মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৯
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
চিকিৎসা পর্ব
পরিচ্ছেদ: ঔষধ গ্রহণের প্রতি উৎসাহ দান। প্রত্যেক রোগের প্রতিষেধক রয়েছে।
পরিচ্ছেদ: ঔষধ গ্রহণের প্রতি উৎসাহ দান। প্রত্যেক রোগের প্রতিষেধক রয়েছে।
৪৯। ইবন শিহাব (র) থেকে বর্ণিত যে, বনু হারিস ইবন সা'দ ইবন হুযায়মের ইবন আবি খুযামা (রা) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা যে ঔষধ ব্যবহার করি, মন্ত্র দ্বারা ঝাড়ফুঁক করি এবং যে সব পথ্য মেনে চলি, এগুলো কি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ভাগ্য প্রত্যাখ্যান করতে পারে? তিনি বললেন, এগুলোও আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক নির্ধারিত।
(ইবন মাজাহ, তিরমিযী। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
(ইবন মাজাহ, তিরমিযী। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
أبواب الطب
باب ما جاء في الحث على التداوى وأن لكل داء دواءاً
باب ما جاء في الحث على التداوى وأن لكل داء دواءاً
عن ابن شهاب (6) أن أبا خزامة أحد بنى الحارث بن سعد بن هريم حدثه أنه قال يا رسول الله أرأيت دواءاً نتداوى به ورقى نسترقيها (7) وتسقى نتقيها (8) هل يرد ذلك من قدر الله تبارك وتعالى من شئ؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنه من قدر الله (9) عز وجل
হাদীসের ব্যাখ্যা:
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর বক্তব্যের সারমর্ম হল, আমরা উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যে তদবির ও কোশেশ করে থাকি এবং এ ব্যাপারে যে সব উপায় উপকরণ প্রয়োগ করি তার সবকিছুই আল্লাহর নির্ধারিত তাকদীরের অধীন। অর্থাৎ আল্লাহর তরফ থেকে এটা নির্ধারিত হয় যে, অমুক ব্যক্তি অমুক অসুখের দ্বারা আক্রান্ত হবে এবং অমুক ঝাড়ফুঁক বা ঔষধের দ্বারা আরোগ্য লাভ করবে। বিষয়টির উপর চিন্তা-ভাবনা করলে বিষয়টি সহজে অনুমিত হয় যে, তাকদির সম্পর্কিত অনেক প্রশ্ন ও সন্দেহের জবাব রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উক্ত দু'শব্দ সম্বলিত বক্তব্যের দ্বারা দূর হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)