কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
المجتبى من السنن للنسائي
৮. মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৪ টি
হাদীস নং: ৬৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৮
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ নির্মাণের ফযিলত
৬৮৯। আমর ইবনে উসমান (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আবাসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তার জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করবেন।
كتاب المساجد
الفضل في بناء المساجد
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ بَحِيرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ بَنَى مَسْجِدًا يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ بَنَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ " .
হাদীস নং: ৬৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৯
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদের ব্যাপারে গর্ব করা।
৬৯০। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন- মসজিদের ব্যাপারে লোকের পরম্পরে গর্ব করা কিয়ামতের আলামতের অন্তর্ভুক্ত।
كتاب المساجد
المباهاة في المساجد
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ " .
হাদীস নং: ৬৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯০
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ প্রথম মসজিদের আলোচনা।
৬৯১। আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ......... ইবরাহীম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাস্তায় বসে আমার পিতার নিকট কুরআন পাঠ করতাম, যখন আমি সিজদার আয়াত পাঠ করলাম তিনি সিজদা করলেন, তখন আমি বললাম আব্বা! আপনি রাস্তায় সিজদা করছেন! বললেন, আমি আবু যর (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন মসজিদটি প্রথম নির্মিত হয়? তিনি বলেছিলেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, তারপর কোনটি? বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি বললাম, এতদুভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত? বললেন, চল্লিশ বছর। আর যমীন তোমার জন্য মসজিদ (সিজদার স্থান)। অতএব যেখানেই নামাযের সময় হবে, নামায আদায় করবে।
كتاب المساجد
ذكر أي مسجد وضع أولا
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ كُنْتُ أَقْرَأُ عَلَى أَبِي الْقُرْآنَ فِي السِّكَّةِ فَإِذَا قَرَأْتُ السَّجْدَةَ سَجَدَ فَقُلْتُ يَا أَبَتِ أَتَسْجُدُ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ إِنِّي سَمِعْتُ أَبَا ذَرٍّ يَقُولُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَىُّ مَسْجِدٍ وُضِعَ أَوَّلاً قَالَ " الْمَسْجِدُ الْحَرَامُ " . قُلْتُ ثُمَّ أَىُّ قَالَ " الْمَسْجِدُ الأَقْصَى " . قُلْتُ وَكَمْ بَيْنَهُمَا قَالَ " أَرْبَعُونَ عَامًا وَالأَرْضُ لَكَ مَسْجِدٌ فَحَيْثُمَا أَدْرَكْتَ الصَّلاَةَ فَصَلِّ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯১
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে হারামে নামাযের ফযিলত।
৬৯২। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাবাদ (রাহঃ) ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাযিঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদে নামায আদায় করবে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, তাতে এক ওয়াক্ত নামায আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায আদায় করার চেয়েও উত্তম।
كتاب المساجد
فضل الصلاة في المساجد
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ مَيْمُونَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ مَنْ صَلَّى فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الصَّلاَةُ فِيهِ أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلاَّ مَسْجِدَ الْكَعْبَةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯২
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কাবায় নামায আদায় করা
৬৯৩। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উসামা ইবনে যায়দ (রাযিঃ), বিলাল (রাযিঃ) এবং উসমান ইবনে তালহা (রাযিঃ) কাবায় প্রবেশ করে দরুজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা খুললেন, তখন প্রথম আমিই প্রবেশ করলাম। বিলাল (রাযিঃ)-এর সাথে সাক্ষাত হলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তার ভেতরে নামায আদায় করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি ইয়ামানী দুই স্তম্ভের মধ্যস্থলে নামায আদায় করেছেন।
كتاب المساجد
الصلاة في الكعبة
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَيْتَ هُوَ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَبِلاَلٌ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ فَأَغْلَقُوا عَلَيْهِمْ فَلَمَّا فَتَحَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُنْتُ أَوَّلَ مَنْ وَلَجَ فَلَقِيتُ بِلاَلاً فَسَأَلْتُهُ هَلْ صَلَّى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ صَلَّى بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৩
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদুল আকসার অভ্যন্তরে নামাযে আদায় করার ফযিলত।
৬৯৪। আমর ইবনে মনসুর (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সুলাইমান ইবনে দাউদ (আলাইহিস সালাম) যখন বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ করলেন, তখন তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে তিনটি বস্তু চাইলেনঃ তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করলেন এমন ফয়সালা যা তার ফয়সালার মত হয়। তা তাকে প্রদান করা হল। আর তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট চাইলেন এমন রাজ্য, যার অধিকারী তারপর আর কেউ হবে না। তাও তাকে দেয়া হল। আর যখন তিনি মসজিদ নির্মাণের কাজ সমাপ্ত করলেন তখন তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করলেন, যে ব্যক্তি তাতে নামাযের জন্য আগমন করবে, তাকে যেন পাপ থেকে ঐদিনের মত মুক্ত করে দেন যেদিন সে তার মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।
كتاب المساجد
فضل المسجد الأقصى والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنِ ابْنِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ دَاوُدَ صلى الله عليه وسلم لَمَّا بَنَى بَيْتَ الْمَقْدِسِ سَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ خِلاَلاً ثَلاَثَةً سَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حُكْمًا يُصَادِفُ حُكْمَهُ فَأُوتِيَهُ وَسَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ مُلْكًا لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ مِنْ بَعْدِهِ فَأُوتِيَهُ وَسَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حِينَ فَرَغَ مِنْ بِنَاءِ الْمَسْجِدِ أَنْ لاَ يَأْتِيَهُ أَحَدٌ لاَ يَنْهَزُهُ إِلاَّ الصَّلاَةُ فِيهِ أَنْ يُخْرِجَهُ مِنْ خَطِيئَتِهِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৪
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে নববী ও এর অভ্যন্তরে নামায আদায় করার ফযিলত।
৬৯৫। কাছীর ইবনে উবাইদ (রাহঃ) ......... আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান এবং জুহানীদের মুক্তি প্রাপ্ত গোলাম আবু আব্দুল্লাহ আগার (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, যারা আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর সঙ্গী ছিলেন, তাঁরা আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ মসজিদে নববীর এক নামায মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদের এক হাজার নামায থেকে উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বশেষ নবী, আর তার মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ। আবু সালামা এবং আবু আব্দুল্লাহ বলেনঃ আমাদের সন্দেহ ছিল না যে, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হাদীস থেকে এটা বর্ণনা করতেন।
আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এ হাদীস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যদি শুনেই থাকতেন তবে তার থেকে বর্ণনা করলেন না কেন? আমরা এই অবস্থায় ছিলাম এমন সময় আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে কারিয আমাদের নিকট এসে বসলেন, তখন আমরা এই হাদীসের ব্যাপারে আলোচনা করলাম এবং আমরা যে আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে অবহেলা করেছি, তাও বললাম। আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি সর্বশেষ নবী আর এ মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ।
আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এ হাদীস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যদি শুনেই থাকতেন তবে তার থেকে বর্ণনা করলেন না কেন? আমরা এই অবস্থায় ছিলাম এমন সময় আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে কারিয আমাদের নিকট এসে বসলেন, তখন আমরা এই হাদীসের ব্যাপারে আলোচনা করলাম এবং আমরা যে আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে অবহেলা করেছি, তাও বললাম। আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি সর্বশেষ নবী আর এ মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ।
كتاب المساجد
فضل مسجد النبي صلى الله عليه وسلم والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَغَرِّ، مَوْلَى الْجُهَنِيِّينَ وَكَانَا مِنْ أَصْحَابِ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ صَلاَةٌ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنَ الْمَسَاجِدِ إِلاَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَمَسْجِدُهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ . قَالَ أَبُو سَلَمَةَ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ لَمْ نَشُكَّ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ عَنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمُنِعْنَا أَنْ نَسْتَثْبِتَ أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ الْحَدِيثِ حَتَّى إِذَا تُوُفِّيَ أَبُو هُرَيْرَةَ ذَكَرْنَا ذَلِكَ وَتَلاَوَمْنَا أَنْ لاَ نَكُونَ كَلَّمْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ حَتَّى يُسْنِدَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْ كَانَ سَمِعَهُ مِنْهُ فَبَيْنَا نَحْنُ عَلَى ذَلِكَ جَالَسْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ فَذَكَرْنَا ذَلِكَ الْحَدِيثَ وَالَّذِي فَرَّطْنَا فِيهِ مِنْ نَصِّ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ لَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَشْهَدُ أَنِّي سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَإِنِّي آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَإِنَّهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৫
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে নববী ও এর অভ্যন্তরে নামায আদায় করার ফযিলত।
৬৯৬। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যস্থিত স্থান বেহেশতের বাগানসমূহের একটি বাগান।
كتاب المساجد
فضل مسجد النبي صلى الله عليه وسلم والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৬
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে নববী ও এর অভ্যন্তরে নামায আদায় করার ফযিলত।
৬৯৭। কুতায়বা (রাহঃ) ......... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার এই মিম্বরে জান্নাতের উপরই স্থাপিত।
كتاب المساجد
فضل مسجد النبي صلى الله عليه وسلم والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ قَوَائِمَ مِنْبَرِي هَذَا رَوَاتِبُ فِي الْجَنَّةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৭
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তাকাওয়ার উপর স্থাপিত মসজিদ সম্পর্কে আলোচনা
৬৯৮। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) দু’ব্যক্তি প্রথম “তাকওয়ার উপর স্থাপিত মসজিদ” সম্বন্ধে বিতর্ক করছিল। এক ব্যক্তি বলল, তা হল মসজিদে কুবা, অন্যজন বলল, তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তা হল আমার এই মসজিদ।
كتاب المساجد
ذكر المسجد الذي أسس على التقوى
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ تَمَارَى رَجُلاَنِ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَى مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ فَقَالَ رَجُلٌ هُوَ مَسْجِدُ قُبَاءٍ وَقَالَ الآخَرُ هُوَ مَسْجِدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ مَسْجِدِي هَذَا " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৮
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে কুবা ও তাতে নামায আদায় করার ফযীলত।
৬৯৯। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুবাতে গমন করতেন সওয়ার হয়ে এবং পদব্রজে (পায়ে হেঁটে)।
كتاب المساجد
فضل مسجد قباء والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا .
হাদীস নং: ৬৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৯
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে কুবা ও তাতে নামায আদায় করার ফযীলত।
৭০০। কুতায়বা (রাহঃ) ......... সাহল ইবনে হুনায়ফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বের হয়ে এই মসজিদে কুবায় আগমন করবে এবং তাতে নামায আদায় করবে, এটা তার জন্য এক উমরার সমতুল্য হবে।
كتاب المساجد
فضل مسجد قباء والصلاة فيه
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَعْقُوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْكِرْمَانِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ قَالَ أَبِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ خَرَجَ حَتَّى يَأْتِيَ هَذَا الْمَسْجِدَ مَسْجِدَ قُبَاءٍ فَصَلَّى فِيهِ كَانَ لَهُ عِدْلَ عُمْرَةٍ " .
হাদীস নং: ৭০০
আন্তর্জাতিক নং: ৭০০
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে মসজিদের জন্যে সওয়ারী প্রস্তুত করা যায়।
৭০১। মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।[১]
[১] এই তিন মসজিদের মর্যাদা বুঝানোর উদ্দেশ্যেই এরূপ বলা হয়েছে, অপর কোন স্থানে যাওয়া থেকে নিষেধ করার জন্য নয়। তবে এ হাদীসের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ বলেছেন যে, কোন ওলী-দরবেশের মাযার বা অপর কোন বিশেষ স্থান যিয়ারত করার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়া এই নিষেধের অন্তর্গত। -অনুবাদক
[১] এই তিন মসজিদের মর্যাদা বুঝানোর উদ্দেশ্যেই এরূপ বলা হয়েছে, অপর কোন স্থানে যাওয়া থেকে নিষেধ করার জন্য নয়। তবে এ হাদীসের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ বলেছেন যে, কোন ওলী-দরবেশের মাযার বা অপর কোন বিশেষ স্থান যিয়ারত করার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়া এই নিষেধের অন্তর্গত। -অনুবাদক
كتاب المساجد
ما تشد الرحال إليه من المساجد
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلاَّ إِلَى ثَلاَثَةِ مَسَاجِدَ مَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الأَقْصَى
হাদীস নং: ৭০১
আন্তর্জাতিক নং: ৭০১
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গির্জাকে মসজিদ বানানো
৭০২। হান্নাদ ইবনে সাররী (রাহঃ) ......... তালক ইবনে আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রতিনিধি হিসাবে নবী (ﷺ) এর নিকট আগমনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। পরে তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম এবং তাঁর সাথে নামায আদায় করলাম। তারপর আমরা তাকে অবহিত করলাম যে, দেশে আমাদের একটা গির্জা রয়েছে। আমরা তাকে পানি দিতে অনুরোধ জানালাম। তিনি কিছু পনি আনিয়ে উযু এবং কুল্লি করলেন-তারপর একটি পাত্রে তা ঢেলে দিলেন। আর আমাদের তা নিতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে পৌছবে- তখন তোমাদের ঐ গির্জাটি ভেঙ্গে ফেলবে আর সেখানে এ পানি ঢেলে দেবে। তারপর সেটাকে মসজিদ বানাবে। আমরা বললাম, আমাদের দেশ অনেক দূরে, গরমও অত্যধিক, পানি শুকিয়ে যাবে। তিনি বললেন, এর সাথে আরও পানি মিশ্রিত করে নেবে। তাতে ঐ পানির সুঘ্রাণ আরও বাড়বে। আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আমাদের দেশে পৌছলাম এবং আমাদের গির্জাটি ভেঙ্গে ফেললাম। তারপর তার স্থানে পানি ঢেলে দিলাম আর ওটাকে মসজিদরূপে ব্যবহার করলাম। আমরা তাতে আযান দিলাম। রাবী বলেনঃ পাদ্রী ছিল তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। সে আযান ধ্বনি শুনে বলল, এ তো সত্যের প্রতি আহবান। তারপর সে ঢালূ স্থানের দিকে চলে গেল। তাকে আমরা আর দেখিনি।
كتاب المساجد
اتخاذ البيع مساجد
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ مُلاَزِمٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ خَرَجْنَا وَفْدًا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَايَعْنَاهُ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ وَأَخْبَرْنَاهُ أَنَّ بِأَرْضِنَا بِيعَةً لَنَا فَاسْتَوْهَبْنَاهُ مِنْ فَضْلِ طَهُورِهِ فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ وَتَمَضْمَضَ ثُمَّ صَبَّهُ فِي إِدَاوَةٍ وَأَمَرَنَا فَقَالَ " اخْرُجُوا فَإِذَا أَتَيْتُمْ أَرْضَكُمْ فَاكْسِرُوا بِيعَتَكُمْ وَانْضَحُوا مَكَانَهَا بِهَذَا الْمَاءِ وَاتَّخِذُوهَا مَسْجِدًا " . قُلْنَا إِنَّ الْبَلَدَ بَعِيدٌ وَالْحَرَّ شَدِيدٌ وَالْمَاءَ يَنْشَفُ . فَقَالَ " مُدُّوهُ مِنَ الْمَاءِ فَإِنَّهُ لاَ يَزِيدُهُ إِلاَّ طِيبًا " . فَخَرَجْنَا حَتَّى قَدِمْنَا بَلَدَنَا فَكَسَرْنَا بِيعَتَنَا ثُمَّ نَضَحْنَا مَكَانَهَا وَاتَّخَذْنَاهَا مَسْجِدًا فَنَادَيْنَا فِيهِ بِالأَذَانِ . قَالَ وَالرَّاهِبُ رَجُلٌ مِنْ طَيِّئٍ فَلَمَّا سَمِعَ الأَذَانَ قَالَ دَعْوَةُ حَقٍّ . ثُمَّ اسْتَقْبَلَ تَلْعَةً مِنْ تِلاَعِنَا فَلَمْ نَرَهُ بَعْدُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০২
আন্তর্জাতিক নং: ৭০২
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবরের জায়গা সমান করে মসজিদ বানানো।
৭০৩। ইমরান ইবনে মুসা (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি মদীনার এক প্রান্তে বনু আমর ইবনে আওফ নামক এক গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি বনু নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা তাদের তলোয়ার লটকিয়ে আগমন করলেন, আমি যেন এখনও দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সওয়ারীর উপর আর আবু বকর (রাযিঃ) তার পেছনে উপবিষ্ট। আর বনু নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেরা তার চতূপার্শ্বে চলতে চলতে তিনি আবু আইয়্যুব (রাযিঃ) এর ঘরের সামনে অবতরণ করলেন। তিনি নামাযের সময় যেখানেই থাকতেন, সেখানে নামায আদায় করতেন। তিনি বকরীর পালের স্থানেও নামায আদায় করতেন। তারপর তাঁকে মসজিদ তৈরী করার আদেশ দেয়া হলে তিনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন।
তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনু নাজ্জারের লোক সকল! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তাআলার নিকট চাইব। আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলা খণ্ড গুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা বলছিলেনঃ
اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ
অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।
তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনু নাজ্জারের লোক সকল! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তাআলার নিকট চাইব। আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলা খণ্ড গুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা বলছিলেনঃ
اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ
অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।
كتاب المساجد
نبش القبور , واتخاذ أرضها مسجدا
أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فِي عُرْضِ الْمَدِينَةِ فِي حَىٍّ يُقَالُ لَهُمْ بَنُو عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَأَقَامَ فِيهِمْ أَرْبَعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا مُتَقَلِّدِي سُيُوفِهِمْ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى رَاحِلَتِهِ وَأَبُو بَكْرٍ - رضى الله عنه - رَدِيفُهُ وَمَلأٌ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ حَوْلَهُ حَتَّى أَلْقَى بِفِنَاءِ أَبِي أَيُّوبَ وَكَانَ يُصَلِّي حَيْثُ أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ فَيُصَلِّي فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ ثُمَّ أُمِرَ بِالْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا فَقَالَ " يَا بَنِي النَّجَّارِ ثَامِنُونِي بِحَائِطِكُمْ هَذَا " . قَالُوا وَاللَّهُ لاَ نَطْلُبُ ثَمَنَهُ إِلاَّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ . قَالَ أَنَسٌ وَكَانَتْ فِيهِ قُبُورُ الْمُشْرِكِينَ وَكَانَتْ فِيهِ خَرِبٌ وَكَانَ فِيهِ نَخْلٌ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَنُبِشَتْ وَبِالنَّخْلِ فَقُطِعَتْ وَبِالْخَرِبِ فَسُوِّيَتْ فَصَفُّوا النَّخْلَ قِبْلَةَ الْمَسْجِدِ وَجَعَلُوا عِضَادَتَيْهِ الْحِجَارَةَ وَجَعَلُوا يَنْقُلُونَ الصَّخْرَ وَهُمْ يَرْتَجِزُونَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَهُمْ وَهُمْ يَقُولُونَ اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ
হাদীস নং: ৭০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৩
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবরকে মসজিদরুপে ব্যবহার করা নিষেধ।
৭০৪। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) এবং ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়েছিল- তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাঁদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তার চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্হায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহুদী এবং খ্রিষ্টানদের ওপর আল্লাহর লানত, তারা তাদের নবীগণের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।
كتاب المساجد
النهي عن اتخاذ القبور مساجد
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، وَيُونُسَ، قَالاَ قَالَ الزُّهْرِيُّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَائِشَةَ، وَابْنَ، عَبَّاسٍ قَالاَ لَمَّا نُزِلَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ فَإِذَا اغْتَمَّ كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ قَالَ وَهُوَ كَذَلِكَ " لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ " .
হাদীস নং: ৭০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৪
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কবরকে মসজিদরুপে ব্যবহার করা নিষেধ।
৭০৫। ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাযিঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মূত্যু বরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরীর করে রাখত। কিয়ামতের দিন তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগণিত হবে।
كتاب المساجد
النهي عن اتخاذ القبور مساجد
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ، وَأُمَّ سَلَمَةَ ذَكَرَتَا كَنِيسَةً رَأَتَاهَا بِالْحَبَشَةِ فِيهَا تَصَاوِيرُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أُولَئِكَ إِذَا كَانَ فِيهِمُ الرَّجُلُ الصَّالِحُ فَمَاتَ بَنَوْا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا وَصَوَّرُوا تِيكَ الصُّوَرَ أُولَئِكَ شِرَارُ الْخَلْقِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৫
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে আগমনের ফযীলত।
৭০৬। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার এক পদক্ষেপে একটি নেকী লেখা হয়। আর এক পদক্ষেপে একটি গুনাহ মুছে যায়।
كتاب المساجد
الفضل في إتيان المساجد
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ الْعَلاَءِ بْنِ جَارِيَةَ الثَّقَفِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، - هُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " حِينَ يَخْرُجُ الرَّجُلُ مِنْ بَيْتِهِ إِلَى مَسْجِدِهِ فَرِجْلٌ تُكْتَبُ حَسَنَةً وَرِجْلٌ تَمْحُو سَيِّئَةً " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৬
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের মসজিদে আসতে বারণ করা নিষেধ।
৭০৭। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... সালিম (রাহঃ)-এর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কারও স্ত্রী যদি মসজিদে যাওয়ার অনূমতি চায়, তবে সে যেন তাকে নিষেধ না করে।[১]
[১] আলোচ্য হাদীসের আলোকে সাধারণভাবে মহিলাদের মসজিদে গমনাগমনের অনুমতি প্রমাণিত হয়। আবার কোন কোন হাদীসের মাধ্যমে সুগন্ধি ও অলংকার বর্জন করে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু হযরত আয়েশা (রাযিঃ) তাঁর কালে মহিলাদের মসজিদে গমনে আপত্তি তুলেছিলেন। বর্তমানকালের ইসলামী আইনবেত্তাগণ যুগের দিকে লক্ষ্য রেখে মহিলাদের মসজিদে যাওয়াকে অপছন্দ করেছেন।
[১] আলোচ্য হাদীসের আলোকে সাধারণভাবে মহিলাদের মসজিদে গমনাগমনের অনুমতি প্রমাণিত হয়। আবার কোন কোন হাদীসের মাধ্যমে সুগন্ধি ও অলংকার বর্জন করে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু হযরত আয়েশা (রাযিঃ) তাঁর কালে মহিলাদের মসজিদে গমনে আপত্তি তুলেছিলেন। বর্তমানকালের ইসলামী আইনবেত্তাগণ যুগের দিকে লক্ষ্য রেখে মহিলাদের মসজিদে যাওয়াকে অপছন্দ করেছেন।
كتاب المساجد
النهي عن منع النساء من إتيانهن المساجد
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا اسْتَأْذَنَتِ امْرَأَةُ أَحَدِكُمْ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلاَ يَمْنَعْهَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৭
মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদে যেতে যাকে নিষেধ করা হবে।
৭০৮। ইসহাক ইবনে মনসুর (রাহঃ) ......... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ থেকে খায়, প্রথম দিন তিনি বলেছেন, ‘রসুন’ তারপর তিনি বলেছেন, ‘রসুন’, পিঁয়াজ এবং কুররাছ[১]। সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটে না আসে। কেননা ফিরিশতাগণ কষ্টানূভব করেন যাহারা মানুষ কষ্ট অনুভব করে থাকে।[২]
[১] স্বাদে ও গন্ধে পিঁয়াজের মত এক প্রকার সবজি, কিন্তু পিঁয়াজ গোলাকৃতি আর কুররাছ লম্বা ।
[২] কাঁচা পিঁয়াজ ও রসুন দুর্গন্ধময়। অতএব এ ধরনের গন্ধযুক্ত বস্তু যথা, মুখের দুর্গন্ধ, ঘামের গন্ধ, তামাকের গন্ধ ইত্যাদি গন্ধ নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করাও এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।
[১] স্বাদে ও গন্ধে পিঁয়াজের মত এক প্রকার সবজি, কিন্তু পিঁয়াজ গোলাকৃতি আর কুররাছ লম্বা ।
[২] কাঁচা পিঁয়াজ ও রসুন দুর্গন্ধময়। অতএব এ ধরনের গন্ধযুক্ত বস্তু যথা, মুখের দুর্গন্ধ, ঘামের গন্ধ, তামাকের গন্ধ ইত্যাদি গন্ধ নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করাও এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।
كتاب المساجد
من يمنع من المسجد
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ " . قَالَ أَوَّلَ يَوْمٍ " الثُّومِ " . ثُمَّ قَالَ " الثُّومِ وَالْبَصَلِ وَالْكُرَّاثِ فَلاَ يَقْرَبْنَا فِي مَسَاجِدِنَا فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ الإِنْسُ " .