মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

বসার আদব অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩৯ টি

হাদীস নং: ২১
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২১. 'ইবনে 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দুজন গোপনে পরামর্শ করতে নিষেধ করেছেন, যদি তাদের সাথে অন্য কোন লোক না থাকে। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) কোন ব্যক্তিকে পেছন থেকে উঠে গিয়ে অন্য ব্যক্তির স্থানে বসতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, সে যখন ফিরে আসবে, তখন সে জায়গায় বসার হক তারই অধিক।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن ابن عمر قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتناجى اثنان دون الثالث اذا لم يكن معهم غيرهم قال ونهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يخلف الرجل الرجل في مجلسه وقال إذا رجع فهو أحق به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২২
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২২. ইবন 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, তোমরা তিনজন একত্র হলে, একজনকে বাদ দিয়ে দুইজনে কোন গোপন পরামর্শ করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, যদি তারা চারজন হয়? তিনি বললেন, তাহলে কোন ক্ষতি নেই।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
وعنه أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا كنتم ثلاثة فلا ينتجى اثنان دون صاحبهما قال قلنا فان كانوا اربعا (8) قال فلا يضر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৩
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৩. জাবির ইবন 'আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মজলিসে কোন কথা বলে, এরপর তা গোপন রাখতে বলে তখন সে কথাটি তার নিকট আমানত স্বরূপ।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن جابر ابن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حدث في مجلس بحديث ثم التفت (10) فهي أمانة
হাদীস নং: ২৪
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৪. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি তার জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আবার সেখানে ফিরে আসে, তাহলে সে জায়গায় বসার হক তারই বেশী।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام أحدكم من مجلسه ثم رجع إليه فهو أحق به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৫. ওহাব ইবন হুযায়ফা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি তার জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আবার সেখানে ফিরে আসে, তাহলে সেই জায়গায় বসার হক তারই বেশী। যদি তার কোন প্রয়োজনে সে চলে যাওয়ার পর আবার সেখানে ফিরে আসে, তাহলে সেই জায়গায় বসার হক তারই বেশী।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن وهب بن حذيفة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قام الرجل من مجلسه فرجع اليه فهو أحق به وان كانت له حاجة فقام اليها ثم رجع فهو أحق به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৬
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৬. জাবির ইবন সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করিম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। যে, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের নিকট আসলেন। (অন্য বর্ণনায় তিনি মসজিদে প্রবেশ করে দেখেন, তারা গোলাকার হয়ে বসে আছে। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে দলে দলে দেখছি, আর তারা বসেছিলেন।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن جابر بن سمرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه خرج على أصحابه (وفي رواية دخل المسجد وهم حلق) فقال مالي اراكم عزبن وهم قعود
হাদীস নং: ২৭
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৭. আবু মিজলায় (র) হুজায়ফা (রা) থেকে সে ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন, যে হালকার বা বৃত্তের মাঝখানে গিয়ে বসে। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) অথবা মুহাম্মদ (ﷺ) তার উপর লা'নত করেছেন, যে বৃত্তের মাঝখানে গিয়ে বসে।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن أبي مجلز عن حذيفة في الذي يقعد في وسط الحلقة قال مامون على لسان النبي صلى الله عليه وسلم أو لسان محمد صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৮. হারমালা আম্বারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাকে উপদেশ দিন। রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি আল্লাহকে ভয় করবে। যখন তুমি কোন মজলিসে বসবে, তারপর সেখান থেকে উঠে যাবে, তখন সেখানে যা শুনবে, তৎমধ্যে সে বিষয় তোমার নিকট গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়, তা গ্রহণ করবে এবং তাদের যে কথা শুনতে তোমার অপছন্দ হয়, তা পরিহার করবে।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن حرملة العنبري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله أوصني قال اتق الله واذا كنت في مجلس فقمت منه فسمعتهم يقولون ما يعجبك فأنه وإذا سمعتهم يقولون ما تكره فاتركه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
২৯. শারীদ ইবন সুওয়াইদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) আমার কাছ দিয়ে চলে যান, যখন আমি এভাবে বসেছিলাম যে, আমার বাম হাতটি ছিল আমার পিঠের উপর, আর আমি ঠেস দিয়েছিলাম আমার ডান হাতের বুড়ো আঙুলের নরম গোশতের উপর। তিনি আমাকে এ অবস্থায় দেখে বললেন, তুমি কি তাদের মত করে বসেছ, যাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হয়েছে।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن الشريد بن سويد قال مر بي رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا جالس هكذا وقد وضعت يدي اليسرى خلف ظهري واتكأت على ألية (7) يدي فقال أتقعد قعدت المغضوب عليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
৩০. জাবির ইবন সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে বালিশের উপর হেলান দিয়ে বসতে দেখলাম।
জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন বসে অথবা হেলান দেয়, তখন সে যেন তার এক পায়ের উপর অন্য পা না রাখে।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن جابر بن سمرة قال دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيته فرأيته متكئا على وسادة
عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا جلس أو استلقى احدكم فلا يضع رجليه احداهما على الأخرى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
৩১. সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন মধ্যম পন্থায় বসি এবং সোজা হয়ে না বসি।
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن سمرة قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نعتدل في الجلوس وأن لا نستوفز
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩২
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মজলিসে বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য বিশেষ আদাব
৩২. আবু নাদুর (রা) থেকে বর্ণিত। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) তার পায়ে ব্যথা অনুভব করছিলেন, সে সময় তার ভাই কাতাদা ইবনে নোমান (রা) তার নিকট প্রবেশ করে দেখেন, আবু সা'ঈদ এক পায়ের উপর অন্য পা রেখে শুয়ে আছেন। তখন কাতাদা (রা) তার হাত দিয়ে তার ভাইয়ের অসুস্থ পায়ে আঘাত করে তাকে কষ্ট দেন। তখন আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) বলেন, তুমি আমাকে কষ্ট দিলে, তুমি কি জান না আমার পায়ে ব্যথা? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবূ সা'ঈদ (রা) বললেন, তারপর ও তুমি এ কাজ কেন করলে? কাতাদা (রা) উত্তর দিলেন, তুমি কি শুন নাই, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এভাবে পা রাখতে নিষেধ করেছেন? (খাত্তাবী (রা) বলেন, সম্ভবত তিনি তার সতর খোলা দেখে নিষেধ করেছিলেন, অথবা তার পরিধানে একটি মাত্র চাদর ছিল, সে কারণে সতর খোলা ছিল।)
كتاب المجالس وآدابها
باب آداب تختص بمن في المجلس
عن أبي النضر أن أبا سعيد كان يشتكي رجليه فدخل عليه اخوه (6) وقد جعل احدى رجليه على الأخرى وهو مضطجع فضربه بيده على رجله الوجعية فأوجعه فقال أوجعتني أو لم تعلم أن رجلى وجعة؟ قال بلى قال فما حملك على ذلك؟ قال أولم تسمع أن النبي صلى الله عليه وسلم قد نهى عن هذه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৩
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার সময় পঠিত দু'আ সমূহ
৩৩. ইসমাঈল ইবনে 'আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমার নিকট রাসূলের বাণী পৌছলো যে, তিনি বলেছেন, যে কোন মানুষ কোন মজলিসে বসে, এরপর সে মজলিস থেকে উঠার ইচ্ছে করার সময় বলে,

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ إِلَّا غُفِرَ لَهُ مَا كَانَ مَجلة ذَلِكَ

হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তোমার প্রশংসার সাথে। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাচ্ছি এবং তোমার কাছে তওবা করছি। এ ক্ষেত্রে সে ঐ মজলিসে যা কিছু করেছিল, সব মাফ করে দেয়া হয়। এ হাদীসটি ইয়াযীদ ইবনে খাছীফা বর্ণনা করেছেন।
كتاب المجالس وآدابها
باب أذكار تقال عند القيام من المجلس
عن اسماعيل بن عبد الله بن جعفر قال بلغني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من انسان يكون في مجلس فيقول حين يريد أن يقوم سبحانك اللهم وبحمدك لا إله إلا أنت استغفرك وأتوب إليك إلا غفر له ما كان في ذلك المجلس فحدثت هذا الحديث (9) يزيد بن خصيفة قال هكذا حدثني السائب بن يزيد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৪
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার সময় পঠিত দু'আ সমূহ
৩৪. আবু বারযা আসলামী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) তাঁর শেষ বয়সে মজলিস দীর্ঘ হলে ওঠার ইচ্ছা করার সময় বলতেন, হে আল্লাহ্। আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তোমার প্রশংসার সাথে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাচ্ছি এবং তোমার কাছে তাওবা করছি। তখন আমাদের মধ্যে এক ব্যক্তি তাঁকে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। এ ধরনের কথা আপনার কাছ থেকে এর আগে আমরা কখনও শুনিনি। জবাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ কথাগুলো হচ্ছে মজলিসে যা কিছু হয়েছে, তার কাফ্ফ্ফারাহ। (অর্থাৎ মজলিসে ভুলভ্রান্তি ও গীবতের কাফফারাহ)
كتاب المجالس وآدابها
باب أذكار تقال عند القيام من المجلس
عن أبي برزة الأسلمي قال كان النبي صلى الله عليه وسلم بآخرة (11) إذا طال المجلس فقام قال سبحانك اللهم وبحمدك أشهد أن لا إله إلا انت استغفرك وأتوب إليك فقال له بعضنا إن هذا قول ما كنا نسمعه منك فيما خلا (1) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا (2) كفارة ما يكون في المجلس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার সময় পঠিত দু'আ সমূহ
৩৫. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি মজলিসে বসে এবং তাতে যদি অনেক বেশী অপ্রয়োজনীয় ও বাজে কথা বলা হয়, তাহলে মজলিস থেকে উঠার আগে সে যেন বলে, হে আল্লাহ্! তুমি পাক পবিত্র, সব প্রশংস তোমারই জন্য, তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ্ নেই। আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাচ্ছি এবং তোমার কাছে তাওবা করছি, এ ক্ষেত্রে ঐ মজলিসে সে যা কিছু করেছিল, তা মাফ করে দেয়া হয়।
كتاب المجالس وآدابها
باب أذكار تقال عند القيام من المجلس
عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من جلس في مجلس كثر فيه لغطه (4) فقال قبل أن يقوم سبحانك ربنا وبحمدك لا إله إلا أنت استغفرك ثم اتوب اليك الا غفر الله له ما كان في مجلسه ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার সময় পঠিত দু'আ সমূহ
৩৬. 'উরওয়া 'আইশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন কোন মজলিসে বসতেন, অথবা দু'আ করতেন, তখন এ শব্দগুলো বলতে। 'আইশা (রা) কে সে শব্দগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, তুমি যদি উত্তম কথা বল, তাহলে তা দ্বারা তুমি কিয়ামতের দিন সম্মানিত হবে। যদি এ ছাড়া অন্য কথা বল, তাহলে তা কাফফারা হিসাবে গণ্য হবে। তা হলো, হে আল্লাহ্! তুমি পাক পবিত্র, প্রশংসা তোমারই জন্য, তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাচ্ছি, এবং তোমার কাছে তওবা করছি।
كتاب المجالس وآدابها
باب أذكار تقال عند القيام من المجلس
عن عروة عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا جلس مجلسا أو صلى تكلم بكلمات فسألته عائشة عن الكلمات فقال ان تكلم بخير كان طابعا عليهن (6) إلى يوم القيامة وان تكلم بغير ذلك (7) كان كفارة سبحانك وبحمدك لا إله إلا أنت استغفرك واتوب اليك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মানুষের নিকট থেকে দূরে থাকা উত্তম, না মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকা উত্তম, সে প্রসঙ্গ
৩৭. আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে কোন এক অভিযানে বের হলাম। তিনি বলেন, তখন এক ব্যক্তি একটি গুহার পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিল সেখানে পানি ছিল। সে নিজে নিজে বললো, আমি এই গুহায়ে অবস্থান করব এবং এ পানি থেকে খাদ্য যোগান দেব। আর এর আশেপাশে সবজির বাগান গড়ে উঠবে এবং আমি এজন্য দুনিয়া পরিত্যাগ করব। তারপর সে বললো, আমি আল্লাহর নবীর নিকট যাব এবং তার সামনে এ বিষয়টি উপস্থাপন করব। যদি তিনি আমাকে অনুমতি দেন, তাহলে আমি কাজটি করবো, আর যদি অনুমতি না দেন, তাহলে আমি বিরত থাকব। তারপর সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গিয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। আমি একটি গুহার নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলাম, সেখানে আমার খাদ্যের যোগান দেওয়ার মত পানি ও সবজি বাগান ছিল, আমি মনে মনে বললাম, আমি এখানে অবস্থান করব এবং দুনিয়া ত্যাগ করবো। বর্ণনাকারী বলেন, তখন নবী করিম (ﷺ) বললেন, আমাকে য়াহুদী ও নাসারাদের জন্য পাঠানো হয়নি, বরং আমাকে একনিষ্ঠ সহজ দ্বীন দিয়ে পাঠানো হয়েছে। আল্লাহর শপথ! যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, এক সকাল আল্লাহর পথে অথবা এক সন্ধ্যা ব্যয় করা, তা দুনিয়া ও তার সবকিছুর চেয়ে উত্তম। তোমাদের কেউ জামাতের কাতারে সালাত আদায় করা, একা যাট বছর সালাত আদায় করার চেয়ে ও উত্তম।
كتاب المجالس وآدابها
باب هل الافضل العزلة عن الناس أو الاختلاط بهم
عن أبي أمامة قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية من سراياه قال فمر رجل بغار فيه شيء من ماء قال فحدث نفسه بأن يقيم في ذلك الغار فيقوته ما كان فيه من ماء ويصيب ما حوله من البقلى ويتخلى من الدنيا ثم قال لو أني أتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فإن اذن لي فعلت والا لم أفعل فأتاه فقال يانبي الله اني مررت بغار فيه ما يقوتني من الماء والبقل فحدثني نفسي بأن اقيم فيه واتخلى عن الدنيا قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لم ابعث باليهودية ولا النصرانية ولكن بعثت بالحنيفية السمحة والذي نفس محمد بيده لغدوة أو روحة في سبيل الله (9) خير من الدنيا وما فيها ولمقام أحدكم الصف (10) خير من صلاته ستين سنة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৮
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মানুষের নিকট থেকে দূরে থাকা উত্তম, না মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকা উত্তম, সে প্রসঙ্গ
৩৮. ইবন 'উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে মুমিন ব্যক্তি মানুষের সাথে মেলামেশা করে এবং তাদের জ্বালাতনে ধৈর্যধারণ করে, সে এমন লোকদের তুলনায় অধিক সওয়াবের অধিকারী হয়, যে জনগণের সাথে মেলামেশা করে না এবং তাদের জ্বালাতনে ধৈর্যধারণ করে না। (অন্য বর্ণনায়: সে ঐ সব লোকদের তুলনায় উত্তম, সে মানুষের সাথে মেলামেশা করে না।)
كتاب المجالس وآدابها
باب هل الافضل العزلة عن الناس أو الاختلاط بهم
عن ابن عمر يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال المؤمن الذي يخالط الناس ويصبر على اذاهم اعظم أجرا من الذي لا يخالطهم ولا يصبر على أذاهم (1) (وفي رواية) خير من الذي لا يخالطهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯
বসার আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মানুষের নিকট থেকে দূরে থাকা উত্তম, না মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকা উত্তম, সে প্রসঙ্গ
৩৯. আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। কোন ব্যক্তি সবচেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, যে মুমিন জান ও মাল দিয়ে আল্লাহ্ পথে যুদ্ধ করে। সে পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, এরপর কে? তিনি বলেন, যে মুমিন ব্যক্তি পাহাড়ের কোন উপত্যকায় আশ্রয় নিয়ে আল্লাহর ইবাদত করে এবং তার অনিষ্ট থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখে।
كتاب المجالس وآدابها
باب هل الافضل العزلة عن الناس أو الاختلاط بهم
عن أبي سعيد الخدري قال قال رجل يا رسول الله اي الناس أفضل؟ قال مؤمن مجاهد بنفسه وماله في سبيل الله قال ثم من قال ثم رجل معتزل في شعب من الشعاب (3) يعبد ربه عز وجل ويدع الناس من شره
tahqiq

তাহকীক: