মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৩. তাক্বদীরের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৪৬ টি

হাদীস নং: ৪১
আন্তর্জাতিক নং: ২৭৪৮৪
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪১) আবূদ্ দারদা (রা) নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (নবী) ইরশাদ করেছেন, জান্নাতে প্রবেশ করবে না ঐ ব্যক্তি, যে পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয়, আর যে মদ্য তৈরী করে এবং যে তাকদীরকে অস্বীকার করে । (তাবরানী, আউসাত গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(41) وعن أبي الدرداء رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يدخل الجنة عاق ولا مدمن خمر ولا مكذب بقدر
হাদীস নং: ৪২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬৬৮
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪২) আমর ইবন শু'আইব তাঁর পিতা থেকে, এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। একদা রাসূল (ﷺ) জনসমক্ষে উপস্থিত হন। ঐ সময় লোকজন তাকদীর বিষয়ে কথাবার্তা (বা তর্ক-বিতর্ক) করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, (লোকজনের কথাবার্তা শুনে) রাসূল (ﷺ)-এর চেহারা মুবারকে ক্রোধের চিহ্ন ফুটে ওঠে। যেন তাঁর চেহারায় আনারের দানার ন্যায় বিন্দু বিন্দু ঘাম দেখা যাচ্ছে। (এমতাবস্থায়) তিনি ইরশাদ করলেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর কিতাবের এক অংশকে অন্য অংশের দ্বারা ঘায়েল করার চেষ্টা করছো! তোমাদের পূর্ববর্তীগণ এই (কাজ) করেই ধ্বংস হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহর রাসূল কোন মজলিসে উপস্থিত আছেন, অথচ আমি সেখানে উপস্থিত হতে পারি নি এমন মজলিসের জন্য সর্বদা আমার আক্ষেপ হত, কিন্তু এই মজলিসের জন্য আক্ষেপ হয় নি। (ইবন্ মাজাহ্ ও তিরমিযী। বুসরী বলেন, ইবন্ মাজাহর সনদ সহীহ।)
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(42) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم والناس يتكلمون في القدر وكأنما تفقأ 1 في وجهه حب الرمان من الغضب، قال فقال لهم مالكم تضربون كتاب الله بعضه ببعض، بهذا هلك من كان قبلكم، قال فما غَبَطْتُ 2 نفسي بمجلس فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم لم أشهده بما غبطت نفسي بذلك المجلس أني لم أشهده
হাদীস নং: ৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ২০৬
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪৩) উমর (রা) নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তোমরা 'আহলে কদর' বা তাকদীর অস্বীকারকারীদের সাথে মেলামেশা করো না, এবং তাদের সাথে প্রথমে কথাবার্তায় লিপ্ত হয়ো না। আবূ আব্দুর রহমান (রা) বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আমিও একবার এরূপ শ্রবণ করেছি। (আবূ দাউদ, হাকিম। হাদীসটি সহীহ।)
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(43) وعن عمر رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم لا تجالسوا أهل القدر ولا تفاتحوهم وقال أبو عبد الرحمن 3 مرة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৬৩৯
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪৪) নাফির' থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত ইবন্ উমর (রা)-এর সিরিয়ার অধিবাসী একজন বন্ধু ছিলেন। তাঁরা পরস্পর পত্র বিনিময় করতেন। একবার আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) তাঁর সেই বন্ধুর কাছে এই মর্মে পত্র লিখলেন, আমি অবগত হয়েছি যে, তুমি তাকদীর সংক্রান্ত বিষয়ে বিরূপ কথাবার্তা বলেছ। সুতরাং, এরপর তুমি কখনও আমার কাছে (পত্র) লিখবে না। কারণ আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনছি— অচিরেই আমার উম্মতের মধ্যে কিছু দল সৃষ্টি হবে, যারা তাকদীরকে অস্বীকার করবে। (হাকিম, আবূ দাউদ ও তিরমিযী তিনি বলেন এ হাদীসটি হাসান সহীহ।)
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(44) وعن نافع قال كان لابن عمر (رضي الله عنهما) صديق من أهل الشام يكاتبه فكتب إليه مرة عبد الله بن عمر أنه بلغني أنك
تكلمت في شيء من القدر فإياك أن تكتب إليَّ فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سيكون في أمتي أقوام يكذبون بالقدر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৫৪
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪৫) মুহাম্মাদ বিন-উবাইদ আল-মক্কী আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন। (একদা) ইবন আব্বাস (রা)-কে বলা হলো যে, আমাদের মাঝে জনৈক ব্যক্তির আগমন ঘটেছে, সে তাকদীরকে অস্বীকার করে থাকে। ইবন্ আব্বাস (রা) বলেন, তোমরা আমাকে তার কাছে নিয়ে চলো, (তিনি একথা বলার কারণ) ঐ সময় তিনি অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। লোকেরা বলল, ইয়া আবূ আব্বাস (রা) আপনি তাকে পেয়ে কী করবেন? তিনি বললেন, সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ, যদি আমি তাকে বাগে পাই, তবে আমি অবশ্যই তার নাক কামড়ে কেটে ফেলবো । আর যদি তার গর্দান আমার হস্তগত হয়, তবে আমি অবশ্যই তা মটকে দেব। কারণ, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আমি যেন বনী ফিহরের নারীদের দেখতে পাচ্ছি তারা তাদের পশ্চাৎদেশ দুলিয়ে পরস্পরে সংযুক্ত হয়ে খাযরাজে (স্থান) তাওয়াফ করছে (বা নাচানাচি করছে)। এরা মুশরিক। এটিই হচ্ছে এই উম্মতের প্রথম শিরক্ । আমার প্রাণ যে সত্তার হাতে, তাঁর শপথ! এদের এই ভ্রান্ত অভিমত (তাকদীরকে অস্বীকার করা) চূড়ান্তরূপ লাভ করবে তখনই, যখন তারা (সক্ষম হবে) আল্লাহ কল্যাণের নির্ধারক এই বিশ্বাস থেকে আল্লাহকে সরিয়ে দেবে। যেমন তারা (ইতিমধ্যে) নিজেকে আল্লাহ অকল্যাণের নির্ধারক এই বিশ্বাস থেকে সরিয়ে (বের করে) নিয়েছে।
(এই কিতাব ভিন্ন অন্য কোথাও এ হাদীসটির সন্ধান পাওয়া যায় নি এবং এই হাদীস সম্পর্কে কিছু কথাবার্তা আছে।)
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(45) وعن محمد بن عبيد المكي عن عبد الله بن عباس قال 1 قيل لابن عباس (رضي الله عنها) إن رجلا قدم علينا يكذب بالقدر فقال دلوني عليه وهو يومئذ قد عمي قالوا وما تصنع به يا ابن عباس، قال والذي نفسي بيده لئن استمكنت منه لأَعُضَّنَّ أنفه حتى أقطعه ولئن وقعت رقبته في يدي لأدقها فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كأني بنساء بني فهر يطفن بالخزرج 2 تصطفق 3 أَلْيَاتُهُنَّ مشركات، هذا أول شرك هذه الأمة والذي نفسي بيده لينتهين بهم سوء رأيهم حتى يخرجوا الله من أن يكون قدر خيرا كما أخرجوه من أن يكون قدر شرا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৮৮১
তাক্বদীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ তাকদীর অস্বীকারকারীদের পরিত্যাগ করা এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৪৬) ইবন্ আউন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি গাইলান নামক কাদারী অবিশ্বাসীকে দামেস্কের প্রবেশ দ্বারে 'মাসলুব' (শুলিবিদ্ধ) অবস্থায় দেখেছি।
كتاب القدر
(5) باب في هجر المكذبين بالقدر والتغليظ عليهم
(46) وعن ابن عون قال أنا رأيت غيلان يعني القدري 1 مصلوبا على باب دمشق
*****