আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৫- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৭ টি
হাদীস নং: ৩১০
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৭। হায়যের গোসলের সময় চুল আঁচড়ানো
৩১০। মুসা ইবনে ঈসমাঈল (রাহঃ) ...... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলাম। আমিও তাদেরই একজন ছিলাম যারা তামাত্তুর* নিয়ত করেছিল এবং কুরবানীর পশু নেয়নি। তিনি বলেনঃ তাঁর হায়য শুরু হয় এবং আরাফা-এর রাত পর্যন্ত তিনি পাক হন নি। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজ তো আরাফার রাত, আর আমি হজ্জের সঙ্গে উমরারও নিয়ত করেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ মাথার বেণী খুলে ফেল, চুল আঁচড়াও আর উমরা থেকে বিরত থাক। আমি তা-ই করলাম। হজ্জ সমাধা করার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আব্দুর রহমান (রাযিঃ)-কে ‘হাসবায়’ অবস্থানের রাতে (আমাকে উমরা করানোর) নির্দেশ দিলেন। তিনি তানঈম থেকে আমাকে উমরা করালেন, যেখান থেকে আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম।
*একই সফরে হজ্জ ও উমরা করা।
*একই সফরে হজ্জ ও উমরা করা।
كتاب الحيض
باب امْتِشَاطِ الْمَرْأَةِ عِنْدَ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ
316 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أَهْلَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ، فَكُنْتُ مِمَّنْ تَمَتَّعَ وَلَمْ يَسُقْ الهَدْيَ، فَزَعَمَتْ أَنَّهَا حَاضَتْ وَلَمْ تَطْهُرْ حَتَّى دَخَلَتْ لَيْلَةُ عَرَفَةَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ لَيْلَةُ عَرَفَةَ وَإِنَّمَا كُنْتُ تَمَتَّعْتُ بِعُمْرَةٍ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «انْقُضِي رَأْسَكِ وَامْتَشِطِي، وَأَمْسِكِي عَنْ عُمْرَتِكِ» ، فَفَعَلْتُ، فَلَمَّا قَضَيْتُ الحَجَّ أَمَرَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ لَيْلَةَ الحَصْبَةِ، فَأَعْمَرَنِي مِنَ التَّنْعِيمِ مَكَانَ عُمْرَتِي الَّتِي نَسَكْتُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১১
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৮। হায়যের গোসলে চুল খোলা
৩১১। উবাইদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সময় নিকটবর্তী হলে বেরিয়ে পড়লাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে তা করতে পারে। কারণ, আমি সাথে কুরবানীর পশু না আনলে উমরার ইহরামই বাঁধতাম। তারপর কেউ উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর কেউ হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। আমি ছিলাম উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে। আরাফার দিনে আমি ঋতুবতী ছিলাম। আমি নবী (ﷺ) এর কাছে আমার অসুবিধার কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। আমি তাই করলাম। ‘হাসবা’ নামক স্থানে অবস্থানের রাতে নবী (ﷺ) আমার সাথে আমার ভাই আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ)-কে পাঠালেন। আমি তানঈমের দিকে বের হলাম। সেখানে পূর্বের উমরার পরিবর্তে ইহরাম বাঁধলাম।
হিশাম (রাহঃ) বলেনঃ এসব কারণে কোন দম (কুরবানী), রোযা বা সাদ্কা দিতে হয় নি।
হিশাম (রাহঃ) বলেনঃ এসব কারণে কোন দম (কুরবানী), রোযা বা সাদ্কা দিতে হয় নি।
كتاب الحيض
باب نَقْضِ الْمَرْأَةِ شَعَرَهَا عِنْدَ غُسْلِ الْمَحِيضِ
317 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مُوَافِينَ لِهِلاَلِ ذِي الحِجَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُهِلَّ بِعُمْرَةٍ فَلْيُهْلِلْ، فَإِنِّي لَوْلاَ أَنِّي أَهْدَيْتُ لَأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ» فَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِعُمْرَةٍ، وَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِحَجٍّ، وَكُنْتُ أَنَا مِمَّنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، فَأَدْرَكَنِي يَوْمُ عَرَفَةَ وَأَنَا حَائِضٌ، فَشَكَوْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «دَعِي عُمْرَتَكِ، وَانْقُضِي رَأْسَكِ، وَامْتَشِطِي وَأَهِلِّي بِحَجٍّ» ، فَفَعَلْتُ حَتَّى إِذَا كَانَ لَيْلَةُ الحَصْبَةِ، أَرْسَلَ مَعِي أَخِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَخَرَجْتُ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ مَكَانَ عُمْرَتِي قَالَ هِشَامٌ: «وَلَمْ يَكُنْ فِي شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ هَدْيٌ، وَلاَ صَوْمٌ وَلاَ صَدَقَةٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১২
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৯। আল্লাহর বাণী "পূর্ণাকৃতি ও অপূর্ণাকৃতি গোশত পিণ্ড" (২২ঃ:৫) প্রসঙ্গে
৩১২। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা মাতৃগর্ভের জন্য একজন ফিরিশতা নির্ধারণ করেছেন। তিনি (পর্যায়ক্রমে) বলতে থাকেন, হে রব! এখন বীর্য-আকৃতিতে আছে। হে রব! এখন জমাট রক্তে পরিণত হয়েছে। হে রব! এখন গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। এরপর আল্লাহ তাআলা যখন সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন জিজ্ঞাসা করেনঃ পুরুষ, না স্ত্রী? সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগা? রিযক ও বয়স কত? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তার মাতৃগর্ভে থাকতেই তা লিখে দেওয়া হয়।
كتاب الحيض
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ: {مُخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ} [الحج: 5]
318 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَكَّلَ بِالرَّحِمِ مَلَكًا [ص:71]، يَقُولُ: يَا رَبِّ نُطْفَةٌ، يَا رَبِّ عَلَقَةٌ، يَا رَبِّ مُضْغَةٌ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَقْضِيَ خَلْقَهُ قَالَ: أَذَكَرٌ أَمْ أُنْثَى، شَقِيٌّ أَمْ سَعِيدٌ، فَمَا الرِّزْقُ وَالأَجَلُ، فَيُكْتَبُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৯
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০। ঋতুবতী কিভাবে হজ্জ ও উমরার ইহরাম বাঁধবে?
৩১৩। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের সময় বের হয়েছিলাম। আমাদের কেউ ইহরাম বেঁধেছিল উমরার আর কেউ ইহরাম বেঁধেছিল হজ্জের। আমরা মক্কায় এসে পৌঁছালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে কিন্তু কুরবানীর পশু সাথে আনেনি, তারা যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে ও কুরবানীর পশু সাথে এনেছে, তারা যেন কুরবানী করা পর্যন্ত ইহরাম না খোলে। আর যারা হজ্জের ইহরাম বেঁধেছে, তারা যেন হজ্জ পূর্ণ করে।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ এরপর আমার হায়য শুরু হয় এবং আরাফার দিনেও তা বহাল থাকে। আমি শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। নবী (ﷺ) আমাকে মাথার বেণী খোলার, চুল আঁচড়িয়ে নেয়ার এবং উমরার ইহরাম ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম। পরে হজ্জ সমাধা করলাম। এরপর আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ)-কে আমার সাথে পাঠালেন। তিনি আমকে তানঈম থেকে আমার আগের নিয়তকৃত উমরার পরিবর্তে উমরা করতে নির্দেশ দিলেন।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ এরপর আমার হায়য শুরু হয় এবং আরাফার দিনেও তা বহাল থাকে। আমি শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। নবী (ﷺ) আমাকে মাথার বেণী খোলার, চুল আঁচড়িয়ে নেয়ার এবং উমরার ইহরাম ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম। পরে হজ্জ সমাধা করলাম। এরপর আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ)-কে আমার সাথে পাঠালেন। তিনি আমকে তানঈম থেকে আমার আগের নিয়তকৃত উমরার পরিবর্তে উমরা করতে নির্দেশ দিলেন।
كتاب الحيض
باب كَيْفَ تُهِلُّ الْحَائِضُ بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ
319 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ، فَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، وَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ، فَقَدِمْنَا مَكَّةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ وَلَمْ يُهْدِ، فَلْيُحْلِلْ، وَمَنْ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ وَأَهْدَى، فَلاَ يُحِلُّ حَتَّى يُحِلَّ بِنَحْرِ هَدْيِهِ، وَمَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ، فَلْيُتِمَّ حَجَّهُ» قَالَتْ: فَحِضْتُ فَلَمْ أَزَلْ حَائِضًا حَتَّى كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ، وَلَمْ أُهْلِلْ إِلَّا بِعُمْرَةٍ، فَأَمَرَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَنْقُضَ رَأْسِي وَأَمْتَشِطَ، وَأُهِلَّ بِحَجٍّ وَأَتْرُكَ العُمْرَةَ، فَفَعَلْتُ ذَلِكَ حَتَّى قَضَيْتُ حَجِّي، فَبَعَثَ مَعِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، وَأَمَرَنِي أَنْ أَعْتَمِرَ مَكَانَ عُمْرَتِي مِنَ التَّنْعِيمِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩২০
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২১। হায়য শুরু ও শেষ হওয়া।
স্ত্রীলোকেরা আয়িশা (রাযিঃ) এর কাছে কৌটায় করে তুলা পাঠাতো। তাতে হলুদ রং দেখলে আয়িশা (রাযিঃ) বলতেনঃ তাড়াহুড়া করো না, সাদা পরিস্কার দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। এ দ্বারা তিনি হায়য থেকে পবিত্রতা বোঝাতেন।
যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ) এর কন্যার কাছে সংবাদ এলো যে, স্ত্রীলোকেরা রাতের অন্ধকারে প্রদীপ চেয়ে নিয়ে হায়য থেকে পাক হলো কিনা তা দেখতেন। তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোকেরা (পূর্বে) এমনটি করতেন না। তিনি তাদের দোষারোপ করেন।
স্ত্রীলোকেরা আয়িশা (রাযিঃ) এর কাছে কৌটায় করে তুলা পাঠাতো। তাতে হলুদ রং দেখলে আয়িশা (রাযিঃ) বলতেনঃ তাড়াহুড়া করো না, সাদা পরিস্কার দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। এ দ্বারা তিনি হায়য থেকে পবিত্রতা বোঝাতেন।
যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ) এর কন্যার কাছে সংবাদ এলো যে, স্ত্রীলোকেরা রাতের অন্ধকারে প্রদীপ চেয়ে নিয়ে হায়য থেকে পাক হলো কিনা তা দেখতেন। তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোকেরা (পূর্বে) এমনটি করতেন না। তিনি তাদের দোষারোপ করেন।
৩১৪। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশ (রাযিঃ)-এর ইস্তিহাযা হতো। তিনি এ বিষয়ে নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ হচ্ছে রগের রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। সুতরাং হায়য শুরু হলে নামায ছেড়ে দেবে। আর হায়য শেষ হলে গোসল করে নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
باب إِقْبَالِ الْمَحِيضِ وَإِدْبَارِهِ وَكُنَّ نِسَاءٌ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ فَتَقُولُ لاَ تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ. تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنَ الْحَيْضَةِ. وَبَلَغَ ابْنَةَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ نِسَاءً يَدْعُونَ بِالْمَصَابِيحِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ يَنْظُرْنَ إِلَى الطُّهْرِ فَقَالَتْ مَا كَانَ النِّسَاءُ يَصْنَعْنَ هَذَا. وَعَابَتْ عَلَيْهِنَّ
320 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، كَانَتْ تُسْتَحَاضُ، فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ، فَدَعِي الصَّلاَةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي»
হাদীস নং: ৩১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩২১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২২। হায়যকালীন নামাযের কাযা নেই।
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ও আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, (স্ত্রীলোক হায়যকালীন সময়) নামায ছেড়ে দেবে।
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ও আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, (স্ত্রীলোক হায়যকালীন সময়) নামায ছেড়ে দেবে।
৩১৫। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... মুআযা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা আয়িশা (রাযিঃ)-কে বললেনঃ আমাদের জন্য হায়যকালীন কাযা নামায পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে চলবে কি না? আয়িশা (রাযিঃ) বললেনঃ তুমি কি হারুরিয়্যা?* আমরা নবী (ﷺ) এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু তিনি আমাদের নামায কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [আয়িশা (রাযিঃ)] বলেনঃ আমরা তা কাযা করতাম না।
* খারিজীদের একটি দল যারা ঋতুবতীর জন্য নামাযের কাযা ওয়াজিব মনে করত। আইনী ৩ঃ৩০০
* খারিজীদের একটি দল যারা ঋতুবতীর জন্য নামাযের কাযা ওয়াজিব মনে করত। আইনী ৩ঃ৩০০
كتاب الحيض
باب لاَ تَقْضِي الْحَائِضُ الصَّلاَةَ وَقَالَ جَابِرٌ وَأَبُو سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَدَعُ الصَّلاَةَ
321 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي مُعَاذَةُ، أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ لِعَائِشَةَ: أَتَجْزِي إِحْدَانَا صَلاَتَهَا إِذَا طَهُرَتْ؟ فَقَالَتْ: أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ؟ «كُنَّا نَحِيضُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلاَ يَأْمُرُنَا بِهِ» أَوْ قَالَتْ: فَلاَ نَفْعَلُهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩২২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩। ঋতুবতী মহিলার সঙ্গে হায়যের কাপড় পরিহিত অবস্থায় একত্রে শয়ন
৩১৬। সা’দ ইবনে হাফস (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শায়িত অবস্থায় আমার হায়য দেখা দিল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ তোমার কি নিফাস (হায়য) শুরু হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তখন তিনি আমকে ডেকে নিয়ে তাঁর চাঁদরের নীচে স্থান দিলেন।
বর্ণনাকারী যয়নাব (রাহঃ) বলেনঃ আমাকে উম্মে সালামা (রাযিঃ) এও বলেছেন যে, নবী (ﷺ) রোযা রাখা অবস্থায় তাকে চুমু খেতেন। [উম্মে সালামা (রাযিঃ) আরও বলেন] আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
বর্ণনাকারী যয়নাব (রাহঃ) বলেনঃ আমাকে উম্মে সালামা (রাযিঃ) এও বলেছেন যে, নবী (ﷺ) রোযা রাখা অবস্থায় তাকে চুমু খেতেন। [উম্মে সালামা (রাযিঃ) আরও বলেন] আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
كتاب الحيض
باب النَّوْمِ مَعَ الْحَائِضِ وَهْىَ فِي ثِيَابِهَا
322 - حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: حِضْتُ وَأَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الخَمِيلَةِ، فَانْسَلَلْتُ فَخَرَجْتُ مِنْهَا، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي فَلَبِسْتُهَا، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنُفِسْتِ» قُلْتُ: نَعَمْ، فَدَعَانِي، فَأَدْخَلَنِي مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ
قَالَتْ: وَحَدَّثَتْنِي أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ»
«وَكُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ مِنَ الجَنَابَةِ»
قَالَتْ: وَحَدَّثَتْنِي أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ»
«وَكُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ مِنَ الجَنَابَةِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৪। হায়যের জন্য স্বতন্ত্র কাপড় পরিধান করা
৩১৭। মুআয ইবনে ফাযালা (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক সময় আমি ও নবী (ﷺ) একই চাঁদরের নীচে শুয়েছিলাম। আমার হায়য শুরু হল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার কি হায়য আরম্ভ হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি আমকে ডেকে নিলেন এবং আমি তাঁর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে পড়লাম।
كتاب الحيض
باب مَنِ اتَّخَذَ ثِيَابَ الْحَيْضِ سِوَى ثِيَابِ الطُّهْرِ
323 - حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ بَيْنَا أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُضْطَجِعَةٌ فِي خَمِيلَةٍ حِضْتُ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي، فَقَالَ: «أَنُفِسْتِ» ، فَقُلْتُ: نَعَمْ فَدَعَانِي، فَاضْطَجَعْتُ مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৫। ঋতুবতী মহিলাদের উভয় ঈদ ও মুসলমানদের দুআর সমাবেশে উপস্থিত হওয়া এবং ঈদগাহ থেকে দূরে অবস্থান করা।
৩১৮। মুহাম্মাদ ইবনে সালামা (রাহঃ) .... হাফসা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা আমাদের যুবতীদের ঈদের নামাযে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনু খালাফের মহলে এসে পৌঁছলেন এবং তিনি তাঁর বোন থেকে বর্ণনা করলেন, তাঁর ভগ্নীপতি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে বারটি গাযওয়ায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেনঃ আমার বোনও তাঁর সঙ্গে ছয়টি গাযওয়ায় শরীক ছিল। সেই বোন বলেনঃ আমাদের কারো ওড়না না থাকার কারণে বের না হলে কোন অসুবিধা আছে কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাঁর সাথীর ওড়না তাকে পরিয়ে দেবে, যাতে সে ভালো মজলিস ও মুমিনদের দু'আয় শরীক হতে পারে।
যখন উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) আসলেন, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি নবী (ﷺ) থেকে এরূপ শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেঃ আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। হ্যাঁ, তিনি এরূপ বলেছিলেন। নবী (ﷺ)-এর কথা আলোচিত হলেই তিনি বলতেন “আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক”। আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, যুবতী, পর্দানশীন ও ঋতুবতী মহিলারা বের হবে এবং ভাল স্থানে ও মু’মিনদের দুআয় অংশগ্রহণ করবে। অবশ্য ঋতুবতী মহিলা ঈদগাহ থেকে দূরে থাকবে। হাফসা (রাহঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঋতুবতীও কি বের হবে? তিনি বলেনঃ সে কি আরাফাতে ও অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না?
যখন উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) আসলেন, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি নবী (ﷺ) থেকে এরূপ শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেঃ আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। হ্যাঁ, তিনি এরূপ বলেছিলেন। নবী (ﷺ)-এর কথা আলোচিত হলেই তিনি বলতেন “আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক”। আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, যুবতী, পর্দানশীন ও ঋতুবতী মহিলারা বের হবে এবং ভাল স্থানে ও মু’মিনদের দুআয় অংশগ্রহণ করবে। অবশ্য ঋতুবতী মহিলা ঈদগাহ থেকে দূরে থাকবে। হাফসা (রাহঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঋতুবতীও কি বের হবে? তিনি বলেনঃ সে কি আরাফাতে ও অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না?
كتاب الحيض
باب شُهُودِ الْحَائِضِ الْعِيدَيْنِ، وَدَعْوَةَ الْمُسْلِمِينَ، وَيَعْتَزِلْنَ الْمُصَلَّى
324 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ سَلاَمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الوَهَّابِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ: كُنَّا نَمْنَعُ عَوَاتِقَنَا أَنْ يَخْرُجْنَ فِي العِيدَيْنِ، فَقَدِمَتِ امْرَأَةٌ، فَنَزَلَتْ قَصْرَ بَنِي خَلَفٍ، فَحَدَّثَتْ عَنْ أُخْتِهَا، وَكَانَ زَوْجُ أُخْتِهَا غَزَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ غَزْوَةً، وَكَانَتْ أُخْتِي مَعَهُ فِي سِتٍّ، قَالَتْ: كُنَّا نُدَاوِي الكَلْمَى، وَنَقُومُ عَلَى المَرْضَى، فَسَأَلَتْ أُخْتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَعَلَى إِحْدَانَا بَأْسٌ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهَا جِلْبَابٌ أَنْ لاَ تَخْرُجَ؟ قَالَ: «لِتُلْبِسْهَا صَاحِبَتُهَا مِنْ جِلْبَابِهَا وَلْتَشْهَدِ الخَيْرَ وَدَعْوَةَ المُسْلِمِينَ» ، فَلَمَّا قَدِمَتْ أُمُّ عَطِيَّةَ، سَأَلْتُهَا أَسَمِعْتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ: بِأَبِي، نَعَمْ، وَكَانَتْ لاَ تَذْكُرُهُ إِلَّا قَالَتْ: بِأَبِي، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «يَخْرُجُ العَوَاتِقُ وَذَوَاتُ الخُدُورِ، أَوِ العَوَاتِقُ ذَوَاتُ الخُدُورِ، وَالحُيَّضُ، وَلْيَشْهَدْنَ الخَيْرَ، وَدَعْوَةَ المُؤْمِنِينَ، وَيَعْتَزِلُ الحُيَّضُ المُصَلَّى» ، قَالَتْ حَفْصَةُ: فَقُلْتُ الحُيَّضُ، فَقَالَتْ: أَلَيْسَ تَشْهَدُ عَرَفَةَ، وَكَذَا وَكَذَا
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৬। একই মাসে তিন হায়য হলে সম্ভাব্য হায়য ও গর্ভধারণের ব্যাপারে স্ত্রীলোকের কথা গ্রহণযোগ্য। কারণ আল্লাহর ঘোষণা রয়েছেঃ وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ মহিলাদের গর্ভে আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন সে বিষয়টি গোপন করা তাদের পক্ষে বৈধ নয়। (২ঃ ২২৮)
আলী (রাযিঃ) ও শুরায়হ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, যদি মহিলার নিজ পরিবারের দ্বীনদার কেউ সাক্ষ্য দেয় যে, এ মহিলা মাসে তিনবার ঋতুবতী হয়েছে, তবে তাঁর কথা গ্রহণযোগ্য হবে।
আতা (রাহঃ) বলেনঃ মহিলার হায়যের দিন গণনা করা হবে তাঁর পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী।
ইবরাহীম (রাহঃ)-ও অনুরূপ বলেন। আতা (রাহঃ) আরো বলেনঃ হায়য একদিন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে।**
মু’তামির তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ আমি ইবনে সীরীন (রাহঃ)-কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী হায়যের পাঁচ দিন পূর্ণ হওয়ার পরও রক্ত দেখে? তিনি জবাবে বললেনঃ এ ব্যাপারে মহিলারা ভালো জানে।
** বিভিন্ন হাদীসের আলোকে ইমাম আবূ হানীফা (রাহঃ)-এর মত হলো হায়যের মুদ্দত কমপক্ষে তিন দিন এবং উর্ধ্বে দশ দিন। (আইনী, ৩খ, ৩০৯ পৃ.)
আলী (রাযিঃ) ও শুরায়হ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, যদি মহিলার নিজ পরিবারের দ্বীনদার কেউ সাক্ষ্য দেয় যে, এ মহিলা মাসে তিনবার ঋতুবতী হয়েছে, তবে তাঁর কথা গ্রহণযোগ্য হবে।
আতা (রাহঃ) বলেনঃ মহিলার হায়যের দিন গণনা করা হবে তাঁর পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী।
ইবরাহীম (রাহঃ)-ও অনুরূপ বলেন। আতা (রাহঃ) আরো বলেনঃ হায়য একদিন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে।**
মু’তামির তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ আমি ইবনে সীরীন (রাহঃ)-কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী হায়যের পাঁচ দিন পূর্ণ হওয়ার পরও রক্ত দেখে? তিনি জবাবে বললেনঃ এ ব্যাপারে মহিলারা ভালো জানে।
** বিভিন্ন হাদীসের আলোকে ইমাম আবূ হানীফা (রাহঃ)-এর মত হলো হায়যের মুদ্দত কমপক্ষে তিন দিন এবং উর্ধ্বে দশ দিন। (আইনী, ৩খ, ৩০৯ পৃ.)
৩১৯। আহমদ ইবনে আবু রাজা’ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাযিঃ) নবী (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার ইস্তিহাযা হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি নামায ছেড়ে দেব? নবী (ﷺ) বললেনঃ না, এ হল রগ-নির্গত রক্ত। তবে এরূপ হওয়ার আগে যতদিন হায়য হতো সে কয়দিন নামায অবশ্যই ছেড়ে দাও। তারপর গোসল করে নিবে ও নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
بَابُ إِذَا حَاضَتْ فِي شَهْرٍ ثَلاَثَ حِيَضٍ، وَمَا يُصَدَّقُ النِّسَاءُ فِي الحَيْضِ وَالحَمْلِ، فِيمَا يُمْكِنُ مِنَ الحَيْضِ لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ} [البقرة: 228] وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ، وَشُرَيْحٍ: «إِنِ امْرَأَةٌ جَاءَتْ بِبَيِّنَةٍ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ، أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلاَثًا فِي شَهْرٍ صُدِّقَتْ» وَقَالَ عَطَاءٌ: «أَقْرَاؤُهَا مَا كَانَتْ وَبِهِ» قَالَ إِبْرَاهِيمُ: وَقَالَ عَطَاءٌ: «الحَيْضُ يَوْمٌ إِلَى خَمْسَ عَشْرَةَ» وَقَالَ مُعْتَمِرٌ: عَنْ أَبِيهِ: سَأَلْتُ ابْنَ سِيرِينَ عَنِ المَرْأَةِ تَرَى الدَّمَ بَعْدَ قُرْئِهَا بِخَمْسَةِ أَيَّامٍ؟ قَالَ: «النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ»
325 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ابْنُ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، سَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ، فَقَالَ: «لاَ إِنَّ ذَلِكِ عِرْقٌ، وَلَكِنْ دَعِي الصَّلاَةَ قَدْرَ الأَيَّامِ الَّتِي كُنْتِ تَحِيضِينَ فِيهَا، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَصَلِّي»
হাদীস নং: ৩২০
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৭। হায়যের দিনগুলো ছাড়া হলুদ এবং মেটে রং দেখা।
৩২০। কুতাইবা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা মেটে ও হলুদ রং হায়যের মধ্যে গণ্য করতাম না।
كتاب الحيض
باب الصُّفْرَةِ وَالْكُدْرَةِ فِي غَيْرِ أَيَّامِ الْحَيْضِ
326 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ: «كُنَّا لاَ نَعُدُّ [ص:73] الكُدْرَةَ وَالصُّفْرَةَ شَيْئًا»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩২১
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৮। ইস্তিহাযার শিরা
৩২১। ইবরাহীম ইবনে মুনযির হিযামী (রাহঃ) .... নবী পত্নী আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উম্মে হাবীবা (রাযিঃ) সাত বছর পর্যন্ত ইস্তিহাযাগ্রস্তা ছিলেন। তিনি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাঁকে গোসলের নির্দেশ দিলেন এবং বললেনঃ এ শিরা-নির্গত রক্ত। এরপর উম্মে হাবীবা (রাযিঃ) প্রতি নামাযের জন্য গোসল করতেন।*
* প্রকৃতপক্ষে মুস্তাহাযার জন্য প্রতি সালাতে গোসল ওয়াজিব নয়। তবে তিনি হয়ত নিজ ধারণায় গোসল করা প্রয়োজন মনে করেছিলেন অথবা রোগের প্রকোপ কমার জন্য এরূপ করছিলেন। (উমদাতুল ক্বারী, ৩খ, পৃ. ৩১১)
* প্রকৃতপক্ষে মুস্তাহাযার জন্য প্রতি সালাতে গোসল ওয়াজিব নয়। তবে তিনি হয়ত নিজ ধারণায় গোসল করা প্রয়োজন মনে করেছিলেন অথবা রোগের প্রকোপ কমার জন্য এরূপ করছিলেন। (উমদাতুল ক্বারী, ৩খ, পৃ. ৩১১)
كتاب الحيض
باب عِرْقِ الاِسْتِحَاضَةِ
327 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ المُنْذِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، وَعَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ اسْتُحِيضَتْ سَبْعَ سِنِينَ، فَسَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَأَمَرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ، فَقَالَ: «هَذَا عِرْقٌ» فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ
হাদীস নং: ৩২২
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৯। তাওয়াফে যিয়ারতের পর স্ত্রীলোকের হায়য শুরু হওয়া।
৩২২। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... নবী (ﷺ) এর পত্নী আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! সাফিয়্যা বিনতে হুয়াইয়ের হায়য শুরু হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে তো আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে তাওয়াফে-যিয়ারত করেনি? তাঁর জবাব দিলেন, হ্যাঁ করেছেন। তিনি বললেনঃ তা হলে বের হও।
كتاب الحيض
باب الْمَرْأَةِ تَحِيضُ بَعْدَ الإِفَاضَةِ
328 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهَا قَالَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ حُيَيٍّ قَدْ حَاضَتْ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَعَلَّهَا تَحْبِسُنَا أَلَمْ تَكُنْ طَافَتْ مَعَكُنَّ» ، فَقَالُوا: بَلَى، قَالَ: «فَاخْرُجِي»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৯ - ৩৩০
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৯। তাওয়াফে যিয়ারতের পর স্ত্রীলোকের হায়য শুরু হওয়া।
৩২৩। মুআল্লা ইবনে আসাদ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (তাওয়াফে যিয়ারতের পর) মহিলার হায়য হলে তার চলে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। এর আগে ইবনে উমর (রাযিঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন।
كتاب الحيض
باب الْمَرْأَةِ تَحِيضُ بَعْدَ الإِفَاضَةِ
حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ رُخِّصَ لِلْحَائِضِ أَنْ تَنْفِرَ، إِذَا حَاضَتْ. وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ فِي أَوَّلِ أَمْرِهِ إِنَّهَا لاَ تَنْفِرُ. ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ تَنْفِرُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ لَهُنَّ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩০। ইসতিহাযাগ্রস্তা নারীর পবিত্রতা দেখা।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ মুস্তাহাযা দিনের কিছু সময়ের জন্য হলেও পবিত্রতা দেখলে গোসল করবে ও নামায আদায় করবে। আর নামায আদায় করার পর তাঁর স্বামী তাঁর সাথে মিলতে পারে। কারণ, নামাযের গুরুত্ব অত্যধিক।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ মুস্তাহাযা দিনের কিছু সময়ের জন্য হলেও পবিত্রতা দেখলে গোসল করবে ও নামায আদায় করবে। আর নামায আদায় করার পর তাঁর স্বামী তাঁর সাথে মিলতে পারে। কারণ, নামাযের গুরুত্ব অত্যধিক।
৩২৪। আহমদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হায়য দেখা দিলে নামায ছেড়ে দাও আর হায়যের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং নামায আদায় কর।
كتاب الحيض
باب إِذَا رَأَتِ الْمُسْتَحَاضَةُ الطُّهْرَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي وَلَوْ سَاعَةً، وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا إِذَا صَلَّتْ، الصَّلاَةُ أَعْظَمُ
331 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ زُهَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ، فَدَعِي الصَّلاَةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ، فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩১। নিফাস অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের জানাযার নামায ও তাঁর পদ্ধতি
৩২৫। আহমদ ইবনে সুরায়জ (রাহঃ) .... সামুরা ইবনে জুনদুব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একজন প্রসূতি মহিলা মারা গেলে নবী (ﷺ) তাঁর জানাযা পড়লেন। নামাযে তিনি মহিলার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন।
كتاب الحيض
باب الصَّلاَةِ عَلَى النُّفَسَاءِ وَسُنَّتِهَا
332 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شَبَابَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُسَيْنٍ المُعَلِّمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ: «أَنَّ امْرَأَةً مَاتَتْ فِي بَطْنٍ، فَصَلَّى عَلَيْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَامَ وَسَطَهَا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩২। শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ।
৩২৬। হাসান ইবনে মুদরিক (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নবী (ﷺ)-এর পত্নী মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে শুনেছি যে, তিনি হায়য অবস্থায় নামায আদায় করতেন না; তখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সিজদার জায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নবী (ﷺ) তাঁর চাটাইয়ে নামায আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মায়মুনার) গায়ে লাগতো।
كتاب الحيض
باب
333 - حَدَّثَنَا الحَسَنُ بْنُ مُدْرِكٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ اسْمُهُ الوَضَّاحُ، مِنْ كِتَابِهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ خَالَتِي مَيْمُونَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَكُونُ حَائِضًا، لاَ تُصَلِّي وَهِيَ مُفْتَرِشَةٌ بِحِذَاءِ مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «وَهُوَ يُصَلِّي عَلَى خُمْرَتِهِ إِذَا سَجَدَ أَصَابَنِي بَعْضُ ثَوْبِهِ»
তাহকীক: