আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

৯. অধ্যায়ঃ রোযা

হাদীস নং: ১৫২১
অধ্যায়ঃ রোযা
শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযার প্রতি উৎসাহ দান প্রসঙ্গ
১৫২১. হযরত ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল এবং তারপর শাওয়ালে ছয়টি রোযা পালন করল, সে নিজের গুনাহ থেকে এমনভাবে বেরিয়ে আসল যেমন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।
(হাদীসটি তাবারানী 'আওসাত' নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّوْم
التَّرْغِيب فِي صَوْم سِتّ من شَوَّال
1521- وَرُوِيَ عَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من صَامَ رَمَضَان وَأتبعهُ سِتا من شَوَّال خرج من ذنُوبه كَيَوْم وَلدته أمه

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْأَوْسَط

হাদীসের ব্যাখ্যা:

রমযান মাস যদি ২৯ দিনেরও হয়, তবুও আল্লাহ তা'আলা নিজ অনুগ্রহে ৩০ দিনেরই সওয়াব দিয়ে দেন। আর শাওয়ালের ছয়টি রোযা যোগ করলে রোযার সংখ্যা ৩৬ হয়ে যায়। এদিকে আল্লাহ্ তা'আলার অনুগ্রহমূলক বিধান (একে দশ) অনুযায়ী ৩৬ এর দশগুণ ৩৬০ হয়ে যায়, আর চাঁদের হিসাবে বছরের দিন সংখ্যা ৩৬০ থেকে কমই হয়ে থাকে।

অতএব, কোন ব্যক্তি যদি সারা রমযানে রোযা রাখার পর শাওয়ালে ৬টি নফল রোযা রাখে, তাহলে সে এ হিসাবে ৩৬০টি রোযার সওয়াবের অধিকারী হবে। তাই সওয়াব ও প্রতিদানের দিক দিয়ে এটা এমনই হল যে, যেমন কেউ সারা বছরই রোযা রাখল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান