আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২৩. অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
হাদীস নং: ৫০৪৬
অধ্যায়ঃ তাওবা ও যুহদ
দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ও দুনিয়ার স্বল্পতায় তুষ্ট থাকার জন্য উৎসাহ দান এবং দুনিয়ার প্রতি ভালবাসা ও তজ্জন্য প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ এবং পানাহার ও লেবাস পোষাক ইত্যাদিতে নবী (ﷺ)-এর জীবন-যাপন পদ্ধতি সম্পর্কিত কতিপয় হাদীস
৫০৪৬. হযরত আবু ওয়াইল (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু'আবিয়া (রা) আবু হাশিম ইবন উতবাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে গেলেন। তখন তাঁকে তিনি ক্রন্দনরত অবস্থায় দেখতে পেল তাই তিনি তাঁকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে মামাজান! আপনি কাঁদছেন কেন? কোন রকম দৈহিক ব্যাথা আপনাকে অস্থির করে তুলছে, না-কি দুনিয়ার প্রতি মোহ? উত্তরে তিনি বললেন, না, কখনও নয়। তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছ থেকে এমন একটি প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন, যা আমরা পূর্ণ করিনি। মু'আবিয়া (রা) জিজ্ঞেস করলেন, সেটা কি? তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি নিশ্চয় একটি ভৃত্য এবং আল্লাহর পথে একটি বাহনজন্তু সম্পদ সঞ্চয় হিসাবে যথেষ্ট। অথচ আজ আমি নিজেকে দেখতে পাচ্ছি যে, আমি (আরও বেশি) সঞ্চয় করে রেখেছি।
(তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন মাজাও আবু ওয়াইল-এর সনদে সামুরা ইবন সাহম-এর সূত্রে তাঁরই গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যার নাম তিনি উল্লেখ করেন নি। উক্ত রিওয়ায়েতে তিনি বলেন, আমি আবু হাশিম ইবন উতবার কাছে উপনীত হলাম। দেখি, তাঁর কাছে মু'আবিয়া (রা) এলেন।..... অতঃপর তিনি পূর্ববৎ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
ইবন হিব্বান ও সামুরা ইব্ন সাহম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি আবু হাশিম ইবন উতবার কাছে উপনীত হলাম। তিনি ছিলেন তখন প্লেগ মহামারীতে আক্রান্ত। এমন সময় মু'আবিয়া (রা) তাঁর কাছে গেলেন...... অতঃপর তিনি হাদীসের অবশিষ্টাংশ বর্ণনা করেছেন। রাযীন ও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি এতটুকু অংশ বেশি উদ্বৃত্ত করেছেন। অতঃপর যখন তিনি ইনতিকাল করলেন, তখন তাঁর পরিত্যক্ত সম্পদ হিসাব করা হল, দেখা গেল, সর্বসাকুল্যে ত্রিশ দিরহাম। এ হিসাবে তাঁর থালাটিও ধরা হয়েছে যাতে তিনি আহারও খেতেন।)
(তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবন মাজাও আবু ওয়াইল-এর সনদে সামুরা ইবন সাহম-এর সূত্রে তাঁরই গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যার নাম তিনি উল্লেখ করেন নি। উক্ত রিওয়ায়েতে তিনি বলেন, আমি আবু হাশিম ইবন উতবার কাছে উপনীত হলাম। দেখি, তাঁর কাছে মু'আবিয়া (রা) এলেন।..... অতঃপর তিনি পূর্ববৎ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
ইবন হিব্বান ও সামুরা ইব্ন সাহম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি আবু হাশিম ইবন উতবার কাছে উপনীত হলাম। তিনি ছিলেন তখন প্লেগ মহামারীতে আক্রান্ত। এমন সময় মু'আবিয়া (রা) তাঁর কাছে গেলেন...... অতঃপর তিনি হাদীসের অবশিষ্টাংশ বর্ণনা করেছেন। রাযীন ও হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। তাতে তিনি এতটুকু অংশ বেশি উদ্বৃত্ত করেছেন। অতঃপর যখন তিনি ইনতিকাল করলেন, তখন তাঁর পরিত্যক্ত সম্পদ হিসাব করা হল, দেখা গেল, সর্বসাকুল্যে ত্রিশ দিরহাম। এ হিসাবে তাঁর থালাটিও ধরা হয়েছে যাতে তিনি আহারও খেতেন।)
كتاب التوبة والزهد
التَّرْغِيب فِي الزّهْد فِي الدُّنْيَا والاكتفاء مِنْهَا بِالْقَلِيلِ والترهيب من حبها وَالتَّكَاثُر فِيهَا والتنافس وَبَعض مَا جَاءَ فِي عَيْش النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فِي المأكل والملبس وَالْمشْرَب وَنَحْو ذَلِك
5046- وَعَن أبي وَائِل قَالَ جَاءَ مُعَاوِيَة إِلَى أبي هَاشم بن عتبَة وَهُوَ مَرِيض يعودهُ فَوَجَدَهُ يبكي فَقَالَ يَا خَال مَا يبكيك أوجع يشئزك أم حرص على الدُّنْيَا قَالَ كلا وَلَكِن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عهد إِلَيْنَا عهدا لم نَأْخُذ بِهِ قَالَ وَمَا ذَاك قَالَ سمعته يَقُول إِنَّمَا يَكْفِي من جمع المَال خَادِم ومركب فِي سَبِيل الله وأجدني الْيَوْم قد جمعت
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه عَن أبي وَائِل عَن سَمُرَة بن سهم عَن رجل من قومه لم يسمه قَالَ نزلت على أبي هَاشم بن عتبَة فَجَاءَهُ مُعَاوِيَة فَذكر الحَدِيث بِنَحْوِهِ
وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه عَن سَمُرَة بن سهم قَالَ نزلت على أبي هَاشم بن عتبَة وَهُوَ مطعون فَأَتَاهُ مُعَاوِيَة فَذكر الحَدِيث
وَذكره رزين فَزَاد فِيهِ فَلَمَّا مَاتَ حصر مَا خلف فَبلغ ثَلَاثِينَ درهما وحسبت فِيهِ الْقَصعَة الَّتِي كَانَ يعجن فِيهَا وفيهَا يَأْكُل
يشئزك بشين مُعْجمَة ثمَّ همزَة مَكْسُورَة وزاي أَي يقلقك وَزنه وَمَعْنَاهُ
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه عَن أبي وَائِل عَن سَمُرَة بن سهم عَن رجل من قومه لم يسمه قَالَ نزلت على أبي هَاشم بن عتبَة فَجَاءَهُ مُعَاوِيَة فَذكر الحَدِيث بِنَحْوِهِ
وَرَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه عَن سَمُرَة بن سهم قَالَ نزلت على أبي هَاشم بن عتبَة وَهُوَ مطعون فَأَتَاهُ مُعَاوِيَة فَذكر الحَدِيث
وَذكره رزين فَزَاد فِيهِ فَلَمَّا مَاتَ حصر مَا خلف فَبلغ ثَلَاثِينَ درهما وحسبت فِيهِ الْقَصعَة الَّتِي كَانَ يعجن فِيهَا وفيهَا يَأْكُل
يشئزك بشين مُعْجمَة ثمَّ همزَة مَكْسُورَة وزاي أَي يقلقك وَزنه وَمَعْنَاهُ