আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
৯. অধ্যায়ঃ রোযা
হাদীস নং: ১৬২১
অধ্যায়ঃ রোযা
সাহরী খাওয়া, বিশেষত খুরমা দ্বারা সাহরী গ্রহণের প্রতি উৎসাহ দান প্রসঙ্গ
১৬২১. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: তোমরা সাহরী গ্রহণ কর। কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন।)
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّوْم
التَّرْغِيب فِي السّحُور سِيمَا بِالتَّمْرِ
1621- عَن أنس بن مَالك رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم تسحرُوا فَإِن فِي السّحُور بركَة
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
رَوَاهُ البُخَارِيّ وَمُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সাহরীতে বরকত থাকার একটি বাহ্যিক ও সাধারণ দিক তো এই যে, এর দ্বারা রোযাদারের শক্তি অর্জিত হয় এবং রোযা রাখা বেশী দুর্বলতার কারণ ও কঠিন হয় না। দ্বিতীয় ঈমানী ও ধর্মীয় দিকটি এই যে, যদি সাহরী খাওয়ার রেওয়াজ না থাকে অথবা উম্মতের বড় বড় মনীষী ও বিশেষ ব্যক্তিরা সাহরী না খায়, তাহলে এ আশংকা থাকে যে, সাধারণ মানুষ এটাকেই শরী‘আতের বিধান অথবা কমপক্ষে উত্তম কাজ মনে করে নেবে এবং এভাবে শরী‘আতের নির্ধারিত সীমারেখায় পরিবর্তন এসে যাবে। পূর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে এভাবেই ধর্মীয় ক্ষেত্রে বিকৃতি ঘটেছে। তাই সাহরীর একটি বরকত এবং এর একটি বিরাট দ্বীনি ফায়েদা এও যে, এর দ্বারা দ্বীনবিকৃতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং এজন্যই এটা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয় এবং তাঁর সন্তুষ্টি ও রহমত লাভের উপায়।
মুসনাদে আহমাদে হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি.-এর সনদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে:
السحور كله بركة فلا تدعوه ولو أن يجرع أحدكم جرعة من ماء فإن الله عز وجل وملائكته يصلون على المتسحرين
অর্থাৎ, সাহরীতে বরকত রয়েছে। তাই তোমরা এটা ছাড়বে না। আর কিছু না হোক, অন্ততঃ তোমরা এক ঢোক পানিই পান করে নেরে। কেননা, সাহরী গ্রহণকারীদের উপর আল্লাহ্ রহমত করেন এবং ফেরেশতারাও তাদের জন্য দু‘আ করে।
মুসনাদে আহমাদে হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি.-এর সনদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে:
السحور كله بركة فلا تدعوه ولو أن يجرع أحدكم جرعة من ماء فإن الله عز وجل وملائكته يصلون على المتسحرين
অর্থাৎ, সাহরীতে বরকত রয়েছে। তাই তোমরা এটা ছাড়বে না। আর কিছু না হোক, অন্ততঃ তোমরা এক ঢোক পানিই পান করে নেরে। কেননা, সাহরী গ্রহণকারীদের উপর আল্লাহ্ রহমত করেন এবং ফেরেশতারাও তাদের জন্য দু‘আ করে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)