মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়

হাদীস নং: ১১৯
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
ঝাড়ফুঁক এবং তাবীয: বৈধ ও অবৈধ প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: যে সব ঝাড়ফুঁক ও তাবীয বৈধ।
১১৯। সাহল ইবন হুনায়ফ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা (কয়েকজন) একটি নহরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করাকালে সেখানে নেমে গোসল করলাম। তখন আমি জ্বরাক্রান্ত হয়ে সেখান থেকে ফিরে আসলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছানো হলে তিনি বললেন, তোমরা আবূ সাবিত (রা)-কে বল সে যেন তাকে ঝাড়ফুঁক করে। আমি বললাম, হে আমার মনিব! ঝাড়ফুঁক করা কি বৈধ? তিনি বললেন, কেবল নযর লাগা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা পাওয়া অথবা দংশন হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক করা বৈধ।
বর্ণনাকারী আফফান (র) বলেছেন, বদ নযর, দংশন এবং বিষক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক করা বৈধ।
(আবূ দাউদ। তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
أبواب الرّقى والتمائم وما يجوز منها وما لا يجوز

باب ما يجوز من ذلك
عن سهل بن حنيف (3) قال مررنا بسيل فدخلت فاغتسلت منه فخرجت محموماً، فنمى ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مروا أبا ثابت يتعوذ، قلت يا سيدى (4) والرقى صالحة؟ قال لا رقية إلا في نفس (5) أو حمة أو لدغة، قال عفان النظرة (6) واللدغة والحمة
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান