মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
ইদ্দাত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭
ইদ্দাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: বায়েন তালাকপ্রাপ্তা নারীর খোরপোষ, বাসস্থান এবং প্রয়োজনের সময় বাইরে যাওয়া প্রসঙ্গে।
১৭। উবায়দুল্লাহ ইবন আবদিল্লাহ (র) থেকে বর্ণিত যে, আবু 'আমর ইবন হাফস ইবন মুগীরা 'আলী (রা)-এর সঙ্গে ইয়ামান চলে যান। সেখান থেকে তিনি ফাতিমা বিনত কায়স (রা)-এর নিকট এক তালাক পাঠান। যা তার অবশিষ্ট তালাক ছিল। আর তিনি হারিস ইবন হিশাম এবং আইয়াশ ইবন আবি রবী'আকে তার জন্য খোরপোষ দানের নির্দেশ দেন। কিন্তু তারা তাকে বলল, আল্লাহর শপথ! তুমি কোন খোরপোষ পাবে না। তবে যদি তুমি গর্ভবতী হতে তা হলে খোরপোষ পেতে। এরপর তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে তাদের উক্ত কথা তাকে জানালেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না, (তুমি খোরপোষ পাবে না) তবে যদি গর্ভবতী হতে তা হলে পেতে। (বর্ণনাকারী বলেন,) এরপর তিনি স্থানান্তর হওয়ার জন্য অনুমতি চাইলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তাকে অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমি কোথায় থাকব? তিনি বললেন, ইবন উম্মে মাকতুম (রা)-এর নিকট। তিনি দৃষ্টিহীন ছিলেন। তিনি তার নিকট গায়ের কাপড় ফেলে রাখতেন। ইবন উম্মে মাকতুম (রা) তাকে দেখতে পেতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, যখন তার ইদ্দাত শেষ হয় তখন নবী (ﷺ) তাকে উসামা ইবন যায়দ (রা)-এর সঙ্গে বিবাহ দেন। এরপর মারওয়ান তার নিকট কুবায়সা ইবন যুওয়াইবকে উক্ত ঘটনা জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালে তিনি তা বর্ণনা করেন। এটা শুনে মারওয়ান বলল, আমরা এই হাদীস এক মহিলা ব্যতীত অন্য কারো নিকটে শুনতে পাইনি। আমরা মানুষের মধ্যে প্রচলিত নির্ভরযোগ্য বিষয়কে গ্রহণ করব। এরপর ফাতিমা (রা)-এর নিকট মারওয়ানের এ বক্তব্য পৌছুলে তিনি বললেন, আমার তোমাদের মধ্যে কুরআন আছে।
لَا تُخْرِجُوهُنَّ مِنْ بُيُؤْتِهِنَّ وَلَا يَخْرُجْنَ إِلَّا أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ
(তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ হতে বহিস্কার করবে না এবং তারাও বের হবে না। যদি না তারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়)
হতে
لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَلِكَ أَمْرًا
(হয়ত আল্লাহ ইহার পর কোন উপায় করে দিবেন।)
পর্যন্ত পাঠ করলেন।
এরপর তিনি বললেন, এ বিধান তার জন্য যে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। তা না হলে তিন হায়েয অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর কি উপায় সৃষ্টি হতে পারে?
(মুসলিম, নাসাঈ)
لَا تُخْرِجُوهُنَّ مِنْ بُيُؤْتِهِنَّ وَلَا يَخْرُجْنَ إِلَّا أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ
(তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ হতে বহিস্কার করবে না এবং তারাও বের হবে না। যদি না তারা লিপ্ত হয় স্পষ্ট অশ্লীলতায়)
হতে
لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَلِكَ أَمْرًا
(হয়ত আল্লাহ ইহার পর কোন উপায় করে দিবেন।)
পর্যন্ত পাঠ করলেন।
এরপর তিনি বললেন, এ বিধান তার জন্য যে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। তা না হলে তিন হায়েয অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর কি উপায় সৃষ্টি হতে পারে?
(মুসলিম, নাসাঈ)
كتاب العدد
باب ما جاء في نفقة المبتوتة وسكناها وخروجها الحاجة
عن عبيد الله بن عبد الله أن أبا عمرو بن حفص بن المغيرة خرج مع علي بن أبي طالب إلى اليمن فأرسل إلى فاطمة بنت قيس بتطليقة كانت بقيت من طلاقها وأمر لها الحارث بن هشام وعياش بن أبي ربيعة بنفقة. فقال لها والله ما لك من نفقة إلا أن تكوني حاملا فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له قولهما، فقال لا إلا أن تكوني حاملا واستأذنته للانتقال فأذن لها فقالت أين ترى يا رسول الله؟ قال إلى ابن أم مكتوم وكان أعمى تضع ثيابها عنده ولا يراها قال فلما مضت عدتها أنكحها النبي صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد، فأرسل إليها مروان قبيصة بن ذؤيب يسألها عن هذا الحديث فحدثته به، فقال مروان لم نسمع بهذا الحديث إلا من امرأة سنأخذ بالعصمة التي وجدنا الناس عليها فقالت فاطمة حين بلغها قول مروان بيني وبينكم القرآن قال الله عز وجل {لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة} حتى بلغ {لعل الله يحدث بعد ذلك أمرا} قالت هذا لمن كان له مراجعة فأي أمر يحدث بعد الثلاث