মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান

হাদীস নং: ৩৩০
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদ: ভাগ্য গণনা, এর উৎস এবং গণক কোন কোন বিষয়ে কিরূপে সত্য বলে।
৩৩০। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূরুল্লাহ তাঁর একদল আনসার সাহাবী (রা) এর সাথে বসা ছিলেন। এ সময় একটি বড় তারকা নিক্ষিপ্ত হল, আর চতুর্দিক আলোকিত হল। তিনি বললেন, যদি ইসলাম পূর্ব যুগে এরূপ তারকা নিক্ষিপ্ত হতে দেখলে কী বলতে হত? তিনি বললেন, আমরা বলতাম, একজন মহান ব্যক্তির জন্ম হবে বা একজন মহান ব্যক্তির মৃত্যু হবে। এ হাদীসের এক বর্ণনাকারী মা'মার বলেন, আমি যুহরী (র)-কে বললাম, ইসলাম পূর্ব যুগে তা কি নিক্ষেপ করা হত? তিনি বললেন, হাঁ, কিন্তু তা বৃদ্ধি পায় যখন নবী (ﷺ) নবুয়াত প্রাপ্ত হন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, কারো মৃত্যুতে বা কারো জন্ম গ্রহণে তা নিক্ষেপ করা হয় না। যদি আমাদের মহিমান্বিত প্রভু কোন বিষয়ের ফয়সালা করেন তাহলে আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ (আ) তাসবীহ পড়েন। অতঃপর তাদের নিকটবর্তী আসমানবাসী ফেরেশতাগণ (আ) তাসবীহ পড়েন। সবশেষে প্রথম আসমানবাসী ফেরেশতাগণ (আ) তাসবীহ পড়েন। অতঃপর আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের কাছে তাদের নিকটবর্তী ফেরেশতাগণ তা জানতে চান। তারা আরশবাসী ফিরিশতাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আপনাদের প্রভু কি বলেছেন? তাঁরা তাদেরকে তা অবহিত করেন। আর প্রত্যেক আসমানবাসী ফেরেশতাগণ (আ) তাঁদের নিকটবর্তী আসমানবাসী ফেরেশতাগণ (আ)-কে তা অবহিত করেন। পরিশেষে প্রথম আসমানবাসী ফেরেশতাগণ (আ) তা অবহিত হন। জিনেরা আড়ি পেতে দ্রুত তা শুনে ফেলে। তখন তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়। তারা কোন পরিবর্তন করা ছাড়া যা অবহিত করে তা সত্য, তবে তারা তাতে বহু মিশ্রিত করে এবং হাস-বৃদ্ধি করে।
(মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী)
ইমাম আহমদ হাদীসটিকে আউযায়ীর বর্ণনাসূত্রে ও আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কিছু আনসারী সাহাবী (রা) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা এক রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- -এর সাথে বসা থাকাকালিন একটি তারকা নিক্ষিপ্ত হল। অবশিষ্ট হাদীসটি প্রথম বর্ণনার মত। তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাতে বলেছেন, "যখন আমাদের প্রভু কোন বিষয়ের ফয়সালা করেন তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ (আ) তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করেন। অতঃপর তাদের নিকটবর্তী ফেরেশতাগণ (আ) তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করেন। এমনকি প্রথম আসমানের ফেরেশতাগণ (আ)ও তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করেন। অতঃপর আরশ বহনকারী ফেরেশতাদেরকে তাদের নিকটবর্তী ফেরেশতাগণ বলেন, আপনাদের প্রভু কি বলেছেন। তিনিই সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন মহান। আর তাঁরা বলেন, তিনি এরূপ এরূপ বলেছেন। আসমানবাসী ফেরেশতাগণ একে অপরকে তা অবহিত করেন। এমনকি প্রথম আসমানবাসী ফেরেশতাগণ তা অবহিত হন। তিনি বলেন, শয়তানের দল এসে সে সংবাদ কান পেতে শুনে আর তাদের বন্ধুদেরকে জানায়। যদি তারা সে সংবাদ সঠিকভাবে বলে তাহলে তা সত্য। তবে তারা তাতে প্রক্ষেপণ করে এবং বাড়ায়-কমায়”।
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى الكهانة وأصل مأخذها وكيف يصدق الكاهن فى بعض الأمور
حدّثنا محمد بن جعفرثنا معمر وعبد الرزاق أنبأنا معمر أنبأنا الزهرى عن على بن حسين (عن ابن عباس) قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا فى نفر من أصحابه قال عبد الرزاق من الأنصار فرمى بنجم عظيم فاستنار، قال ما كنتم تقولون إذا كان مثل هذا فى الجاهلية؟ قال كنا نقول يولد عظيم أو يموت عظيم، قلت للزهرى أكان يرمى بها فى الجاهلية؟ قال نعم ولكن غلظت حين بعث النبى صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم (4) فانه لا يرمى بها لموت أحد ولا لحياته ولكن ربنا تبارك اسمه اذا قضى أمرا سبح (وفى لفظ سبحه) حملة العرش ثم سبح أهل السماء الذين يلونهم حتى يبلغ التسبيح هذه السماء الدنيا، ثم يستخبر أهل السماء الذين يلون حملة العرش فيقول الذين يلون حملة العرش لحملة العرش ماذا قال ربكم؟ فيخبرونهم، ويخبر أهل كل سماء سماءا حتى ينتهى الخبر الى هذه السماء ويخطف (5) الجن السمع فيرمون، فما جاءوا به على وجهه فهو حق ولكنهم يقذفون (1) ويزيدون (وفى لفظ وينقصون) قال عبد الله (يعنى ابن الامام احمد) قال أبى قال عبد الرزاق (2) وبخطف الجن ويرمون
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান