আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
১৯- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৫৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৪-১
- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
৩. তালাকের নিয়ত না করে স্ত্রীকে ’হারাম’ সাব্যস্ত করলে তার উপর কাফফারা ওয়াজিব হবে
৩৫৪৬। মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম (রাহঃ) ......... উবাইদ ইবনে উমায়র (রাহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি আয়িশা (রাযিঃ) কে খবর প্রদান করতে শুনেছেন যে, নবী (ﷺ) (অসর পরবর্তী সময় হুজরাসমূহে আবর্তনকালে) যায়নাব বিনতে জাহশ (রাযিঃ) এর গৃহে অবস্থান করে সেখানে মধু পান করেন। আয়িশা (রাযিঃ) বললেন, আমি ও হাফসা মিলে এরূপ যুক্তি-পরামর্শ করলাম যে, আমাদের দু’জনের মাঝে যার কাছেই নবী (ﷺ) (প্রথমে) আগমন করবেন সে বলবে- ″আমি আপনার মুখে মাগাফীর* এর দুর্গন্ধ পাচ্ছি আপনি মাগাফীর খেয়েছেন।″ পরে এদের কোন একজনের কাছে গেলে সে তাকে অনুরূপ বলল। নবী (ﷺ) বললেন, বরং আমি তো যায়নাব বিনতে জাহশের ঘরে মধু পান করেছি এবং পুনরায় কখনো পান করব না। তখন নাযিল হলঃ
″হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা বৈধ করেছেন, আপনি তা হারাম করছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনা করছেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। আল্লাহ তোমাদের শপথ হতে মুক্তি লাভের ব্যবস্থা করেছেন। আল্লাহ তাদের সহায়; তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। স্মরণ কর, নবী তাঁর স্ত্রীদের একজনকে গোপনে কিছু বলেছিলেন। অতঃপর যখন সে তা অন্যকে বলে দিয়েছে এবং আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দিয়েছিলেন, তখন নবী এ বিষয় কিছু ব্যক্ত করলেন; কিছু অব্যক্ত রাখলেন। যখন নবী তা তার সে স্ত্রীকে জানালেন তখন সে বলল, কে আপনাকে তা অবহিত করল? নবী বললেন, আমাকে অবহিত করেছেন তিনি যিনি সর্বজ্ঞ, সম্যক অবগত। যদি তোমরা উভয়ে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যেহেতু তোমাদের হৃদয় ঝুঁকে পড়েছে- আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করবেন″ (সূরা আত তাহরীমঃ ১ ৪)
এতে ″যদি তোমরা উভয় তাওবা কর″ (অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর) দ্বারা আয়িশা ও হাফসা (রাযিঃ) উদ্দেশ্য। এবং যখন ″নবী তার স্ত্রীদের একজনকে গোপনে কিছু বলেছিলেন″ দ্বারা “বরং আমি মধুপান করেছি এবং আর কখনো পান করবো না উদ্দেশ্য”।
″হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা বৈধ করেছেন, আপনি তা হারাম করছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনা করছেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। আল্লাহ তোমাদের শপথ হতে মুক্তি লাভের ব্যবস্থা করেছেন। আল্লাহ তাদের সহায়; তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। স্মরণ কর, নবী তাঁর স্ত্রীদের একজনকে গোপনে কিছু বলেছিলেন। অতঃপর যখন সে তা অন্যকে বলে দিয়েছে এবং আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দিয়েছিলেন, তখন নবী এ বিষয় কিছু ব্যক্ত করলেন; কিছু অব্যক্ত রাখলেন। যখন নবী তা তার সে স্ত্রীকে জানালেন তখন সে বলল, কে আপনাকে তা অবহিত করল? নবী বললেন, আমাকে অবহিত করেছেন তিনি যিনি সর্বজ্ঞ, সম্যক অবগত। যদি তোমরা উভয়ে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যেহেতু তোমাদের হৃদয় ঝুঁকে পড়েছে- আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করবেন″ (সূরা আত তাহরীমঃ ১ ৪)
এতে ″যদি তোমরা উভয় তাওবা কর″ (অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর) দ্বারা আয়িশা ও হাফসা (রাযিঃ) উদ্দেশ্য। এবং যখন ″নবী তার স্ত্রীদের একজনকে গোপনে কিছু বলেছিলেন″ দ্বারা “বরং আমি মধুপান করেছি এবং আর কখনো পান করবো না উদ্দেশ্য”।
كتاب الطلاق
باب وُجُوبِ الْكَفَّارَةِ عَلَى مَنْ حَرَّمَ امْرَأَتَهُ وَلَمْ يَنْوِ الطَّلاَقَ
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ، يُخْبِرُ أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ، تُخْبِرُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلاً قَالَتْ فَتَوَاطَأْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَنَّ أَيَّتَنَا مَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ أَكَلْتَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ . فَقَالَ " بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ " . فَنَزَلَ ( لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) إِلَى قَوْلِهِ ( إِنْ تَتُوبَا) لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ ( وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا) لِقَوْلِهِ " بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً " .
বর্ণনাকারী: