আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

১৪. অধ্যায়ঃ যিকির ও দু‘আ

হাদীস নং: ২৪৪৮
অধ্যায়ঃ যিকির ও দু‘আ
'লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠের প্রতি উৎসাহ দান
২৪৪৮. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ তুমি বেশি পরিমাণে 'লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম' পাঠ কর। কেননা এটি জান্নাতের একটি ভাণ্ডারবিশেষ।
মাকহুল বলেনঃ যে ব্যক্তি 'লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি, লা-মালজাআ মিনাল্লাহি ইল্লা ইলায়হি' পাঠ করবে, আল্লাহ তার অনিষ্টের সত্তরটি দরজা রুদ্ধ করে দিবেন। এর মধ্যে সর্বনিম্নটি হল দারিদ্র্য।
(হাদীসটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ হাদীসটির সনদ মুত্তাসিল নয়। কেননা মাকহূল আবূ হুরায়রা (রা) থেকে হাদীস শুনেননি। এ হাদীসটি নাসাঈ এবং বায্‌যার আরও বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন এবং 'ওয়ালা মালজাআ মিনাল্লাহি ইল্লা ইলায়হি'-এ অংশটিও মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ দু'টি বর্ণনার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং তাঁদের বর্ণনা গ্রহণযোগ্য। হাকিমও এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ হাদীসটি সহীহ এবং এতে কোন গোপন দোষ নেই। তাঁর ভাষ্যটি হলঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি কি তোমাকে আরশের নীচের ও জান্নাতের একটি ভাণ্ডারের কথা শিখিয়ে দিব না অথবা বলেছেনঃঃ সন্ধান দিব না? তুমি বলবেঃ 'লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।' আল্লাহ তখন বললেনঃ আমার বান্দা আত্মসমর্পণ করল এবং চরম আনুগত্য প্রদর্শন করল।
হাকিমেরই অপর এক বর্ণনায় রয়েছে এবং এটিকেও তিনি সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, হে আবু হুরায়রা। আমি কি তোমাকে জান্নাতের একটি ভাণ্ডারের সন্ধানে দিব না? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অবশ্যই। তিনি বললেন, তুমি বলবে, "লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, লা মাল্‌জাআ ওয়ালা মানজা মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি।" হাকিম এটি একটি দীর্ঘ হাদীসের আলোচনায় বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الذّكر وَالدُّعَاء
التَّرْغِيب فِي قَول لَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه
2448- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ لي رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَكثر من قَول لَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه الْعلي الْعَظِيم فَإِنَّهَا من كنز الْجنَّة
قَالَ مَكْحُول فَمن قَالَ لَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه وَلَا ملْجأ من الله إِلَّا إِلَيْهِ كشف الله عَنهُ سبعين بَابا من الضّر أدناهن الْفقر

رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ هَذَا حَدِيث إِسْنَاده لَيْسَ بِمُتَّصِل
مَكْحُول لم يسمع من أبي هُرَيْرَة
وَرَوَاهُ النَّسَائِيّ وَالْبَزَّار مطولا ورفعا وَلَا ملْجأ من الله إِلَّا إِلَيْهِ
ورواتهما ثِقَات مُحْتَج بهم
وَرَوَاهُ الْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح وَلَا عِلّة لَهُ وَلَفظه أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا أعلمك أَو أَلا أدلك على كلمة من تَحت الْعَرْش من كنز الْجنَّة تَقول لَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه فَيَقُول الله أسلم عَبدِي واستسلم
وَفِي رِوَايَة لَهُ وصححها أَيْضا قَالَ يَا أَبَا هُرَيْرَة أَلا أدلك على كنز من كنوز الْجنَّة قلت بلَى يَا رَسُول الله قَالَ تَقول لَا حول وَلَا قُوَّة إِلَّا بِاللَّه وَلَا ملْجأ وَلَا منجى من الله إِلَّا إِلَيْهِ
ذكره فِي حَدِيث
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান