মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ৮১
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: উমর ইব্নল খাত্তাবের (রা) ইসলাম গ্রহণ ও এর কারণ
(৮১) ইবন 'উমার (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আল্লাহর নিকট দোয়া করেন- ইয়া আল্লাহ্, আবু জাহল অথবা উমার ইব্নল খাত্তাব এই দুজনের মধ্যে তোমার নিকট প্রিয়তর একজনের মাধ্যমে তুমি ইসলামকে শক্তিশালী কর। (বাস্তবে দেখা গেল) উভয়ের মধ্যে আল্লাহর নিকট প্রিয়তর হচ্ছেন 'উমার ইবনল খাত্তাব (রা)।
(তিরমিযী, হাদীসটি হাসান, সহীহ ও গরীব।)
(তিরমিযী, হাদীসটি হাসান, সহীহ ও গরীব।)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في إسلام عم بن الخطاب رضي الله عنه وسببه
عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم قال الله مأعز الاسلام بأحب هذين الرجلين اليك بأبى جهل أو بعمر بن الخطاب: فكان أحبهما الى الله عز وجل عمر بن الخطاب
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আল্লাহ তা'আলা এ পৃথিবীকে উপকরণ জগত বানিয়েছেন। এখানে প্রতিটি বড় কাজ ও মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য এর উপযোগী কৌশল, বাস্তব কর্ম তৎপরতা ও বিশেষ যোগ্যতার অধিকারী সাহসী লোকদের প্রয়োজন হয়। আবু জাহল ইবনে হিশাম ও উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর আনীত দ্বীনের প্রথম সারির শত্রু ছিল। এর সাথে এদের দু'জনের মধ্যে ঐ যোগ্যতা ছিল, যা কোন বিরাট কাজের জন্য প্রয়োজন হয়। (সংকলকের ধারণা যে, সম্ভবত হুযুর (ﷺ)-এর উপর এ বিষয়টি উন্মোচন করে দেওয়া হয়েছিল যে, এ দু'জনের একজনকে হেদায়াত দেওয়া যেতে পারে।) তাই তিনি এক রাতে এ দু‘আ করলেন, যার উল্লেখ এ হাদীসে করা হয়েছে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে ভাগ্যলিপিতে এ সৌভাগ্য হযরত উমর রাযি.-এর জন্য নির্ধারিত ছিল। তাই তাঁর বেলায় দু‘আ কবুল হয়ে গেল এবং তিনি ইসলাম গ্রহণের তাওফীক পেয়ে গেলেন। তারপর আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর দ্বারা যে কাজ ও খেদমত নিয়েছেন- বিশেষ করে খেলাফতের দশ বছরে- নিঃসন্দেহে উম্মতের মধ্যে এ অসাধারণ সৌভাগ্য কেবল তারই অংশ।
মুসনাদে আহমদ ও তিরমিযী শরীফের উপরে বর্ণিত হাদীসে হযরত উমর রাযি.-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি খুবই সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। মেশকাত শরীফের কোন কোন ভাষ্যকার আবু আব্দুল্লাহ হাকীমের 'দালায়েলুন নবুওয়াত'-এর বরাতে হযরত ইবনে আব্বাসেরই বর্ণনায় এ ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। এর সারসংক্ষেপ এই যে, আবু জাহল- যে মক্কার মুশরিকদের নেতা ও বড় সম্পদশালীও ছিল, সে ঘোষণা করল যে, যে ব্যক্তি মুহাম্মদকে (ﷺ) হত্যা করবে, আমি তাকে একশ' উটনী ও এক হাজার উকিয়া রৌপ্য পুরস্কার হিসাবে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছি। উমর রাযি. আবূ জাহলকে বললেন, তোমার এ কথা কি পাকাপোক্ত? আবু জাহল বলল, একেবারে পাকা কথা, আমি সাথে সাথে আদায় করে দিব। এরপর হযরত উমর রাযি. তরবারী নিয়ে এ হীন উদ্দেশ্যে বের হলেন। রাস্তায় এক ব্যক্তি তাঁকে এ অবস্থায় দেখে জিজ্ঞাসা করল, হে উমর! কোথায় এবং কোন উদ্দেশ্যে যাচ্ছ। উমর বললেন, মুহাম্মদকে (ﷺ) হত্যা করতে যাচ্ছি। ঐ ব্যক্তি বলল, তুমি কি তাঁর গোত্র বনী হাশেম থেকে শংকামুক্ত? (তারা তাঁর পক্ষ হয়ে ময়দানে এসে যাবে এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।) এ কথা শুনে উমর রাযি. বললেন, মনে হয় তুমিও বাপ-দাদার ধর্ম ছেড়ে দিয়ে মুহাম্মদের (ﷺ) ধর্ম গ্রহণ করে নিয়েছ। ঐ ব্যক্তি তখন বলল, আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি যে, তোমার বোন ফাতেমা ও ভগ্নিপতি সাঈদ ইবনে যায়েদও মুহাম্মদের (ﷺ) ধর্ম গ্রহণ করে নিয়েছে। এ কথা শুনে হযরত উমর সোজা তার বোনের বাড়ীতে গেলেন। তিনি তখন সূরা ত্বহা তিলাওয়াত করছিলেন। হযরত উমর রাযি. দরজায় দাঁড়িয়ে এটা শুনলেন, তারপর দরজা খুলতে বললেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি পড়ছিলে? বোন বলল, আমরা ইসলাম গ্রহণ করে নিয়েছি এবং আমি কুরআন পড়ছিলাম। উমর রাযি. বললেন, আমাকেও একটু পড়ে শোনাও। কথামত তার বোন সূরা ত্বহা পড়তে শুরু করল।
যখন এ আয়াত তিলাওয়াত করল: اَللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ؕ لَہُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰی তখন হযরত উমরের অন্তর্জগতে বিপ্লব এসে গেল এবং বলে উঠলেন, নিঃসন্দেহে সেই ইলাহ এবং কেবল ঐ ইলাহই এর উপযুক্ত যে, তাঁর ইবাদত করা হবে। সাথে সাথে তিনি কালেমায়ে শাহাদত পাঠ করে নিলেন এবং বোনের বাড়ীতেই রাত্রিযাপন করলেন। এবার তাঁর অন্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে উপস্থিতি হওয়ার প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হল। বার বার তিনি বলছিলেন: وَاشَوْقَاهُ إِلَىٰ مُحَمَّدٍ ﷺ এ অবস্থায় হযরত খাব্বাব ইবনুল আরাত তার কাছে আসলেন এবং বললেন যে, আজ রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবিরত এ দু‘আ করেছেন যে, হে আল্লাহ! উমর ইবনুল খাত্তাব অথবা আবু জাহল ইবনে হিশামের মাধ্যমে তুমি ইসলামের মর্যাদা ও শক্তি বৃদ্ধি করে দাও। আমার ধারণা যে, হুযুর (ﷺ)-এর দু‘আ তোমার বেলায় কবুল হয়ে গিয়েছে। এরপর সকালে হযরত উমর রাযি. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খেদমতে হাজির হলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করে নিলেন। সাথে সাথে বললেন, আমরা লাত ও উয্যার পূজা করতাম বিভিন্ন উপত্যকার নিম্নভূমিতে এবং বিভিন্ন পাহাড়ের চূড়ায়, আর আল্লাহর ইবাদত করব আমরা গোপনে গোপনে? এটা হবে না। আল্লাহর কসম! আমরা আল্লাহর ইবাদত করব প্রকাশ্যে ও কা'বা শরীফের চত্বরে। (এ সময় পর্যন্ত মুসলমানগণ প্রকাশ্যে কা'বা চত্বর বা মসজিদুল হারামে নামায আদায় করতে পারতেন না।)
হাফেজ ইবনে হাজার 'ফতহুল বারী' গ্রন্থে আবূ জাফর ইবনে আবী শায়বার 'তারীখ' এর বরাতে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসেরই বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন যে, হযরত উমর রাযি. ইসলাম গ্রহণ করার পর তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, আমরা তখনই গিয়ে মসজিদুল হারামে নামায পড়ব এবং তাই করা হয়েছিল। ফতহুল বারীতেই ইবনে আবী শায়বা ও তাবারানীর বরাতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি.-এর বর্ণনা উদ্ধৃত করা হয়েছেঃ
وَاللَّهِ مَا اسْتَطَعْنَا أَنْ نُصَلِّيَ حَوْلَ الْبَيْتِ ظَاهِرِينَ حَتَّى أَسْلَمَ عُمَرُ
আল্লাহর কসম! হযরত উমরের ইসলাম গ্রহণের পূর্বে আমাদের এ শক্তি ছিল না যে, আমরা বায়তুল্লাহ শরীফে প্রকাশ্যে নামায পড়ব। (উমরের ইসলাম গ্রহণের পরই আমাদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়েছে।)
হাফেজ ইবনে হাজার (রহঃ) হযরত উমর রাযি.-এর ইসলাম গ্রহণের অনেক রিওয়ায়াত বিভিন্ন সাহাবী থেকে হাদীসের বিভিন্ন কিতাবের বরাতে উল্লেখ করেছেন- যাদের মধ্যে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, হযরত ইবনে আব্বাস, হযরত আনাস, হযরত আয়েশা ও হযরত ইবনে উমর ছাড়া হযরত আলী রাযি.ও রয়েছেন। (ফতহুল বারী, মানাকেবে উমর অধ্যায়)
আল্লাহর পক্ষ থেকে ভাগ্যলিপিতে এ সৌভাগ্য হযরত উমর রাযি.-এর জন্য নির্ধারিত ছিল। তাই তাঁর বেলায় দু‘আ কবুল হয়ে গেল এবং তিনি ইসলাম গ্রহণের তাওফীক পেয়ে গেলেন। তারপর আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর দ্বারা যে কাজ ও খেদমত নিয়েছেন- বিশেষ করে খেলাফতের দশ বছরে- নিঃসন্দেহে উম্মতের মধ্যে এ অসাধারণ সৌভাগ্য কেবল তারই অংশ।
মুসনাদে আহমদ ও তিরমিযী শরীফের উপরে বর্ণিত হাদীসে হযরত উমর রাযি.-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি খুবই সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। মেশকাত শরীফের কোন কোন ভাষ্যকার আবু আব্দুল্লাহ হাকীমের 'দালায়েলুন নবুওয়াত'-এর বরাতে হযরত ইবনে আব্বাসেরই বর্ণনায় এ ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। এর সারসংক্ষেপ এই যে, আবু জাহল- যে মক্কার মুশরিকদের নেতা ও বড় সম্পদশালীও ছিল, সে ঘোষণা করল যে, যে ব্যক্তি মুহাম্মদকে (ﷺ) হত্যা করবে, আমি তাকে একশ' উটনী ও এক হাজার উকিয়া রৌপ্য পুরস্কার হিসাবে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছি। উমর রাযি. আবূ জাহলকে বললেন, তোমার এ কথা কি পাকাপোক্ত? আবু জাহল বলল, একেবারে পাকা কথা, আমি সাথে সাথে আদায় করে দিব। এরপর হযরত উমর রাযি. তরবারী নিয়ে এ হীন উদ্দেশ্যে বের হলেন। রাস্তায় এক ব্যক্তি তাঁকে এ অবস্থায় দেখে জিজ্ঞাসা করল, হে উমর! কোথায় এবং কোন উদ্দেশ্যে যাচ্ছ। উমর বললেন, মুহাম্মদকে (ﷺ) হত্যা করতে যাচ্ছি। ঐ ব্যক্তি বলল, তুমি কি তাঁর গোত্র বনী হাশেম থেকে শংকামুক্ত? (তারা তাঁর পক্ষ হয়ে ময়দানে এসে যাবে এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।) এ কথা শুনে উমর রাযি. বললেন, মনে হয় তুমিও বাপ-দাদার ধর্ম ছেড়ে দিয়ে মুহাম্মদের (ﷺ) ধর্ম গ্রহণ করে নিয়েছ। ঐ ব্যক্তি তখন বলল, আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি যে, তোমার বোন ফাতেমা ও ভগ্নিপতি সাঈদ ইবনে যায়েদও মুহাম্মদের (ﷺ) ধর্ম গ্রহণ করে নিয়েছে। এ কথা শুনে হযরত উমর সোজা তার বোনের বাড়ীতে গেলেন। তিনি তখন সূরা ত্বহা তিলাওয়াত করছিলেন। হযরত উমর রাযি. দরজায় দাঁড়িয়ে এটা শুনলেন, তারপর দরজা খুলতে বললেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি পড়ছিলে? বোন বলল, আমরা ইসলাম গ্রহণ করে নিয়েছি এবং আমি কুরআন পড়ছিলাম। উমর রাযি. বললেন, আমাকেও একটু পড়ে শোনাও। কথামত তার বোন সূরা ত্বহা পড়তে শুরু করল।
যখন এ আয়াত তিলাওয়াত করল: اَللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ؕ لَہُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰی তখন হযরত উমরের অন্তর্জগতে বিপ্লব এসে গেল এবং বলে উঠলেন, নিঃসন্দেহে সেই ইলাহ এবং কেবল ঐ ইলাহই এর উপযুক্ত যে, তাঁর ইবাদত করা হবে। সাথে সাথে তিনি কালেমায়ে শাহাদত পাঠ করে নিলেন এবং বোনের বাড়ীতেই রাত্রিযাপন করলেন। এবার তাঁর অন্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে উপস্থিতি হওয়ার প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হল। বার বার তিনি বলছিলেন: وَاشَوْقَاهُ إِلَىٰ مُحَمَّدٍ ﷺ এ অবস্থায় হযরত খাব্বাব ইবনুল আরাত তার কাছে আসলেন এবং বললেন যে, আজ রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবিরত এ দু‘আ করেছেন যে, হে আল্লাহ! উমর ইবনুল খাত্তাব অথবা আবু জাহল ইবনে হিশামের মাধ্যমে তুমি ইসলামের মর্যাদা ও শক্তি বৃদ্ধি করে দাও। আমার ধারণা যে, হুযুর (ﷺ)-এর দু‘আ তোমার বেলায় কবুল হয়ে গিয়েছে। এরপর সকালে হযরত উমর রাযি. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খেদমতে হাজির হলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করে নিলেন। সাথে সাথে বললেন, আমরা লাত ও উয্যার পূজা করতাম বিভিন্ন উপত্যকার নিম্নভূমিতে এবং বিভিন্ন পাহাড়ের চূড়ায়, আর আল্লাহর ইবাদত করব আমরা গোপনে গোপনে? এটা হবে না। আল্লাহর কসম! আমরা আল্লাহর ইবাদত করব প্রকাশ্যে ও কা'বা শরীফের চত্বরে। (এ সময় পর্যন্ত মুসলমানগণ প্রকাশ্যে কা'বা চত্বর বা মসজিদুল হারামে নামায আদায় করতে পারতেন না।)
হাফেজ ইবনে হাজার 'ফতহুল বারী' গ্রন্থে আবূ জাফর ইবনে আবী শায়বার 'তারীখ' এর বরাতে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসেরই বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন যে, হযরত উমর রাযি. ইসলাম গ্রহণ করার পর তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, আমরা তখনই গিয়ে মসজিদুল হারামে নামায পড়ব এবং তাই করা হয়েছিল। ফতহুল বারীতেই ইবনে আবী শায়বা ও তাবারানীর বরাতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি.-এর বর্ণনা উদ্ধৃত করা হয়েছেঃ
وَاللَّهِ مَا اسْتَطَعْنَا أَنْ نُصَلِّيَ حَوْلَ الْبَيْتِ ظَاهِرِينَ حَتَّى أَسْلَمَ عُمَرُ
আল্লাহর কসম! হযরত উমরের ইসলাম গ্রহণের পূর্বে আমাদের এ শক্তি ছিল না যে, আমরা বায়তুল্লাহ শরীফে প্রকাশ্যে নামায পড়ব। (উমরের ইসলাম গ্রহণের পরই আমাদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়েছে।)
হাফেজ ইবনে হাজার (রহঃ) হযরত উমর রাযি.-এর ইসলাম গ্রহণের অনেক রিওয়ায়াত বিভিন্ন সাহাবী থেকে হাদীসের বিভিন্ন কিতাবের বরাতে উল্লেখ করেছেন- যাদের মধ্যে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, হযরত ইবনে আব্বাস, হযরত আনাস, হযরত আয়েশা ও হযরত ইবনে উমর ছাড়া হযরত আলী রাযি.ও রয়েছেন। (ফতহুল বারী, মানাকেবে উমর অধ্যায়)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)