মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
হাদীস নং: ২২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ : নবুয়ত প্রাপ্তির পাঁচ বছর পূর্বে কুরাইশ কর্তৃক কাবা গৃহ পুনঃনির্মাণ, হাজরে আসওয়াদ উত্তোলন নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য, এই বিষয়ে রাসূলকে (ﷺ) শালিস মানা এবং জাহেলিয়াতের যুগে তাঁকে আল-আমীন খেতাব দান
(২২) আবুত তুফাইল থেকে বর্ণিত, তিনি জাহেলিয়াতের যুগে কাবা নির্মাণ প্রসঙ্গ উল্লেখপূর্বক বলেন, কুরাইশরা কা'বা ঘর ভেংগে পুনরায় তা উপত্যকার পাথর দ্বারা পুননির্মাণ করতে থাকে। কুরাইশরা কাঁধে করে পাথর বহন করে আনে। এইভাবে তারা কাবা শরীফের দেওয়াল বিশ গজ পর্যন্ত উঁচু করে। ঐ সময় নবী (ﷺ) আজইয়াদ থেকে একটি পাথর বহন করে আনেন। তাঁর পরিধানে ছিল একটি ডোরাকাটা চাঁদর যা তার ছোট হচ্ছিল। তিনি সেটি কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে গেলে, নিচ থেকে সতর দেখা যাচ্ছিল। যেহেতু চাঁদরটি ছোট ছিল তখন অদৃশ্য আওয়াজ আসল, হে মুহাম্মদ তোমার সতর চাঁদর দ্বারা আবৃত কর (অন্য বর্ণনায় এসেছে তোমার সতর উন্মুক্ত করো না। তখন তিনি পাথর ফেলে দেন এবং কাপড় পরিধান করেন) এরপর আর কখনও তাঁকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখা যায়নি।
(হাকেম ও যাহাবী)
(হাকেম ও যাহাবী)
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب في ذكر تجديد قريش بناء الكعبة قبل البعث بخمس سنين واختلافهم في رفع الحجر وتحكيمه صلى الله عليه وسلم في رفعه وتسميته في الجاهلية بالأمين
وعن أبى الطفيل (4) وذكر بناء الكعبة في الجاهلية (5) قال فهدمتها قريش وجعلوا يبنونها بحجارة الوادي تحملها قريش على رقابها فرفعوها في السماء عشرين ذراعًا، فبينا النبي صلى الله عليه وسلم يحمل حجارة من أجياد (1) وعليه نمرة فضاقت عليه النمرة فذهب يضع النمرة على عاتقه فيرى عورته من صغر النمرة، فنودى يا محمد خمر عورتك (3) (وفي روايه فنودى لا تكشف عورتك فألقى الحجر ولبس ثوبه) فلم ير عريانًا بعد ذلك