মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
হাদীস নং: ২৪৭
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদ: পাথর মারা শুরু করবে সাক্ষী আর ব্যভিচার যদি ব্যভিচারীর স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমাণ হয়, তবে শুরু করবে দেশের শাসক। বিবাহিত ব্যভিচারীকে পাথর ও চাবুক উভয়ই মারা হবে।
২৪৭। আমির ইবন শারাহীল (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুফা বাসীনী শারাহা হামদানীয়ার স্বামী সিরিয়ার প্রবাসী ছিল, আর সে গর্ভধারণ করল। তার মনিব তাকে আলী (রা)-এর কাছে নিয়ে এসে বলল, এ মহিলা যিনা করেছে। আর সে যিনা করার কথা স্বীকার করল। আলী (রা) বৃহস্পতিবার তাকে একশত চাবুক মারলেন, আর জুমআর দিন তার জন্য তার নাভি পর্যন্ত গর্ত খনন করে তাকে পাথর মেরে হত্যা করলেন। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র পাথর মারার বিধান প্রবর্তন করেছেন। যদি কেউ এ মহিলার যিনা করার সাক্ষ্য দিত তাহলে সাক্ষীদাতাই প্রথম পাথর মারত এবং তার পাথর তার সাক্ষ্যের অনুগামী হত। কিন্তু এ মহিলা যিনার স্বীকারোক্তি করেছে। তাই আমি তাকে সর্ব প্রথম পাথর মারব। তিনি তাকে পাথর মারলেন। অতঃপর উপস্থিত লোকেরা তাকে পাথর মারল। আমিও তাদের সাথে তাকে পাথর মারলাম। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ, আমি তার অন্যতম হত্যাকারী ছিলাম।
আমির ইবন শারাহীল শা'বী (র) থেকে বর্ণিত, শারাহা হামদানীয়া আলী (রা)-এর কাছে এসে বলল, আমি যিনা করেছি। তিনি বললেন, হয়তো তুমি স্বপ্ন দেখেছ যে, তোমার সাথে কেউ যিনা করেছে। হয়তা তোমাকে যিনা করতে বাধ্য করা হয়েছে। (অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে, হয়তো তোমার স্বামী তোমার কাছে এসেছে) প্রত্যেকবার সে বলল, না। তিনি বৃহস্পতিবার তাকে চাবুক মারলেন, আর জুমআর দিন পাথর মারলেন, অতঃপর বললেন, আমি তাকে কুরআন অনুযায়ী চাবুক মেরেছি, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী পাথর মেরেছি।
(প্রথম বর্ণনা সূত্রের উৎস, আবু দাউদ, নাসাঈ, দারাকুতনী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির সনদ উত্তম। এর মূল বক্তব্য বুখারী এবং মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় বর্ণনা সূত্রের উৎস, হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে একে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ একে বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ বুখারী এবং মুসলিমের বর্ণনাকারী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, দারাকুতনী এবং বায়হাকী সবিস্তারে দীর্ঘ বর্ণনা করেছেন।)
আমির ইবন শারাহীল শা'বী (র) থেকে বর্ণিত, শারাহা হামদানীয়া আলী (রা)-এর কাছে এসে বলল, আমি যিনা করেছি। তিনি বললেন, হয়তো তুমি স্বপ্ন দেখেছ যে, তোমার সাথে কেউ যিনা করেছে। হয়তা তোমাকে যিনা করতে বাধ্য করা হয়েছে। (অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে, হয়তো তোমার স্বামী তোমার কাছে এসেছে) প্রত্যেকবার সে বলল, না। তিনি বৃহস্পতিবার তাকে চাবুক মারলেন, আর জুমআর দিন পাথর মারলেন, অতঃপর বললেন, আমি তাকে কুরআন অনুযায়ী চাবুক মেরেছি, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী পাথর মেরেছি।
(প্রথম বর্ণনা সূত্রের উৎস, আবু দাউদ, নাসাঈ, দারাকুতনী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির সনদ উত্তম। এর মূল বক্তব্য বুখারী এবং মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় বর্ণনা সূত্রের উৎস, হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে একে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ একে বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ বুখারী এবং মুসলিমের বর্ণনাকারী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, দারাকুতনী এবং বায়হাকী সবিস্তারে দীর্ঘ বর্ণনা করেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب أن السنة بداءة الشاهد بالرجم وبداءة الإمام به إذا ثبت بالإقرار: وفيه أن الزانى المحصن يجلد ويرجم
عن عامر (12) قال كان لشراحة (13) زوج غائب بالشام وأنها حملت فجاء بها مولاها (1) إلى على بن أبى طالب رضى الله عنه فقال إن هذه زنت فاعترفت فجلدها يوم الخميس مائة ورجمها يوم الجمعة (2) وحفر لها إلى السرة وأنا شاهد ثم قال إن الرجم سنة سنها رسول الله صلى الله عليه وسلم (3) ولو كان شهد على هذه أحد لكان أول من يرمى الشاهد يشهد ثم يتبع شهادته حجره ولكنها أقرت فأنا أول من رماها فرماها بحجر (4) ثم رمى الناس وأنا فيهم قال فكنت والله فيمن قتلها
عن الشعبى) (5) أن شراحة الهمدانية أتت علياً (6) رضى الله عنه فقالت إنى زنيت فقال لعلك غيرى. لعلك رأيت في منامك. لعلك استكرهت. (وفى لفظ لعل زوجك جاءك) فكلّ تقول لا فجلدها يوم الخميس ورجمها يوم الجمعة، وقال جلدتها بكتاب الله (7) ورجمتها بسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم
عن الشعبى) (5) أن شراحة الهمدانية أتت علياً (6) رضى الله عنه فقالت إنى زنيت فقال لعلك غيرى. لعلك رأيت في منامك. لعلك استكرهت. (وفى لفظ لعل زوجك جاءك) فكلّ تقول لا فجلدها يوم الخميس ورجمها يوم الجمعة، وقال جلدتها بكتاب الله (7) ورجمتها بسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم