আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার

হাদীস নং: ৪৫৫৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
বিষধর জন্তু হত্যা করা এবং সাপ ও অন্যান্য বিষধর জন্তু হত্যা করার প্রতি অনুপ্রেরণা
৪৫৫৩. আবু সায়িব (র) থেকে বর্ণিত। একদা তিনি আবু সাঈদ খুদরী (রা)-এর ঘরে প্রবেশ করেন এবং তাঁকে সালাতরত পান। তিনি বলেন: সালাত শেষ না করা পর্যন্ত আমি তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। ইত্যবসরে ঘরের এক কোনে চৌকাঠের একটি শব্দ শুনতে পেলাম এবং একটি সাপ দেখতে পেলাম, আমি তা মেরে ফেলার জন্য উদ্যত হলে তিনি আমাকে বসে যাওয়ার নির্দেশ দেন, সেমতে আমি বসে যাই। সালাত শেষে তিনি বাড়ীর একটি ঘরের দিকে ইশারা করে বলেন: এই ঘরটি কি দেখতে পাচ্ছ? আমি বললামঃ জ্বি- হাঁ। তিনি বলেন: এই ঘরে এক নব বিবাহিত যুবক বাস করত। তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সঙ্গে খন্দকের যুদ্ধের পরিখা খননের কাজে বের হই। ঐ যুবকটি দিনের মধ্যভাগে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নিকট বাড়ী ফেরার অনুমতি চাইত এবং সে তার পরিবারের কাছে আসত। তিনি তাকে একদিন অনুমতি দিয়ে বলেন : তুমি অস্ত্র নিয়ে যাও। কেননা, আমি তোমার ব্যাপারে কুরাইযাকে ভয় করি। তখন লোকটি অস্ত্র নিয়ে বাড়ী এসে তার স্ত্রীকে দরজায় দাঁড়ানো দেখতে পায়। তখন সে তাকে অস্ত্র নিয়ে আঘাত করার জন্য উদ্যত হলো; কেননা, তার দরজায় দাঁড়ানো তাকে ক্ষুব্ধ করেছিল। সে সময় তার স্ত্রী তাকে বলল: তুমি অস্ত্র সামলে নাও এবং কিসে আমাকে ঘর থেকে বের করেছে, ঘরে প্রবেশ করে তা দেখে নাও। লোকটি ঘরে প্রবেশ করে তার বিছানার উপর বৃত্তাকার লেজ পেচানো অবস্থায় বড় একটি সাপ দেখতে পেল। তখন সে ঘরে প্রবেশ করে সাপটিকে মেরে ফেলল। এরপর সে বের হয়ে বাড়ীর কোন স্থানে তা পুঁতে রাখল। কিছুক্ষণ পরে তার অস্থিরতা আরম্ভ হল। আর লোকটি এবং সাপ এ দু'টির মধ্যে কার মৃত্যু আগে হলো তা জানা গেল না। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর কাছে উক্ত ঘটনাটি বর্ণনা করে বললামঃ আল্লাহ্ তাকে জীবিত করুন এই মর্মে আপনি তাকে দু'আ করুন। তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ ) বলেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। এরপর তিনি বলেন: মদীনায় কতিপয় জ্বিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তোমরা তাদের কাউকে দেখলে কমপক্ষে তিনদিন তাদের চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করবে। তারপর তাদের দেখলে মেরে ফেলবে। কেননা সেটি শয়তান।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي قتل الوزغ وَمَا جَاءَ فِي قتل الْحَيَّات وَغَيرهَا مِمَّا يذكر
4553- وَعَن أبي السَّائِب أَنه دخل على أبي سعيد الْخُدْرِيّ رَضِي الله عَنهُ فِي بَيته قَالَ فَوَجَدته يُصَلِّي فَجَلَست أنتظره حَتَّى يقْضِي صلَاته فَسمِعت تحريكا فِي عراجين فِي نَاحيَة الْبَيْت فَالْتَفت فَإِذا حَيَّة فَوَثَبت لأقتلها فَأَشَارَ إِلَيّ أَن اجْلِسْ فَجَلَست فَلَمَّا انْصَرف أَشَارَ إِلَى بَيت فِي الدَّار فَقَالَ أَتَرَى هَذَا الْبَيْت فَقلت نعم قَالَ كَانَ فِيهِ فَتى منا حَدِيث عهد بعرس
قَالَ فخرجنا مَعَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِلَى الخَنْدَق فَكَانَ ذَلِك الْفَتى يسْتَأْذن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم بأنصاف النَّهَار فَيرجع إِلَى أَهله فاستأذنه يَوْمًا فَقَالَ خُذ عَلَيْك سِلَاحك فَإِنِّي أخْشَى عَلَيْك قُرَيْظَة فَأخذ الرجل سلاحه ثمَّ رَجَعَ فَإِذا امْرَأَته بَين الْبَابَيْنِ قَائِمَة فَأَهوى إِلَيْهَا بِالرُّمْحِ ليطعنها بِهِ وأصابته غيرَة فَقَالَت لَهُ اكفف عَلَيْك رمحك وادخل
الْبَيْت حَتَّى تنظر مَا الَّذِي أخرجني فَدخل فَإِذا بحية عَظِيمَة منطوية على الْفراش فَأَهوى إِلَيْهَا بِالرُّمْحِ فانتظمها بِهِ ثمَّ خرج فركزه فِي الدَّار فاضطربت عَلَيْهِ فَمَا يدْرِي أَيهمَا كَانَ أسْرع موتا الْحَيَّة أم الْفَتى قَالَ فَجِئْنَا رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَذكرنَا ذَلِك لَهُ وَقُلْنَا ادْع الله أَن يحييه لنا فَقَالَ اسْتَغْفرُوا لصاحبكم
ثمَّ قَالَ إِن بِالْمَدِينَةِ جنا قد أَسْلمُوا فَإِذا رَأَيْتُمْ مِنْهُم شَيْئا فآذنوه ثَلَاثَة أَيَّام فَإِن بدا لكم بعد ذَلِك فَاقْتُلُوهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَان
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান