মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৮২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: উমর ইব্নল খাত্তাবের (রা) ইসলাম গ্রহণ ও এর কারণ
(৮২) শুরাইহ ইব্ন উবাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'উমার ইবনল খাত্তাব (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (ﷺ) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তালাশ করতে বের হলাম। দেখা গেল তিনি আমার পূর্বেই মসজিদে প্রবেশ করে সালাতে দণ্ডায়মান হয়েছেন। আমি তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম। তিনি সূরা 'আল-হাক্কাহ' শুরু করেছেন। আমি আল-কুরআনের শাব্দিক গাঁথুনি (রচনাশৈলী) লক্ষ্য করে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছিলাম। আমি (মনে মনে) বললাম, আল্লাহর শপথ, এ নিশ্চয় কোন কবি, যেমনটি কুরাইশরা বলেছে। এমন সময় রাসূল (ﷺ) পাঠ করলেন -
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيْلًا مَا تُؤْمِنُونَ
“নিশ্চয় এটি সম্ভ্রান্ত রাসূলের বাণী। এটি কোন কবির কাব্য নয়। তোমাদের অল্প সংখ্যকই ঈমান এনে থাক।"
এরপর আমি (মনে মনে) বললাম, এ নিশ্চয়ই কাহেন (অতীন্দ্রিয়বাদী)। এবার রাসূল (ﷺ) পাঠ করলেন-
ولا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُوْنَ تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيْلِ لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِيْنَ فَمَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ وَاِنَّہٗ لَتَذۡکِرَۃٌ لِّلۡمُتَّقِیۡنَ
"এবং এটি কোন কাহেনের কথাও নয়; তোমরা বরং অল্পসংখ্যকই উপদেশ গ্রহণ করে থাক এ বাণী অবতীর্ণ করা হচ্ছে জগত-সমূহের প্রতিপালকের পক্ষ হতে। আর যদি সে (অর্থাৎ রাসূল কথার কথা) কোন (মিথ্যা) বাণী রচনা করে আমার প্রতি আরোপ করত তবে আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম তারপর তার জীবন-ধমনি কেটে দিতাম। তখন তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারত না। নিশ্চয়ই এটা মুত্তাকীদের জন্য এক উপদেশবাণী। এভাবে সূরার শেষ পর্যন্ত তিনি পাঠ করলেন। এরপর ইসলাম আমার অন্তরে পরিপূর্ণভাবে স্থান করে নিল।
(হাইছামী ও তাবারানী।)
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيْلًا مَا تُؤْمِنُونَ
“নিশ্চয় এটি সম্ভ্রান্ত রাসূলের বাণী। এটি কোন কবির কাব্য নয়। তোমাদের অল্প সংখ্যকই ঈমান এনে থাক।"
এরপর আমি (মনে মনে) বললাম, এ নিশ্চয়ই কাহেন (অতীন্দ্রিয়বাদী)। এবার রাসূল (ﷺ) পাঠ করলেন-
ولا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُوْنَ تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيْلِ لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِيْنَ فَمَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ وَاِنَّہٗ لَتَذۡکِرَۃٌ لِّلۡمُتَّقِیۡنَ
"এবং এটি কোন কাহেনের কথাও নয়; তোমরা বরং অল্পসংখ্যকই উপদেশ গ্রহণ করে থাক এ বাণী অবতীর্ণ করা হচ্ছে জগত-সমূহের প্রতিপালকের পক্ষ হতে। আর যদি সে (অর্থাৎ রাসূল কথার কথা) কোন (মিথ্যা) বাণী রচনা করে আমার প্রতি আরোপ করত তবে আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম তারপর তার জীবন-ধমনি কেটে দিতাম। তখন তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারত না। নিশ্চয়ই এটা মুত্তাকীদের জন্য এক উপদেশবাণী। এভাবে সূরার শেষ পর্যন্ত তিনি পাঠ করলেন। এরপর ইসলাম আমার অন্তরে পরিপূর্ণভাবে স্থান করে নিল।
(হাইছামী ও তাবারানী।)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في إسلام عم بن الخطاب رضي الله عنه وسببه
عن شريح بن عبيد قال قال عمر بن الخطاب رضي الله تبارك وتعالى عنه خرجت اتعرض رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم صلى الله عليه وسلم قبل أن أسلم فوجدته قد سبقنى إلى المسجد فقمت خلفه فاستفتح سورة الحاقة فجعلت أعجب من تأليف القرآن قال فقلت هذا والله شاعر كما قال قريش، قال فقرأ {انه لقول رسول كريم، وما هو بقول شاعر قليلا ما تؤمنون} قال قلت كاهن، قال {ولا بقول كاهن قليلا ما تذكرون، تنزيل من رب العالمين، ولو تقول علينا بعض الأقاويل لأخذنا منه باليمين ثم لقطعنا منه الوتين، فما منكم من أحد عنه حاجزين} الخ السورة قال فوقع الإسلام فى قلبى كل موقع