মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
তাওবা অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৪৭ টি
হাদীস নং: ৪১
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী শুধু আমল দিয়ে তোমাদের কেউ মুক্তি পাবে না
৪১. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ শুধু আমল দ্বারা মুক্তি পাবে না। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনিও কি মুক্তি পাবেন না? তিনি বললেন, না, আমিও না; যদি না আল্লাহ্ তাঁর রহমত দ্বারা আমাকে পরিবেষ্টিত করে নেন। তোমরা সঠিকভাবে আমল করবে, তার নিকটবর্তী হবে, তোমরা রাতের প্রথম ও শেষভাগে জিহাদের জন্য সফর করবে এবং প্রত্যেক কাজে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে, তাহলে দুনিয়াতে শান্তি পাবে এবং আখিরাতেও পুরস্কার পাবে।
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে, নবী করিম (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ শুধু আমল দ্বারা মুক্তি পাবে না, সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, আপনিও না? তিনি বললেন, আমিও না। তবে আল্লাহ্ তাঁর ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আমাকে ঢেকে নিবেন; আল্লাহ্ তার ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আমাকে ঢেকে নিবেন, একথা তিনি তিনবার বলেন।
তাঁর তৃতীয় বর্ণনায় তিনি অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা ইশারা করে- একবার হাত মুষ্টিবদ্ধ করেন, আবার হাত খুলে ফেলেন।
(বুখারী, মুসলিম)
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে, নবী করিম (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ শুধু আমল দ্বারা মুক্তি পাবে না, সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, আপনিও না? তিনি বললেন, আমিও না। তবে আল্লাহ্ তাঁর ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আমাকে ঢেকে নিবেন; আল্লাহ্ তার ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আমাকে ঢেকে নিবেন, একথা তিনি তিনবার বলেন।
তাঁর তৃতীয় বর্ণনায় তিনি অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা ইশারা করে- একবার হাত মুষ্টিবদ্ধ করেন, আবার হাত খুলে ফেলেন।
(বুখারী, মুসলিম)
كتاب التوبة
باب قوله صلى الله عليه وسلم لا ينجي أحدكم عمله
عن أبي هريرة (5) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ينجي أحدكم عمله (6) قالوا ولا أنت يا رسول الله قال ولا انا إلا ان يتغمدني الله منه برحمة (7) فسددوا وقاربوا واغدوا وروحوا وشيء من الدلجة والقصد القصد (8) تبلغوا (وعنه من طريق ثان) (9) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس أحد منكم ينجيه عمله قالوا ولا أنت يا رسول الله؟ قال ولا أنا الا ان يتغمدني ربي منه بمغفرة ورحمة ولا انا الا ان يتغمدني ربي منه بمغفرة ورحمة مرتين أو ثلاثا (وعنه من طريق ثالث بنحوه وفيه) (10) وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده هكذا وأشار وهب (1) يقبضها ويبسطها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী শুধু আমল দিয়ে তোমাদের কেউ মুক্তি পাবে না
৪২. আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহর রহমত ব্যতিত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনিও না? তিনি বললেন, আমিও না। তবে আল্লাহ্ তাঁর রহমত দ্বারা আমাকে পরিবেষ্টিত করবেন। একথা বলে তিনি তাঁর মাথার উপর হাত দিয়ে ইশারা করেন।
كتاب التوبة
باب قوله صلى الله عليه وسلم لا ينجي أحدكم عمله
عن ابي سعيد الخدري (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لن يدخل الجنة أحد إلا برحمة الله قلنا يا رسول الله ولا أنت؟ قال ولا انا إلا أن يتغمدني الله برحمته وقال بيده فوق رأسه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী শুধু আমল দিয়ে তোমাদের কেউ মুক্তি পাবে না
৪৩. দামদাম ইবন্ জাওস আল ইয়ামামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবূ হুরায়রা (রা) আমাকে বললেন, হে ইয়ামামী! তোমরা কোন ব্যক্তিকে একথা বলো না, আল্লাহর শপথ! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন না, অথবা আল্লাহ্ কখনও তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা, এ ধরনের কথা আমাদের কোন ভাই তার সাথীকে রাগের সময় বলে থাকে। তিনি বললেন, তুমি এ ধরনের কথা বলবে না। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, বনি ইসরাঈলদের মাঝে দু'জন ব্যক্তি ছিলেন তাদের মধ্যে একজন 'ইবাদতে পরিশ্রমী ছিলেন, আর অন্যজন নীজের আত্মার উপর সীমালঙ্ঘনকারী ছিল। তারা উভয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। যিনি 'ইবাদতে পরিশ্রমী ছিলেন, তিনি সদা-সর্বদা দ্বিতীয়জনকে গুনাহের মধ্যে লিপ্ত দেখে বলতেন, হে ব্যক্তি! গুনাহ থেকে বিরত থাক। তখন সে বললো, আমাকে আমার রবের সাথে ছেড়ে দাও। আল্লাহ কি তোমাকে আমার উপর পর্যবেক্ষণকারী করে পাঠিয়েছেন? তিনি বলেন, একদিন সে তাকে অনেক বড় গুনাহে লিপ্ত হতে দেখল। তখন সে তাকে বলল, হে ব্যক্তি! গুনাহ থেকে বিরত থাক। সে বললো, আমাকে আমার পথে থাকতে দাও। আমার রব কি তোমাকে আমার পর্যবেক্ষণকারী রূপে পাঠিয়েছেন? সে বললো, আল্লাহর কসম! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন না, অথবা আল্লাহ্ তোমাকে কখনও জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। রাবী সন্দেহবশত এমন বলেন। এরপর আল্লাহ্ উভয়ের নিকট মৃত্যুর ফেরেশতা পাঠালেন এবং ফেরেশতা উভয়ের রুহ কবজ করে গুনাহগার ব্যক্তিকে বললেন, যাও এবং আমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ কর। আর দ্বিতীয় ব্যক্তিকে বললেন, তুমি কি জানতে না, আমার হাতে কি রহমতের ভাণ্ডার ছিল না? আমার কাছে যা রয়েছে সেই বিষয়ে কি তুমি সক্ষম ছিলে? তখন ফেরেশতাদেরকে বলা হবে: তাকে নিয়ে জাহান্নামে যাও, তখন আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, যার হাতে আবুল কাসিমের প্রাণ, তার শপথ করে বলছি! সে কথা বলার দরুন, অথবা এ কথার জন্য সে দুনিয়াতে তার সমস্ত আমল নষ্ট করে ফেলেছে এবং সে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে।
كتاب التوبة
باب قوله صلى الله عليه وسلم لا ينجي أحدكم عمله
عن ضمضم بن جوس اليمامي (4) قال قال لي ابو هريرة رضي الله عنه يا يماني لا تقولن لرجل والله لا يغفر لك أو لا يدخلك الله الجنة أبدا قلت يا أبا هريرة إن هذه الكلمة يقولها احدنا لأخيه وصاحبه اذا غضب قال فلا تقلها فإني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول كان في بني اسرائيل رجلان كان احدهما مجتهدا في العبادة وكان الآخر مسرفا على نفسه فكانا متآخيين فكان المجتهد لا يزال يرى الآخر على ذنب فيقول يا هذا اقصر فيقول خلني وربي أبعثت علي رقيبا؟ قال إلى ان رآه يوما على ذنب استعظمه فقال له ويحك اقصر قال خلني وربي ابعثت علي رقيبا؟ قال فقال والله لا يغفر لك أو لا يدخلك الله الجنة ابدا قال احدها (5) قال فبعث الله اليهما ملكا فقبض أرواحهما واجتمعا (6) فقال للمذنب اذهب فادخل الجنة برحمتي وقال للآخر أكنت بي عالما؟ أكنت على ما في يدي خازنا؟ اذهبوا به إلى النار قال فوالذي نفس أبي القاسم بيده (7) لتكلم بالكلمة أو بقت دنياه وآخرته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৪
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তাওহীদবাদীগণ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া এবং উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য সুসংবাদ প্রসঙ্গ
৪৪. আবূ রাযিন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমাদের রব তার বান্দার নিরাশ ও নিঃস্ব অবস্থা দেখে হাসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আল্লাহ্ কি হাসেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন আবু রাযিন (রা) বললেন, যে রব হাসেন, তিনি অকল্যাণময়ী হতে পারেন না।
كتاب التوبة
باب ما جاء في عدم قنوط الموحدين من رحمة الله تعالى وفيه بشرى للامة المحمدية
عن ابي رزين (8) قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم ضحك (9) ربنا من قنوط عباده (1) وقرب غيره (2) قال قلت يا رسول الله أو يضحك الرب عز وجل؟ قال نعم قال لن نعدم من رب يضحك خيرا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তাওহীদবাদীগণ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া এবং উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য সুসংবাদ প্রসঙ্গ
৪৫. 'আব্বাস ইবন্ মিরদাস (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) 'আরাফাতে সন্ধ্যাকালে তাঁর উম্মতের জন্য দীর্ঘক্ষণ মাগফিরাত ও রহমতের দু'আ করেন। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তার উত্তরে বলেন, আপনার উম্মতের যারা একে অন্যের উপর যুলুম করে তারা ব্যতিত আমি অন্য সকলকে ক্ষমা করে দিয়েছি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, হে আমার রব, আপনি তো যালিমকে ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখেন এবং মযলুমকে তার যুলুমের বদলায় উত্তম প্রতিদান দিতে পারেন। সে সন্ধ্যায় আল্লাহ্ তাঁর কোন জবাব দেননি। এটা কোন কোন বর্ণনায় এসেছে। পরের দিন ভোর বেলা পুনরায় মুজদালেফায় তিনি তাঁর উম্মতের জন্য দু'আ করে মুচকি হাসি হাসলেন। তখন কোন কোন সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনি তো আজ এমন সময় হাসলেন সাধারণত যখন হাসেন না। আজ কোন জিনিস আপনাকে হাসালো? আল্লাহ আপনাকে হাসি মুখে রাখুন। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর দুশমন ইবলিশকে দেখে হাসলাম। সে যখন জানতে পারলো যে, মহান আল্লাহ্ আমার উম্মতের জন্য আমি যে দু'আ করেছি তা কবুল করেছেন এবং যালিমকেও ক্ষমা করে দিয়েছেন, তখন সে মাটি নিয়ে নিজের মাথায় ঢালতে ঢালতে বলতে লাগলো, হায় সর্বনাশ! হায় ধ্বংস! তার অস্থিরতা দেখে আমি হেসেছি।
كتاب التوبة
باب ما جاء في عدم قنوط الموحدين من رحمة الله تعالى وفيه بشرى للامة المحمدية
حدثني ابراهيم بن الحجاج (3) الناجي قال ثنا عبد القاهر بن السرى قال حدثني ابن لكنانة بن عباس بن مرادس عن أبيه ان أباه العباس بن مرادس حدثه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دعا عشية عرفة لامته بالمغفرة والرحمة فأكثر الدعاء فأجابه الله عز وجل أن قد فعلت وغفرت لأمتك إلا من ظلم بعضهم بعضا فقال يا رب انك قادر ان تغفر للظالم وتثيب للمظلوم خيرا من مظلمته فلم يكن في تلك العشية إلا ذا يعني فلم يجبه تلك العشية شيئا كما في بعض الروايات فلما كان من الغد دعا غداة المزدلفة فعاد يدعو لأمته فلم يلبث النبي صلى الله عليه وسلم أن تبسم فقال بعض أصحابه يا رسول الله بأبي أنت وأمي ضحكت في ساعة لم تكن تضحك فيها فما أضحكك أضحك الله سنك؟ قال تبسمت من عدو الله ابليس حين علم أن الله عز وجل قد استجاب لي في أمتي وغفر للظالم أهوى يدعوى بالثبور والويل ويحثوا التراب على رأسه فتبسمت مما يصنع جزعه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তাওহীদবাদীগণ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া এবং উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য সুসংবাদ প্রসঙ্গ
৪৬. ফাদালা ইবন 'উবাদা ও 'উবাদা ইবন্ সামিত (রা) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা যখন মানুষের বিচার শেষ করবেন, তখন দু'জন লোকের বিচার অসমাপ্ত থেকে যাবে। তিনি তখন তাদের দু'জনকে জাহান্নামে পাঠাবার নির্দেশ দিবেন। তাদের একজন আল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকলে আল্লাহ্ বলবেন, তাকে ফিরিয়ে আন। তখন তাকে ফিরিয়ে আনা হবে। তাকে বলা হবে: তুমি তাকাচ্ছিলে কেন? সে বলবে: আমি আশা করেছিলাম যে আমাকে আপনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তাকে জান্নাতে পাঠাবার নির্দেশ দেয়া হবে, সে সময় লোকটি বলবে: আল্লাহ্ আমাকে এত অধিক দিয়েছেন যে, যদি আমি সমস্ত জান্নাতবাসীদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করি, তাহলে আমার কিছুই কমবে না। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন এ লোকটির কথা উল্লেখ করতেন, তখনই তার চেহারা আনন্দে ভরে যেতো।
كتاب التوبة
باب ما جاء في عدم قنوط الموحدين من رحمة الله تعالى وفيه بشرى للامة المحمدية
عن عمرو بن مالك الجنبي (1) أن فضالة بن عبادة وعبادة بن الصامت حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا كان يوم القيامة وفرغ الله من قضاء الخلق فيبقى رجلان فيؤمر بهما الى النار فيلتفت احدهما فيقول الجبار تعالى ردوه فيردونه قال له لم التفت؟ قال ان كنت ارجو ان تدخلني الجنة قال فيؤمر له الى الجنة فيقول لقد اعطاني الله عز وجل حتى اني لو اطعمت اهل الجنة ما نقص ذلك ما عندي شيئا قال فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا ذكره يرى السرور في وجهه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৭
তাওবা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তাওহীদবাদীগণ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া এবং উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য সুসংবাদ প্রসঙ্গ
৪৭. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আযাদকৃত দাস ছাওবান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, দুনিয়া এবং এর মধ্যে যা আছে, তার চেয়ে এ আয়াতটি আমার নিকট অধিক প্রিয়:
قُلْ يَاعِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বল, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছো, তারা আল্লাহ্ রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ্ সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দিবেন, তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা যুমার: ৫৩।)
তখন এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! যে ব্যক্তি শিরক করবে? তার কথায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, তবে যে ব্যক্তি শিরিক করে, সে ব্যতিত। একথা তিনি তিনবার বলেন।
قُلْ يَاعِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বল, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছো, তারা আল্লাহ্ রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ্ সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দিবেন, তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা যুমার: ৫৩।)
তখন এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! যে ব্যক্তি শিরক করবে? তার কথায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, তবে যে ব্যক্তি শিরিক করে, সে ব্যতিত। একথা তিনি তিনবার বলেন।
كتاب التوبة
باب ما جاء في عدم قنوط الموحدين من رحمة الله تعالى وفيه بشرى للامة المحمدية
عن ثوبان (2) مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما أحب ان لي الدنيا وما فيها بهذه الآية (يا عبادي الذين اسرفوا على أنفسهم لا تقنطوا من رحمة الله ان الله يغفر الذنوب جميعا انه هو الغفور الرحيم) فقال رجل يا رسول الله فمن أشرك؟ فسكت النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال الا من اشرك ثلاث مرات
তাহকীক: