কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১৩৯১
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩১. কুরআন মাজিদ কত দিনে খতম করতে হবে সে সম্পর্কে।
১৩৯১. মুহাম্মাদ ইবনে হাফস (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেনঃ তুমি এক মাসে কুরআন খতম করবে। আমি বলিঃ এর চাইতে কম সময়ে খতম করার ক্ষমতা আমার আছে। তিনি বলেনঃ তবে তিন দিনে খতম করবে।
كتاب الصلاة
باب فِي كَمْ يُقْرَأُ الْقُرْآنُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَفْصٍ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَطَّانُ، خَالُ عِيسَى بْنِ شَاذَانَ أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ، أَخْبَرَنَا الْحَرِيشُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ خَيْثَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اقْرَإِ الْقُرْآنَ فِي شَهْرٍ " . قَالَ إِنَّ بِي قُوَّةً . قَالَ " اقْرَأْهُ فِي ثَلاَثٍ " . قَالَ أَبُو عَلِيٍّ سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ يَقُولُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ - يَعْنِي ابْنَ حَنْبَلٍ - يَقُولُ عِيسَى بْنُ شَاذَانَ كَيِّسٌ .
হাদীস নং: ১৩৯২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯২. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) .... ইবনুল হাদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নাফে ইবনে যুবায়ের ইবনে মুতইম আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কুরআন কতটুকু পাঠ করেন? আমি বলিঃ আমি এর নির্ধারিত কিছু অংশ পাঠ করি না।

রাবী বলেনঃ তখন নাফে আমাকে বলেনঃ তুমি এ শব্দটি ব্যবহার করো না। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ আমি কুরআনের জুয (অংশ বিশেষ) পাঠ করেছি।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، قَالَ سَأَلَنِي نَافِعُ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ فَقَالَ لِي فِي كَمْ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ فَقُلْتُ مَا أُحَزِّبُهُ . فَقَالَ لِي نَافِعٌ لاَ تَقُلْ مَا أُحَزِّبُهُ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " قَرَأْتُ جُزْءًا مِنَ الْقُرْآنِ " . قَالَ حَسِبْتُ أَنَّهُ ذَكَرَهُ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৩. মুসাদ্দাদ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ..... আওস ইবনে হুযাইফা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমরা বনী ছাকীফ, যাদের সাথে চুক্তি হয়েছিল, গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হই। তারা মুগীরা ইবনে শোবা (রাযিঃ) এর বাড়িতে উঠেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মালেক গোত্রের লোকদের তাঁর একটি প্রকোষ্ঠে স্থান দেন।

রাবী মুসাদ্দাদের বর্ণনায় আছেঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে বনী ছাকীফের যে প্রতিনিধি দল এসেছিল, তাদের মধ্যে আওস ইবনে হুযাইফাও ছিলেন। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যহ ইশার নামায আদায়ের পর উক্ত প্রকোষ্ঠে (আবাসস্থানে) গমন করে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কথাবার্তা বলতেন। রাবী আবু সাঈদ (রাযিঃ) বলেনঃ তিনি তাদেরকে দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে ইরশাদ করার সময় একবার এক পায়ের উপর ভর করতেন এবং পুনরায় অন্য পায়ের উপর এবং তিনি তাঁর বক্তব্যে কুরায়েশদের সাথে সম্পর্কিত ব্যাপার নিয়ে অধিকাংশ সময় আলোচনা করতেন।

অতঃপর তিনি বলতেনঃ মক্কাতে অবস্থানকালে আমরা তাদের সমকক্ষ ছিলাম না, বরং দুর্বল ও অসহায় ছিলাম। অতঃপর মদীনাতে আগমনের পর যুদ্ধে কখনও আমরা বিজয়ী হয়েছি এবং কখনও তারা জয়ী হয়েছে। একদা রজনীতে তিনি আমাদের নিকট আসতে নির্ধারিত সময়ের চাইতে কিছু বিলম্ব করেন। তখন আমরা তাঁকে বলিঃ আজ আপনি বিলম্বে এসেছেন। তিনি বলেনঃ অদ্য কুরআন তিলাওয়াতের সময় তার কিছু অংশ পড়তে বাকি ছিল যা সমাপ্ত না করে আমি আসতে পছন্দ করি নাই।

রাবী আওস বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করিঃ আপনার কুরআন পাঠের জন্য কিরূপে বাছাই করেন? তখন তাঁরা বলেনঃ আমরা প্রথম অংশ তিন সূরা (বাকারা-নিসা), দ্বিতীয় অংশ পাঁচ সূরা (মায়েদা-তওবা), তৃতীয় অংশ সাত সূরা (ইউনুস-নাহল), চতুর্থ অংশ নয় সূরা (ইসরা-ফুরকান), পঞ্চম অংশ এগার সূরা (শুআরা-ইয়াসীন), ষষ্ঠ অংশ তের সূরা (সাফফাত-হুজুরাত) এবং সপ্তম অংশ মুফাসসালের (সূরা কাফ হতে সূরা নাস পর্যন্ত) সূরাগুলি পাঠ করি (অর্থাৎ আমরা সাত দিনে কুরআন খতম করে থাকি)।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، أَخْبَرَنَا قُرَّانُ بْنُ تَمَّامٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو خَالِدٍ، - وَهَذَا لَفْظُهُ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْلَى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَوْسٍ، عَنْ جَدِّهِ، - قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ فِي حَدِيثِهِ أَوْسُ بْنُ حُذَيْفَةَ - قَالَ قَدِمْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي وَفْدِ ثَقِيفٍ - قَالَ - فَنَزَلَتِ الأَحْلاَفُ عَلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَأَنْزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَنِي مَالِكٍ فِي قُبَّةٍ لَهُ . قَالَ مُسَدَّدٌ وَكَانَ فِي الْوَفْدِ الَّذِينَ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ثَقِيفٍ قَالَ كَانَ كُلَّ لَيْلَةٍ يَأْتِينَا بَعْدَ الْعِشَاءِ يُحَدِّثُنَا . قَالَ أَبُو سَعِيدٍ قَائِمًا عَلَى رِجْلَيْهِ حَتَّى يُرَاوِحَ بَيْنَ رِجْلَيْهِ مِنْ طُولِ الْقِيَامِ وَأَكْثَرُ مَا يُحَدِّثُنَا مَا لَقِيَ مِنْ قَوْمِهِ مِنْ قُرَيْشٍ ثُمَّ يَقُولُ لاَ سَوَاءً كُنَّا مُسْتَضْعَفِينَ مُسْتَذَلِّينَ - قَالَ مُسَدَّدٌ بِمَكَّةَ - فَلَمَّا خَرَجْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ كَانَتْ سِجَالُ الْحَرْبِ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ نُدَالُ عَلَيْهِمْ وَيُدَالُونَ عَلَيْنَا فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةً أَبْطَأَ عَنِ الْوَقْتِ الَّذِي كَانَ يَأْتِينَا فِيهِ فَقُلْنَا لَقَدْ أَبْطَأْتَ عَنَّا اللَّيْلَةَ . قَالَ إِنَّهُ طَرَأَ عَلَىَّ جُزْئِي مِنَ الْقُرْآنِ فَكَرِهْتُ أَنْ أَجِيءَ حَتَّى أُتِمَّهُ . قَالَ أَوْسٌ سَأَلْتُ أَصْحَابَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَيْفَ يُحَزِّبُونَ الْقُرْآنَ قَالُوا ثَلاَثٌ وَخَمْسٌ وَسَبْعٌ وَتِسْعٌ وَإِحْدَى عَشْرَةَ وَثَلاَثَ عَشْرَةَ وَحِزْبُ الْمُفَصَّلِ وَحْدَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ أَتَمُّ .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৩৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৪. মুহাম্মাদ ইবনুল মিনহাল (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করে, সে তার কিছুই অনুধাবন করতে সক্ষম হয় না।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ، يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَفْقَهُ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فِي أَقَلَّ مِنْ ثَلاَثٍ " .
হাদীস নং: ১৩৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৫. নূহ ইবনে হাবীব (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একদা নবী করীম (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করেন যেঃ কুরআন কত দিনে খতম করা উচিত। তিনি বলেনঃ চল্লিশ দিনে, অতঃপর বলেন, এক মাসে। পরে তিনি বলেনঃ বিশ দিনে। অতঃপর তিনি পনের দিন, দশ দিন ও সাত দিনের কথা উল্লেখ করেন এবং সাত দিনের আর কম করেননি।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ حَبِيبٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي كَمْ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ قَالَ " فِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا " . ثُمَّ قَالَ " فِي شَهْرٍ " . ثُمَّ قَالَ " فِي عِشْرِينَ " . ثُمَّ قَالَ " فِي خَمْسَ عَشْرَةَ " . ثُمَّ قَالَ " فِي عَشْرٍ " . ثُمَّ قَالَ " فِي سَبْعٍ " . لَمْ يَنْزِلْ مِنْ سَبْعٍ .
হাদীস নং: ১৩৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৬. আব্বাদ ইবনে মুসা (রাহঃ) .... আলকামা ও আসওয়াদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, একদা ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) এর খিদমতে এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি মুফাসসালের (সূরা হুজুরাত হতে নাস পর্যন্ত) সূরাগুলো নামাযের একই রাকআতে তেলাওয়াত করি। ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেনঃ এটা (অতি দ্রুত তিলাওয়াত) কবিতা পাঠের অনুরূপ অথবা গাছ থেকে শুকনো খেজুর পতিত হওয়ার অনুরূপ। তিনি আরো বলেনঃ অথচ নবী করীম (ﷺ) একই সমান দীর্ঘ দুটি সূরা এক রাকআতে, সূরা ইযা ওকাআত এবং নূন-কে এক রাকআতে, সূরা সাআলা সাইলুন ও আন নাযিআত-কে এক রাকআতে, সূরা ওযাইলুল-লিল মুতাফফিফীন ও আবাসাহ-কে এক রাকআতে, সূরা মুদ্দাছছির ও মুযযাম্মিলকে এক রাকআতে, সূরা হাল আতা এবং লা-উকসিমু বি-ইয়াওমিল কিয়ামাহ্-কে এক রাকআতে, সূরা আম্মা ইয়াতাসাআলূন ও আল-মুরসালাত-কে এক রাকআতে, সূরা দুখান এবং ইযাশ-শামসু কুওবিরাত-কে এক রাকআতে পড়তেন।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالأَسْوَدِ، قَالاَ أَتَى ابْنَ مَسْعُودٍ رَجُلٌ فَقَالَ إِنِّي أَقْرَأُ الْمُفَصَّلَ فِي رَكْعَةٍ . فَقَالَ أَهَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ وَنَثْرًا كَنَثْرِ الدَّقَلِ لَكِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ النَّظَائِرَ السُّورَتَيْنِ فِي رَكْعَةٍ الرَّحْمَنَ وَالنَّجْمَ فِي رَكْعَةٍ وَاقْتَرَبَتْ وَالْحَاقَّةَ فِي رَكْعَةٍ وَالطُّورَ وَالذَّارِيَاتِ فِي رَكْعَةٍ وَإِذَا وَقَعَتْ وَن فِي رَكْعَةٍ وَسَأَلَ سَائِلٌ وَالنَّازِعَاتِ فِي رَكْعَةٍ وَوَيْلٌ لِلْمُطَفِّفِينَ وَعَبَسَ فِي رَكْعَةٍ وَالْمُدَّثِّرَ وَالْمُزَّمِّلَ فِي رَكْعَةٍ وَهَلْ أَتَى وَلاَ أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فِي رَكْعَةٍ . وَعَمَّ يَتَسَاءَلُونَ وَالْمُرْسَلاَتِ فِي رَكْعَةٍ وَالدُّخَانَ وَإِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ فِي رَكْعَةٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا تَأْلِيفُ ابْنِ مَسْعُودٍ رَحِمَهُ اللَّهُ .
হাদীস নং: ১৩৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৭. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু মাসউদ (রাযিঃ)-কে বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফকালে কুরআন পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি তিলাওযাত করবে, এটা তার জন্য যথেষ্ট হবে।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ سَأَلْتُ أَبَا مَسْعُودٍ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَرَأَ الآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ " .
হাদীস নং: ১৩৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৮. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) ..... আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) এর পুত্র আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের নামাযে দণ্ডায়মান হয়ে দশ আয়াত পরিমাণ পাঠ করবে, সে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হবে না। আর যে ব্যক্তি রাতে একশত আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং যে ব্যক্তি এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অশেষ সাওয়াব প্রাপ্তদের মধ্যে তালিকাভুক্ত করা হবে।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرٌو، أَنَّ أَبَا سَوِيَّةَ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ ابْنَ حُجَيْرَةَ، يُخْبِرُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَامَ بِعَشْرِ آيَاتٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنَ الْغَافِلِينَ وَمَنْ قَامَ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْقَانِتِينَ وَمَنْ قَامَ بِأَلْفِ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْمُقَنْطَرِينَ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ ابْنُ حُجَيْرَةَ الأَصْغَرُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حُجَيْرَةَ .
হাদীস নং: ১৩৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
১৩৯৯. ইয়াহয়া ইবনে মুসা (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে কুরআন পাঠ শিক্ষা দিন। তিনি বলেনঃ তুমি (প্রথমে) ‘রা’ বিশিষ্ট তিনটি সূরা পাঠ করবে (যথা সূরা ইউনুস, হূদ, ইউসুফ ইত্যাদি)। তখন সে ব্যক্তি বললঃ আমি বৃদ্ধ হয়েছি, আমার স্মরণশক্তি লোপ পেয়েছে এবং জিহ্বা ভারী হয়ে গেছে। তখন তিনি বলেনঃ (যদি তুমি এগুলি তিলাওয়াত করতে অক্ষম হও) তবে হা-মিম সম্বলিত তিনটি সূরা তিলাওয়াত করবে। সে ব্যক্তি পূর্বের ন্যায় উক্তি করে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তাহলে তুমি যে সমস্ত সূরার প্রথমে সাব্বাহা বা য়ুসাব্বিহু অনুরূপ শব্দ আছে, সেই সূরাগুলি পাঠ করবে। তখনও ঐ ব্যক্তি পূর্বের ন্যায় উক্তি করে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন একটি সূরা শিক্ষা দিন যা জামেআহ বা স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি তাঁকে সূরা ইযা যুলযিলাতিল আরদু শেষ পর্যন্ত শিক্ষা দেন। তখন সেই লোকটি বলেঃ আল্লাহর শপথ! যিনি আপনাকে সত্য নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন; আমি তার অতিরিক্ত কিছুই করব না। লোকটি চলে গেলে তিনি ইরশাদ করেনঃ সে ব্যক্তিটি কামিয়াব হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى الْبَلْخِيُّ، وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيُّ، عَنْ عِيسَى بْنِ هِلاَلٍ الصَّدَفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ أَتَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَقْرِئْنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَالَ " اقْرَأْ ثَلاَثًا مِنْ ذَوَاتِ الرَّاءِ " . فَقَالَ كَبِرَتْ سِنِّي وَاشْتَدَّ قَلْبِي وَغَلُظَ لِسَانِي . قَالَ " فَاقْرَأْ ثَلاَثًا مِنْ ذَوَاتِ حم " . فَقَالَ مِثْلَ مَقَالَتِهِ . فَقَالَ " اقْرَأْ ثَلاَثًا مِنَ الْمُسَبِّحَاتِ " . فَقَالَ مِثْلَ مَقَالَتِهِ فَقَالَ الرَّجُلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَقْرِئْنِي سُورَةً جَامِعَةً . فَأَقْرَأَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ( إِذَا زُلْزِلَتِ الأَرْضُ ) حَتَّى فَرَغَ مِنْهَا . فَقَالَ الرَّجُلُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لاَ أَزِيدُ عَلَيْهَا أَبَدًا ثُمَّ أَدْبَرَ الرَّجُلُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَفْلَحَ الرُّوَيْجِلُ " . مَرَّتَيْنِ .
হাদীস নং: ১৪০০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৩. আয়াতের সংখ্যা সম্পর্কে।
১৪০০. আমর ইবনে মারযূক (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেনঃ কুরআনের ত্রিশটি আয়াত বিশিষ্ট সূরা তাবারাকাল্লাযী (অর্থাৎ সূরা আল-মুলক) তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। এমনকি তাকে মাফ করে দেয়া হবে (অর্থাৎ যে ব্যক্তি সূরা তাবারাকাল্লাযী তিলাওয়াত করবে, এটা তার জন্য সুপারিশকারী হবে।
كتاب الصلاة
باب فِي عَدَدِ الآىِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ، عَنْ عَبَّاسٍ الْجُشَمِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " سُورَةٌ مِنَ الْقُرْآنِ ثَلاَثُونَ آيَةً تَشْفَعُ لِصَاحِبِهَا حَتَّى يُغْفَرَ لَهُ ( تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ ) " .
হাদীস নং: ১৪০১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৪. কুরআন মাজিদে তিলাওয়াতের সিজদা কয়টি?
১৪০১. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহীম (রাহঃ) ..... আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) তাঁকে কুরআনের মধ্যে পনেরটি সিজদা আছে বলে শিক্ষা দিয়েছেন। এর তিনটি মুফাসসালের মধ্যে (সূরা নাজম, ইনশিকাক ও আলাক), সূরা হজ্জের মধ্যে দুটি (তবে হানাফী মাযহাব অনুযায়ী একটি)।
كتاب الصلاة
باب كَمْ سَجْدَةٍ فِي الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ الْبَرْقِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سَعِيدٍ الْعُتَقِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُنَيْنٍ، - مِنْ بَنِي عَبْدِ كُلاَلٍ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْرَأَهُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَجْدَةً فِي الْقُرْآنِ مِنْهَا ثَلاَثٌ فِي الْمُفَصَّلِ وَفِي سُورَةِ الْحَجِّ سَجْدَتَانِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رُوِيَ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِحْدَى عَشْرَةَ سَجْدَةً وَإِسْنَادُهُ وَاهٍ .
হাদীস নং: ১৪০২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৪. কুরআন মাজিদে তিলাওয়াতের সিজদা কয়টি?
১৪০২. আহমাদ ইবনে আমর (রাহঃ) ...... উকবা ইবনে আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলি যে, সূরা হজ্জের মধ্যে দুটি সিজদা আছে? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। যে এই দুটি সিজদা আদায় করে না সে যেন এই সূরা তিলাওয়াত না করে।
كتاب الصلاة
باب كَمْ سَجْدَةٍ فِي الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، أَنَّ مِشْرَحَ بْنَ هَاعَانَ أَبَا الْمُصْعَبِ، حَدَّثَهُ أَنَّ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ حَدَّثَهُ قَالَ قُلْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفِي سُورَةِ الْحَجِّ سَجْدَتَانِ قَالَ " نَعَمْ وَمَنْ لَمْ يَسْجُدْهُمَا فَلاَ يَقْرَأْهُمَا " .
হাদীস নং: ১৪০৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৫. ছোট ছোট সূরার (মুফাসসালের) মধ্যে সিজদা না থাকা সম্পর্কে।
১৪০৩. মুহাম্মাদ ইবনে রাফে (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় আসার পর মুফাসসালের কোন আয়াত পাঠের পর সিজদা করেন নাই।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ السُّجُودَ فِي الْمُفَصَّلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، - قَالَ مُحَمَّدٌ رَأَيْتُهُ بِمَكَّةَ - حَدَّثَنَا أَبُو قُدَامَةَ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَسْجُدْ فِي شَىْءٍ مِنَ الْمُفَصَّلِ مُنْذُ تَحَوَّلَ إِلَى الْمَدِينَةِ .
হাদীস নং: ১৪০৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৫. ছোট ছোট সূরার (মুফাসসালের) মধ্যে সিজদা না থাকা সম্পর্কে।
১৪০৪. হান্নাদ ইবনুস সারী (রাহঃ) ..... যায়দ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে ‘সূরা নাজম’ পাঠ করি। তিনি এই সূরা পাঠের পর সিজদা করেন নাই।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ السُّجُودَ فِي الْمُفَصَّلِ
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم النَّجْمَ فَلَمْ يَسْجُدْ فِيهَا .
হাদীস নং: ১৪০৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৫. ছোট ছোট সূরার (মুফাসসালের) মধ্যে সিজদা না থাকা সম্পর্কে।
১৪০৫. ইবনুস সারহ (রাহঃ) ..... খারিজাহ ইবনে যায়দ ইবনে ছাবিত (রাহঃ) তাঁর পিতা হতে, তিনি নবী করীম (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ السُّجُودَ فِي الْمُفَصَّلِ
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو صَخْرٍ، عَنِ ابْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَاهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَانَ زَيْدٌ الإِمَامَ فَلَمْ يَسْجُدْ فِيهَا .
হাদীস নং: ১৪০৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৬. যারা তাতে সিজদা আছে বলে মনে করেন।
১৪০৬. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূরা নাজম পাঠ করেন এবং সিজদার আয়াত পাঠের পর সকলেই সিজদা করেন। কিন্তু এক ব্যক্তি সিজদা না করে স্বীয় হস্তে এক মুষ্টি মাটি বা কংকর নিয়ে নিজের কপাল পর্যন্ত উত্তোলন করে বলে, এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমি উক্ত ব্যক্তিকে কুফরী অবস্থায় মারা যেতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ رَأَى فِيهَا السُّجُودَ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ سُورَةَ النَّجْمِ فَسَجَدَ فِيهَا وَمَا بَقِيَ أَحَدٌ مِنَ الْقَوْمِ إِلاَّ سَجَدَ فَأَخَذَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ كَفًّا مِنْ حَصًى أَوْ تُرَابٍ فَرَفَعَهُ إِلَى وَجْهِهِ وَقَالَ يَكْفِينِي هَذَا . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَلَقَدْ رَأَيْتُهُ بَعْدَ ذَلِكَ قُتِلَ كَافِرًا .
হাদীস নং: ১৪০৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৭. সূরা ইকরা ও ইযাস সামাউ ইনশাককাত পাঠের পর সিজদা সম্পর্কে।
১৪০৭. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সূরা ইযাস্-সামাউন শাককাত ও ইকরা বিসমি রবিকাল্লাযী খালাক পাঠের পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সিজদা আদায় করেছি।
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ فِي { إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ } وَ { اقْرَأْ }
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَاءَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَجَدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ( إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ ) وَ ( اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ) ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: «أَسْلَمَ أَبُو هُرَيْرَةَ سَنَةَ سِتٍّ عَامَ خَيْبَرَ، وَهَذَا السُّجُودُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آخِرُ فِعْلِهِ»
হাদীস নং: ১৪০৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৭. সূরা ইকরা ও ইযাস সামাউ ইনশাককাত পাঠের পর সিজদা সম্পর্কে।
১৪০৮. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আবু রাফে (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর সাথে ইশার নামায আদায় করি। ঐ সময় তিনি সূরা ইযাস্-সামাউন শাককাত তিলাওয়াতের পর সিজদা (তিলাওয়াতের) আদায় করেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, এটা কিসের সিজদা? তিনি বলেন, আমি এই সিজদা আবুল কাসেম (মুহাম্মাদ (ﷺ)) এর পশ্চাতে আদায় করেছি এবং এটা আমি মৃত্যু পর্যন্ত আদায় করতে থাকব।
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ فِي { إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ } وَ { اقْرَأْ }
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا بَكْرٌ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ الْعَتَمَةَ فَقَرَأَ ( إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ ) فَسَجَدَ فَقُلْتُ مَا هَذِهِ السَّجْدَةُ قَالَ سَجَدْتُ بِهَا خَلْفَ أَبِي الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم فَلاَ أَزَالُ أَسْجُدُ بِهَا حَتَّى أَلْقَاهُ .
হাদীস নং: ১৪০৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৮. সূরা সাদ এ সিজদা সম্পর্কে।
১৪০৯. মুসা ইবনে ইস্মাঈল (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরা সাদ-এর মধ্যে যে সিজদাটি আছে তা ফরয নয়। তবে আমি একে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে আদায় করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ فِي { ص }
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَيْسَ ( ص ) مِنْ عَزَائِمِ السُّجُودِ وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْجُدُ فِيهَا .
হাদীস নং: ১৪১০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩৮. সূরা সাদ এ সিজদা সম্পর্কে।
১৪১০. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) .... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বরের উপর অবস্থান কালে সূরা সাদ তিলাওয়াত করেন। তিনি সিজদার আয়াতে পৌঁছে মিম্বর হতে অবতরণ করে সিজদা আদায় করেন। ঐ সময় লোকেরাও তাঁর সাথে সিজদা আদায় করে। অতঃপর দ্বিতীয় দিনও তিনি উক্ত সূরা পাঠ করেন এবং যখন সিজদার আয়াতের নিকটবর্তী হন, তখন লোকেরা সিজদার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকে। এমতাবস্থায় তিনি বলেনঃ এটা নবীর জন্য তওবাস্বরূপ। অথচ আমি তোমাদেরকে এর জন্য সিজদা দেয়ার উদ্দেশ্য প্রস্তুতি নিতে দেখছি। অতঃপর তিনি মিম্বরের উপর হতে অবতরণ করে লোকদের নিয়ে সিজদা করেন।
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ فِي { ص }
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - عَنِ ابْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي سَرْحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ ( ص ) فَلَمَّا بَلَغَ السَّجْدَةَ نَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدَ النَّاسُ مَعَهُ فَلَمَّا كَانَ يَوْمٌ آخَرُ قَرَأَهَا فَلَمَّا بَلَغَ السَّجْدَةَ تَشَزَّنَ النَّاسُ لِلسُّجُودِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا هِيَ تَوْبَةُ نَبِيٍّ وَلَكِنِّي رَأَيْتُكُمْ تَشَزَّنْتُمْ لِلسُّجُودِ " . فَنَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدُوا .