত করেছেন মুসলিম।)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب رؤية النبى صلى الله عليه وسلم جبريل عليه السلام فى صورته التى خلق عليها وهل رآى ربه عز وجل ليلة المعراج ام لا؟
حدّثنا يحيى عن اسماعيل ثنا عامر قال اتى مسروق عائشة رضي الله عنها فقال يا أم المؤمنين هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه؟ قالت سبحان الله لقد قف شعرى لما قلت، اين انت من ثلاث من حدثكهن فقد كذب، من حدثك أن محمدًا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب، ثم قرات {لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار} {وما كان لبشر ان يكلمه الله إلا وحيا او من وراء حجاب} ومن أخبرك بما فى غد فقد كذب ثم قرات {ان الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ويعلم ما في الأرحام هذه الآية} ومن اخبرك ان محمدًا صلى الله عليه وسلم كتم فقد كذب ثم قرأت {يا ابها الرسول بلغ ما أنزل اليك من ربك} ولكنه راى جبريل فى صورته مرتين (ومن طريق ثان) عن مسروق ايضًا قال كنت متكئا عند عائشة رضي الله عنها فقالت يا أبا عائشة أنا اول من سأل رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم عن هذه قال ذلك جبريل لم اره فى صورته التى خلق الا مرتين، رأيته منهبطا من السماء سادًا عظم خلقه ما بين السماء والارض
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান