আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

৪. অধ্যায়ঃ পবিত্রতা

হাদীস নং: ৩৫০
অধ্যায়ঃ পবিত্রতা
আঙ্গুলসমূহ খিলাল করার প্রতি অনুপ্রেরণা, আঙ্গুল খিলাল বর্জন করা, উযূ পূর্ণভাবে না করা এবং অত্যাবশ্যক অঙ্গ ধোয়ায় ত্রুটি করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৩৫০. হযরত আবূ রাওহ কুলাঈ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি সালাতে সূরা রূম তিলাওয়াত করেন কিন্তু কিরাআতে তাঁর ভুল হয়ে যায়। এ সময় তিনি বলেন: আমাদের উপর শয়তান প্রভাব বিস্তার করেছে। কেননা একদল লোক উযুবিহীন অবস্থায় সালাতে এসেছে। কাজেই তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তখন উত্তমরূপে উযূ করে নেবে।
كتاب الطَّهَارَة
التَّرْغِيب فِي تَخْلِيل الْأَصَابِع والترهيب من تَركه وَترك الإسباغ إِذا أخل بِشَيْء من الْقدر الْوَاجِب
350 - وعن أبي روح الكلاعى قال: صلى بنا نبىُّ صلى الله عليه وسلم صلاةً فقرأ فيها بسورة الروم فلبس عليه بعضها، فقال: إنما لبس علينا الشيطان القراءة من أجل أقوامٍ يأتون الصلاة بغير وضوء، فإذا أتيتم الصلاة فأحسنوا الوضوء

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস দ্বারা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, উযূবিহীন অবস্থা কিংবা উত্তমরূপে উযূ না করার প্রতিক্রিয়া অপরাপর উযূকারীদের উপর কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এর ফলে কিরা'আতে বিভ্রাট সৃষ্টি হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর উপর অপূর্ণ উযূর প্রভাব এত কার্যকর হয় তবে আমাদের ন্যায়সাধারণ লোকদের উপর তার অশুভ প্রভাব কী হবে তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু আমাদের অন্তরে মরিচার স্তর জমাট হয়ে যাওয়ায় এর অশুভ প্রতিক্রিয়া আমাদের অনুভূত হয় না। এ হাদীস থেকে এ কথা পরিষ্কার হয়ে উঠে যে, মানুষের অন্তরের উপর পাশের লোকের ভালমন্দ অবস্থার প্রভাব পড়ে। সূফী আউলিয়াগণ এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান