মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
হাদীস নং: ১১৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৭. শা'বী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আয়েশা (রা) মদিনার ওয়ায়েজ ইবন আবি সায়েবকে তিনটি বিষয়ে বলেন, আর বলেন হয় তুমি এসব বিষয়ে আমার হাতে বায়াত হবে আর না হয় আমি তোমার সাথে বিবাদ করব। তিনি বললেন, সেগুলো কি? হে উম্মুল মুমেনিন! আমি আপনার হাতে বায়াত হচ্ছি। এরপর তিনি বললেন, দু'আ করার সময় অন্তমিলযুক্ত বাক্য পরিহার করবে। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও এরূপ করতেন না, ইসমাঈল এক বর্ণনায় বলেন, 'আয়েশা (রা) বললেন, আমি রাসূল (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণকে কখনও এমন করতে দেখিনি। তুমি মানুষের কাছে সপ্তাহে একবার কাহিনী বর্ণনা করবে। যদি এর চেয়ে অধিক কর, তাহলে সপ্তাহে দু'দিন করবে, যদি তার চেয়ে বেশী কর, তাহলে তিন দিন করবে। বেশি বেশি করে মানুষকে এই কিতাবের প্রতি বিতৃষ্ণ করবে না। যাতে মানুষ কুরআন শুনতে বিরক্ত বোধ না করে। তুমি কোন সম্প্রদায়ের নিকট গেলে তারা যদি কথাবার্তায় মশগুল থাকে, তাহলে তাদের কথা বন্ধ করে দিয়ে কথা বলা শুরু করবে না বরং তাদেরকে কথা শেষ করতে দেবে। তারা যদি তোমার আগমনকে অভিনন্দন জানায় এবং তোমাকে অনুমতি দেয়, তাহলে তুমি কথা বলবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن الشعبي (1) قال قالت عائشه رضي الله عنها لابن ابي السائب قاص (2) أهل المدينة ثلاثا لتبايعني عليهن أو لأناجزنك (3) فقال ما هن؟ بل أنا ابايعك يا أم المؤمنين قالت اجتنب السجع من الدعاء فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه كانوا لا يفعلون ذلك وقال اسماعيل (4) مرة فقالت اني عهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه وهم لا يفعلون ذاك وقص على الناس في كل جمعة مرة فإن أبيت فثنتين فان أبيت فثلاثا فلا تمل الناس هذا الكتاب (5) ولا الفينك تأتي القوم وهم في حديث من حديثهم فتقطع عليهم حديثهم ولكن اتركهم فإذا جرءوك (6) عليه وأمروك به فحدثهم