আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

৯. অধ্যায়ঃ রোযা

হাদীস নং: ১৫৮৮
অধ্যায়ঃ রোযা
বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি ও রবিবারের রোযার প্রতি উৎসাহ দান এবং শুধু শুক্রবার অথবা শনিবারে রোযা রাখার নিষিদ্ধতা প্রসঙ্গে
১৫৮৮. হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী করীম ﷺ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন: তোমরা শুক্রবারের রাতকে অন্যান্য রাত থেকে ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখো না এবং শুক্রবার দিনকে অন্যান্য দিন থেকে রোযার জন্য নির্দিষ্ট করে রেখো না। তবে যদি এদিনটি তোমাদের কারো নিয়মিত রোযার মধ্যে এসে যায়।
(হাদীসটি মুসলিম ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّوْم
التَّرْغِيب فِي صَوْم الْأَرْبَعَاء وَالْخَمِيس وَالْجُمُعَة والسبت والأحد وَمَا جَاءَ فِي النَّهْي عَن تَخْصِيص الْجُمُعَة بِالصَّوْمِ أَو السبت
1588- عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ عَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ لَا تخصوا لَيْلَة الْجُمُعَة بِقِيَام من بَين اللَّيَالِي وَلَا تخصوا يَوْم الْجُمُعَة بصيام من بَين الْأَيَّام إِلَّا أَن يكون فِي صَوْم يَصُومهُ أحدكُم

رَوَاهُ مُسلم وَالنَّسَائِيّ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

জুমু'আর দিন এবং এর রাতের বিশেষ ফযীলতের কারণে যেহেতু এর খুব সম্ভাবনা ছিল যে, ফযীলত আকাঙ্ক্ষী লোকেরা এ দিন রোযা রাখার এবং এর রাতে জাগ্রত থাকা ও ইবাদতের প্রতি খুব বেশী গুরুত্ব দিয়ে বসবে এবং আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল (ﷺ) যে জিনিসটি ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেননি, এর সাথে ফরয ও ওয়াজিবের মতই ব্যবহার করা হবে, এ জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তাছাড়া এই নিষেধাজ্ঞার আরও কিছু কারণও ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন। যাহোক, এ নিষেধাজ্ঞাটি শরী‘আতের সীমারেখা রক্ষা ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্যই। উদ্দেশ্য এই যে, শুক্রবারের রোযা এবং রাত্রি জাগরণ যেন একটি অতিরিক্ত রসম ও রেওয়াজে পরিণত না হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান