মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ২৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : নবুয়ত প্রাপ্তির পাঁচ বছর পূর্বে কুরাইশ কর্তৃক কাবা গৃহ পুনঃনির্মাণ, হাজরে আসওয়াদ উত্তোলন নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য, এই বিষয়ে রাসূলকে (ﷺ) শালিস মানা এবং জাহেলিয়াতের যুগে তাঁকে আল-আমীন খেতাব দান
(২৪) মুজাহিদ সায়িব ইব্ন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি তাঁকে বলেছেন যে, তিনি জাহেলিয়াতের যুগে কাবাগৃহ নির্মাণকারীদের অন্যতম ছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমার একটি পাথর ছিল (সম্ভবতঃ কাবার অভ্যন্তরে) যা আমি স্বহস্তে খোদাই করতাম এবং আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলাকে বাদ দিয়ে তার পূজা করতাম। আমি গরম দুধ নিজে না খেয়ে তার কাছে নিয়ে আসতাম এবং তার উপর তা ঢেলে দিতাম। তারপর কুকুর এসে তার গা চাটত এবং চাটা শেষ হলে এক পা উচিয়ে তার গায়ে পেশাব করে দিত, যা হোক আমরা কাবাগৃহ নির্মাণ (পুনঃনির্মাণ) করতে থাকলাম এবং একপর্যায়ে আমরা হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত পৌছে যাই। কিন্তু পাথরটি কেউ দেখতে পাচ্ছিল না। হঠাৎ দেখা গেল সেটি আমাদের অন্যান্য পাথরের মধ্যখানে পড়ে রয়েছে। দেখতে অনেকটা মানুষের মাথার মত। এত স্বচ্ছ যে, তার ভেতর যেন মানুষের চেহারা দেখা যাচ্ছিল। এই সময় কুরাইশ বংশীয় কবীলাসমূহ বলতে লাগলো আমরা এটি প্রতিস্থাপন করবো। (সবাই একই দাবি করছিল)। অবশেষে তারা বললো, তোমাদের মধ্যে একজন সালিশ নির্ধারণ কর। তারা বললো, সালিশ হবেন (তিনিই), যিনি সর্বপ্রথম এই প্রশস্ত রাস্তা দিয়ে আগমন করবেন। অতঃপর নবী (ﷺ) সেই রাস্তায় আগমন করলেন। তাঁকে দেখে সবাই বললো, (উত্তম হয়েছে) তোমাদের কাছে আল-আমীন এসে গেছেন। তারা অতঃপর তাঁকে (ঘটনা খুলে) বললো। রাসূল (ﷺ) একটি বস্ত্রে হাজরে আসওয়াদ রাখলেন এবং কবীলাসমূহকে ডাকলেন (অর্থাৎ নেতৃস্থানীয়দের)। তারা সবাই তাঁর সাথে বস্ত্রের কিনারায় ধরে বহন করলো; অবশেষে রাসূল (ﷺ) নিজে তা (যথাস্থানে) স্থাপন করলেন।
(মালিক ও যাহাবী)
(মালিক ও যাহাবী)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب في ذكر تجديد قريش بناء الكعبة قبل البعث بخمس سنين واختلافهم في رفع الحجر وتحكيمه صلى الله عليه وسلم في رفعه وتسميته في الجاهلية بالأمين
عن مجاهد عن مولاه (5) (يعنى السائب ابن عبد الله) أنه حدثه أنه كان فيمن يبنى الكعبة في الجاهلية قال ولى لحته بيدى أعبده من دون الله تبارك وتعالى فاجئ باللبن الخاثر (6) الذي أنفسه على نفسي فأصبه عليه فيجئ الكلب فيلحسه ثم يشغر (7) فيبول فبنينا حتى بلغنا موضع الحجر (8) وما يرى الحجر أحد، فإذا هو وسط حجارتنا مثل رأس الرجل يكاد يتراءى منه وجه الرجل (9) فقال بطن (10) من قريش نحن نضعه، وقال آخرون نحن نضعه، فقالوا اجعلوا بينكم حكمًا، قالوا اول رجل يطلع من الفج (11) فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا أتاكم الأمين (12) فقالوا له فوضعه في ثوب ثم دعا بطونهم (13) فأخذوا بنواحيه فوضعه هو صلى الله عليه وسلم