রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين
৮. সফরের আদব-বিধান - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২২ টি
হাদীস নং: ৯৭৬
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মুসাফির যখন টিলা বা অনুরূপ কোনও উঁচু স্থানে চড়ে, তখন তার আল্লাহু আকবার বলা; যখন উপত্যকা বা অনুরূপ কোনও নিচু স্থানে নামে, তখন সুবহানাল্লাহ বলা এবং তাকবীর ও তাসবীহতে আওয়াজ বেশি উঁচু না করা
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
৯৭৬. হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর বাহিনী যখন টিলার উপর উঠতেন, আল্লাহু আকবার বলতেন। আর যখন নিচে নামতেন, সুবহানাল্লাহ বলতেন। -আবু দাউদ
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
976 - وعن ابن عمرَ رضي اللهُ عنهما، قَالَ: كَانَ النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم - وجيُوشُهُ إِذَا عَلَوا الثَّنَايَا كَبَّرُوا، وَإِذَا هَبَطُوا سَبَّحُوا. رواه أَبُو داود بإسناد صحيح. (1)
হাদীস নং: ৯৭৭
সফরের আদব-বিধান
পরিচ্ছেদঃ মুসাফির যখন টিলা বা অনুরূপ কোনও উঁচু স্থানে চড়ে, তখন তার আল্লাহু আকবার বলা; যখন উপত্যকা বা অনুরূপ কোনও নিচু স্থানে নামে, তখন সুবহানাল্লাহ বলা এবং তাকবীর ও তাসবীহতে আওয়াজ বেশি উঁচু না করা
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
উপরে ওঠার বেলায় তাকবীর বলা ও নিচে নামতে তাসবীহ পড়া
৯৭৭. হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হজ্জ বা উমরা থেকে ফিরতেন, তখন পথে যখনই কোনও টিলায় বা উঁচু স্থানে উঠতেন, তখন তিনবার আল্লাহু আকবার বলতেন। তারপর বলতেন-
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كلِّ شيءٍ قديرٌ آيِبونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَه
'আল্লাহ ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনও শরীক নেই। তাঁরই রাজত্ব এবং তাঁরই সকল প্রশংসা। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী। আমরা তাওবাকারী। আমরা ইবাদতকারী। আমরা সিজদাকারী এবং আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তিনি তাঁর বান্দার সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুবাহিনীদের পরাজিত করেছেন'। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ২৯৯৫, ৪১১৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৪৪; সুনানে আবু দাউদ: ২৭৭০: জামে' তিরমিযী: ৯৫০; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ১০২৯৭; মুসনাদে আহমাদ: ৪৭১৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৩৬২৯: মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৩৫; মুসনাদুল হুমায়দী: ৬৫৭)
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كلِّ شيءٍ قديرٌ آيِبونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَه
'আল্লাহ ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনও শরীক নেই। তাঁরই রাজত্ব এবং তাঁরই সকল প্রশংসা। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী। আমরা তাওবাকারী। আমরা ইবাদতকারী। আমরা সিজদাকারী এবং আমরা আমাদের প্রতিপালকের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তিনি তাঁর বান্দার সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুবাহিনীদের পরাজিত করেছেন'। -বুখারী ও মুসলিম (সহীহ বুখারী: ২৯৯৫, ৪১১৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৪৪; সুনানে আবু দাউদ: ২৭৭০: জামে' তিরমিযী: ৯৫০; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ১০২৯৭; মুসনাদে আহমাদ: ৪৭১৭; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৩৬২৯: মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৯২৩৫; মুসনাদুল হুমায়দী: ৬৫৭)
كتاب آداب السفر
باب تكبير المسافر إِذَا صعد الثنايا وشبهها، وتسبيحه إِذَا هبط الأودية ونحوها، والنهي عن المبالغة برفع الصوتِ بالتكبير ونحوه
977 - وعنه، قَالَ: كَانَ النَّبي - صلى الله عليه وسلم - إِذَا قَفَلَ مِنَ الحَجِّ أَوْ العُمْرَةِ، كُلَّمَا أوْفَى عَلَى ثَنِيَّةٍ أَوْ فَدْفَدٍ كَبَّرَ ثَلاثًا، ثُمَّ قَالَ: «لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ. آيِبُونَ، تَائِبُونَ، عَابِدُونَ، سَاجِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، صَدَقَ اللهُ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
وفي رواية لمسلم: إِذَا قَفَلَ مِنَ الجيُوشِ أَو السَّرَايَا أَو الحَجِّ أَو العُمْرَةِ.
قَوْلهُ: «أوْفَى» أيْ: ارْتَفَعَ، وَقَوْلُه: «فَدْفَدٍ» هُوَ بفتح الفائَينِ بينهما دال مهملة ساكِنة، وَآخِره دال أخرى وَهُوَ: «الغَليظُ المُرْتَفِعُ مِنَ الأرضِ».
وفي رواية لمسلم: إِذَا قَفَلَ مِنَ الجيُوشِ أَو السَّرَايَا أَو الحَجِّ أَو العُمْرَةِ.
قَوْلهُ: «أوْفَى» أيْ: ارْتَفَعَ، وَقَوْلُه: «فَدْفَدٍ» هُوَ بفتح الفائَينِ بينهما دال مهملة ساكِنة، وَآخِره دال أخرى وَهُوَ: «الغَليظُ المُرْتَفِعُ مِنَ الأرضِ».