আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৫- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৭ টি
হাদীস নং: ২৯০
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৩। হায়যের অধ্যায়: হায়যের ইতিকথা।
আর আল্লাহর বাণীঃ “লোকেরা তোমাকে হায়য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, তা অপবিত্রতা। সুতরাং হায়য অবস্থায় স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক। আর তারা পাক-পবিত্র হওয়ার পূর্বে তাদের সাথে মিলিত হয়ো না। তারা পাক-পবিত্র হলে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাদের কাছে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালবাসেন; তিনি পবিত্রতা রক্ষাকারীদেরও ভালবাসেন।” (২ : ২২২) .
নবী (ﷺ) বলেনঃ এটি এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ্ তাআলা আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কারো কারো মতে সর্বপ্রথম হায়য শুরু হয় বনী ইসরাঈলী মহিলাদের। আবু আব্দুল্লাহ বুখারী (রাহঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
আর আল্লাহর বাণীঃ “লোকেরা তোমাকে হায়য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, তা অপবিত্রতা। সুতরাং হায়য অবস্থায় স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক। আর তারা পাক-পবিত্র হওয়ার পূর্বে তাদের সাথে মিলিত হয়ো না। তারা পাক-পবিত্র হলে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাদের কাছে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালবাসেন; তিনি পবিত্রতা রক্ষাকারীদেরও ভালবাসেন।” (২ : ২২২) .
নবী (ﷺ) বলেনঃ এটি এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ্ তাআলা আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কারো কারো মতে সর্বপ্রথম হায়য শুরু হয় বনী ইসরাঈলী মহিলাদের। আবু আব্দুল্লাহ বুখারী (রাহঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
২৯০। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যেই (মদীনা থেকে) বের হলাম। ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর আমার হায়য আসলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন; এবং বললেনঃ কি হল তোমার? তোমার হায়য এসেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ তো আল্লাহ্ তাআলাই আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং তুমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের বাকী সব কাজ করে যাও। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণের পক্ষ থেকে গাভী কুরবানী করলেন।
كتاب الحيض
كِتَابُ الحَيْض
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ المَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي المَحِيضِ} [البقرة: 222]- إِلَى قَوْلِهِ - {وَيُحِبُّ المُتَطَهِّرِينَ} [البقرة: 222]
باب كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الْحَيْضِ وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ كَانَ أَوَّلُ مَا أُرْسِلَ الْحَيْضُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَحَدِيثُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرُ
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ المَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي المَحِيضِ} [البقرة: 222]- إِلَى قَوْلِهِ - {وَيُحِبُّ المُتَطَهِّرِينَ} [البقرة: 222]
باب كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الْحَيْضِ وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ كَانَ أَوَّلُ مَا أُرْسِلَ الْحَيْضُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَحَدِيثُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرُ
294 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ القَاسِمِ، قَالَ: سَمِعْتُ القَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ [ص:67]، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ: خَرَجْنَا لاَ نَرَى إِلَّا الحَجَّ، فَلَمَّا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَبْكِي، قَالَ: «مَا لَكِ أَنُفِسْتِ؟» . قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَاقْضِي مَا يَقْضِي الحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ» قَالَتْ: وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯১
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪। হায়যের সময় স্বামীর মাথা ধুয়ে দেওয়া ও চুল আঁচড়িয়ে দেওয়া
২৯১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হায়য অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মাথা আঁচড়িয়ে দিতাম।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ الْحَائِضِ رَأْسَ زَوْجِهَا وَتَرْجِيلِهِ
295 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «كُنْتُ أُرَجِّلُ رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا حَائِضٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯২
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪। হায়যের সময় স্বামীর মাথা ধুয়ে দেওয়া ও চুল আঁচড়িয়ে দেওয়া
২৯২। ইবরাহীম ইবনে মুসা (রাহঃ) .... উরওয়া (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁকে (উরওয়াকে) প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, ঋতুবতী স্ত্রী কি স্বামীর খিদমত করতে পারে? অথবা গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় কি স্ত্রী স্বামীর নিকটবর্তী হতে পারে? উরওয়া জওয়াব দিলেন, এ সবই আমার কাছে সহজ। এ ধরনের সকল মহিলাই স্বামীর খিদমত করতে পারে। এ ব্যাপারে কারো অসুবিধা থাকার কথা নয়। আমাকে আয়িশা (রাযিঃ) বলেছেন যে, তিনি হায়যের অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চুল আঁচড়ে দিতেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর (আয়িশার) হুজরার দিকে তাঁর কাছে মাথাটা বাড়িয়ে দিতেন। তখন তিনি মাথার চুল আঁচড়াতেন অথচ তিনি ছিলেন ঋতুবতী।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ الْحَائِضِ رَأْسَ زَوْجِهَا وَتَرْجِيلِهِ
296 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَهُمْ قَالَ: أَخْبَرَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّهُ سُئِلَ أَتَخْدُمُنِي الحَائِضُ أَوْ تَدْنُو مِنِّي المَرْأَةُ وَهِيَ جُنُبٌ؟ فَقَالَ عُرْوَةُ: كُلُّ ذَلِكَ عَلَيَّ هَيِّنٌ، وَكُلُّ ذَلِكَ تَخْدُمُنِي وَلَيْسَ عَلَى أَحَدٍ فِي ذَلِكَ بَأْسٌ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ: «أَنَّهَا كَانَتْ تُرَجِّلُ، تَعْنِي رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ حَائِضٌ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَئِذٍ مُجَاوِرٌ فِي المَسْجِدِ، يُدْنِي لَهَا رَأْسَهُ، وَهِيَ فِي حُجْرَتِهَا، فَتُرَجِّلُهُ وَهِيَ حَائِضٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৫। স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তার কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করা।
আবু ওয়াইল (রাহঃ) তাঁর ঋতুবতী দাসীকে আবু রাযীন (রাহঃ)-এর কাছে পাঠাতেন, আর দাসী জুযদানে (গিলাফে) পেঁচিয়ে কুরআন মাজীদ নিয়ে আসত।
আবু ওয়াইল (রাহঃ) তাঁর ঋতুবতী দাসীকে আবু রাযীন (রাহঃ)-এর কাছে পাঠাতেন, আর দাসী জুযদানে (গিলাফে) পেঁচিয়ে কুরআন মাজীদ নিয়ে আসত।
২৯৩। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তখন আমি হায়যের অবস্থায় ছিলাম।
كتاب الحيض
باب قِرَاءَةِ الرَّجُلِ فِي حَجْرِ امْرَأَتِهِ وَهْىَ حَائِضٌ وَكَانَ أَبُو وَائِلٍ يُرْسِلُ خَادِمَهُ وَهْيَ حَائِضٌ إِلَى أَبِي رَزِينٍ، فَتَأْتِيهِ بِالْمُصْحَفِ فَتُمْسِكُهُ بِعِلاَقَتِهِ
297 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، سَمِعَ زُهَيْرًا، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ صَفِيَّةَ، أَنَّ أُمَّهُ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَانَ يَتَّكِئُ فِي حَجْرِي وَأَنَا حَائِضٌ، ثُمَّ يَقْرَأُ القُرْآنَ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৬। নিফাসকে হায়য বলা
২৯৪। মক্কী ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমার হায়য দেখা দিলে আমি চুপি চুপি বেরিয়ে গিয়ে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি নিফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর সঙ্গে চাঁদরের ভেতর শুয়ে পড়লাম।
كتاب الحيض
بَابُ مَنْ سَمَّى النِّفَاسَ حَيْضًا، وَالحَيْضَ نِفَاسًا
298 - حَدَّثَنَا المَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ حَدَّثَتْهَا قَالَتْ: بَيْنَا أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُضْطَجِعَةٌ فِي خَمِيصَةٍ، إِذْ حِضْتُ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي، قَالَ: «أَنُفِسْتِ» قُلْتُ: نَعَمْ، فَدَعَانِي، فَاضْطَجَعْتُ مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৯ - ৩০১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৫। কাবীসা (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও নবী (ﷺ) জানাবাত অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি ইযার পরে নিতাম, আর আমার হায়য অবস্থায় তিনি আমার সাথে মিশামিশি করে শুতেন। তাছাড়া তিনি ই’তিকাফ অবস্থায় মাথা বের করে দিতেন, আর আমি হায়য অবস্থায় মাথা ধুয়ে দিতাম।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ، صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، كِلاَنَا جُنُبٌ.
وَكَانَ يَأْمُرُنِي فَأَتَّزِرُ، فَيُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ إِلَىَّ وَهُوَ مُعْتَكِفٌ، فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يَأْمُرُنِي فَأَتَّزِرُ، فَيُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ إِلَىَّ وَهُوَ مُعْتَكِفٌ، فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩০২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৬। ইসমাঈল ইবনে খলীল (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ হায়য অবস্থায় থাকলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথে মিশামিশি করতে চাইলে তাকে হায়যের ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তার সাথে মিশামিশি করতেন। তিনি [আয়িশা (রাযিঃ)] বলেনঃ তোমাদের মধ্যে নবী (ﷺ) এর মত কাম-প্রবৃত্তি দমন করার শক্তি রাখে কে?
খালিদ ও জারীর (রাহঃ) আশ-শায়বানী (রাহঃ) থেকে এই হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
খালিদ ও জারীর (রাহঃ) আশ-শায়বানী (রাহঃ) থেকে এই হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
302 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ هُوَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَتْ إِحْدَانَا إِذَا كَانَتْ حَائِضًا، فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُبَاشِرَهَا " أَمَرَهَا أَنْ تَتَّزِرَ فِي [ص:68] فَوْرِ حَيْضَتِهَا، ثُمَّ يُبَاشِرُهَا، قَالَتْ: وَأَيُّكُمْ يَمْلِكُ إِرْبَهُ، كَمَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْلِكُ إِرْبَهُ " تَابَعَهُ خَالِدٌ، وَجَرِيرٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৭। আবু নু’মান (রাহঃ) .... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়য অবস্থায় মিলামিশা করতে চাইলে তাকে ইযার পরতে বলতেন।
শায়বানী (রাহঃ) থেকে সুফিয়ান (রাহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
শায়বানী (রাহঃ) থেকে সুফিয়ান (রাহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
303 - حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَيْمُونَةَ، تَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ أَمَرَهَا، فَاتَّزَرَتْ وَهِيَ حَائِضٌ» وَرَوَاهُ سُفْيَانُ عَنِ الشَّيْبَانِيِّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৮। হায়য অবস্থায় রোযা ছেড়ে দেওয়া
২৯৮। সাঈদ ইবনে আবু মারয়াম (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একবার ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের নামায আদায়ের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমরা সাদ্কা করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা আরয করলেনঃ কী কারণে, ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর না-শোকরী করে থাক। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যক্তির বুদ্ধিহরণে তোমাদের চাইতে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি।
তাঁরা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তাঁরা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়য অবস্থায় তারা কি নামায ও রোযা থেকে বিরত থাকে না? তাঁরা বললেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি।
তাঁরা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তাঁরা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়য অবস্থায় তারা কি নামায ও রোযা থেকে বিরত থাকে না? তাঁরা বললেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি।
كتاب الحيض
باب تَرْكِ الْحَائِضِ الصَّوْمَ
304 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي زَيْدٌ هُوَ ابْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَضْحَى أَوْ فِطْرٍ إِلَى المُصَلَّى، فَمَرَّ عَلَى النِّسَاءِ، فَقَالَ: «يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ فَإِنِّي أُرِيتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ» فَقُلْنَ: وَبِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ العَشِيرَ، مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَذْهَبَ لِلُبِّ الرَّجُلِ الحَازِمِ مِنْ إِحْدَاكُنَّ» ، قُلْنَ: وَمَا نُقْصَانُ دِينِنَا وَعَقْلِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَلَيْسَ شَهَادَةُ المَرْأَةِ مِثْلَ نِصْفِ شَهَادَةِ الرَّجُلِ» قُلْنَ: بَلَى، قَالَ: «فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ عَقْلِهَا، أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ» قُلْنَ: بَلَى، قَالَ: «فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ دِينِهَا»
হাদীস নং: ২৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৯। হায়য অবস্থায় কা'বার তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য কাজ করা যায়।
ইবরাহীম (রাহঃ) বলেছেনঃ (হায়য অবস্থায়) আয়াত পাঠে কোন দোষ নেই।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) জুনুবীর জন্য কুরআন পাঠে কোন দোষ মনে করতেন না।
নবী (ﷺ) সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিক্র করতেন।
উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) বলেনঃ (ঈদের দিন) হায়য অবস্থায় মহিলাদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য আমাদের বলা হতো, যাতে তারা পুরুষদের সাথে তাকবীর বলে ও দুআ করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হিরাকল (রোম সম্রাট) নবী (ﷺ)-এর পত্র চেয়ে নিলেন এবং তা পাঠ করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ
((بسم الله الرحمن الرحيم: {يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم ألا نعبد إلا الله} الى قوله مسلمون [آل عمران: 64] . “দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আপনি বলুন! হে কিতাবীগণ! এস সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই-যেন আমরা আল্লাহ্ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি এবং আমাদের কেউ কাউকে আল্লাহ্ ব্যতীত রবরূপে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বলুন, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম (৩ : ৬৪)।
আতা (রাহঃ) জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) হায়য অবস্থায় কা'বা তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য আহকাম পালন করেছেন কিন্তু নামায আদায় করেন নি।
হাকাম (রাহঃ) বলেছেনঃ আমি জুনুবী অবস্থায়ও যবেহ করে থাকি। অথচ আল্লাহর বাণী হলোঃ وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ “তোমরা আহার করো না সে সব প্রাণী, যার ওপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি।” (৬ : ১২১)
ইবরাহীম (রাহঃ) বলেছেনঃ (হায়য অবস্থায়) আয়াত পাঠে কোন দোষ নেই।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) জুনুবীর জন্য কুরআন পাঠে কোন দোষ মনে করতেন না।
নবী (ﷺ) সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিক্র করতেন।
উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) বলেনঃ (ঈদের দিন) হায়য অবস্থায় মহিলাদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য আমাদের বলা হতো, যাতে তারা পুরুষদের সাথে তাকবীর বলে ও দুআ করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হিরাকল (রোম সম্রাট) নবী (ﷺ)-এর পত্র চেয়ে নিলেন এবং তা পাঠ করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ
((بسم الله الرحمن الرحيم: {يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم ألا نعبد إلا الله} الى قوله مسلمون [آل عمران: 64] . “দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আপনি বলুন! হে কিতাবীগণ! এস সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই-যেন আমরা আল্লাহ্ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি এবং আমাদের কেউ কাউকে আল্লাহ্ ব্যতীত রবরূপে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বলুন, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম (৩ : ৬৪)।
আতা (রাহঃ) জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) হায়য অবস্থায় কা'বা তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য আহকাম পালন করেছেন কিন্তু নামায আদায় করেন নি।
হাকাম (রাহঃ) বলেছেনঃ আমি জুনুবী অবস্থায়ও যবেহ করে থাকি। অথচ আল্লাহর বাণী হলোঃ وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ “তোমরা আহার করো না সে সব প্রাণী, যার ওপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি।” (৬ : ১২১)
২৯৯। আবু নুআয়ম (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে হজ্জের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম। আমরা সারিফ নামক স্থানে পৌঁছলে আমি ঋতুবতী হই। এ সময় নবী (ﷺ) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কাঁদছ কেন? আমি বললামঃ আল্লাহর শপথ! এ বছর হজ্জ না করাই আমার জন্য পছন্দনীয়। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তুমি ঋতুবতী হয়েছ। আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ তো আদম-কন্যাদের জন্য আল্লাহ্ নির্ধারিত করেছেন। তুমি পাক হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য হাজীদের মত সমস্ত কাজ করে যাও, কেবল কা'বার তাওয়াফ করবে না।
كتاب الحيض
باب تَقْضِي الْحَائِضُ الْمَنَاسِكَ كُلَّهَا إِلاَّ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ أَنْ تَقْرَأَ الآيَةَ. وَلَمْ يَرَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِالْقِرَاءَةِ لِلْجُنُبِ بَأْسًا. وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ. وَقَالَتْ أُمُّ عَطِيَّةَ كُنَّا نُؤْمَرُ أَنْ يَخْرُجَ الْحُيَّضُ، فَيُكَبِّرْنَ بِتَكْبِيرِهِمْ وَيَدْعُونَ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سُفْيَانَ أَنَّ هِرَقْلَ دَعَا بِكِتَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَرَأَ فَإِذَا فِيهِ: ;بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَ(يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ) الآيَةَ. وَقَالَ عَطَاءٌ عَنْ جَابِرٍ حَاضَتْ عَائِشَةُ فَنَسَكَتِ الْمَنَاسِكَ غَيْرَ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ، وَلاَ تُصَلِّي. وَقَالَ الْحَكَمُ إِنِّي لأَذْبَحُ وَأَنَا جُنُبٌ. وَقَالَ اللَّهُ: (وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ)
305 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ القَاسِمِ، عَنِ القَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ نَذْكُرُ إِلَّا الحَجَّ، فَلَمَّا جِئْنَا سَرِفَ طَمِثْتُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَبْكِي، فَقَالَ: «مَا يُبْكِيكِ؟» قُلْتُ: لَوَدِدْتُ وَاللَّهِ أَنِّي لَمْ أَحُجَّ العَامَ، قَالَ: «لَعَلَّكِ نُفِسْتِ؟» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «فَإِنَّ ذَلِكِ شَيْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَافْعَلِي مَا يَفْعَلُ الحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ حَتَّى تَطْهُرِي»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০০
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১০। ইসতিহাযা
৩০০। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কখনও পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি নামায ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ হল এক ধরনের বিশেষ রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। যখন তোমার হায়য শুরু হয় তখন তুমি নামায ছেড়ে দাও। আর হায়য শেষ হলে রক্ত ধুয়ে নামায আদায় কর।**
** হায়য ও নিফাসের মেয়াদের অতিরিক্ত সময়কালীন রজঃস্রাবকে ইসতিহাযা এবং সে মহিলাকে মুস্তাহাযা বলা হয়। (আইনী ৩খ; ১৪২)
** হায়য ও নিফাসের মেয়াদের অতিরিক্ত সময়কালীন রজঃস্রাবকে ইসতিহাযা এবং সে মহিলাকে মুস্তাহাযা বলা হয়। (আইনী ৩খ; ১৪২)
كتاب الحيض
باب الاِسْتِحَاضَةِ
306 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:69]: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي لَا أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ، فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا، فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي»
হাদীস নং: ৩০১
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১। হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলা
৩০১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আসমা বিনতে আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে কি করবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে সে তা রগড়িয়ে, তারপর পানিতে ধুয়ে নেবে এবং সে কাপড়ে নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ دَمِ الْمَحِيضِ
307 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ المُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنَّهَا قَالَتْ: سَأَلَتِ امْرَأَةٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ إِحْدَانَا إِذَا أَصَابَ ثَوْبَهَا الدَّمُ مِنَ الحَيْضَةِ كَيْفَ تَصْنَعُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَصَابَ ثَوْبَ إِحْدَاكُنَّ الدَّمُ مِنَ الحَيْضَةِ فَلْتَقْرُصْهُ، ثُمَّ لِتَنْضَحْهُ بِمَاءٍ، ثُمَّ لِتُصَلِّي فِيهِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০২
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১। হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলা
৩০২। আসবাগ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো হায়েয হলে, পাক হওয়ার পর রক্ত রগড়িয়ে কাপড় পানি দিয়ে ধুয়ে সেই কাপড়ে তিনি নামায আদায় করতেন।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ دَمِ الْمَحِيضِ
308 - حَدَّثَنَا أَصْبَغُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ القَاسِمِ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَتْ إِحْدَانَا تَحِيضُ، ثُمَّ تَقْتَرِصُ الدَّمَ مِنْ ثَوْبِهَا عِنْدَ طُهْرِهَا، فَتَغْسِلُهُ وَتَنْضَحُ عَلَى سَائِرِهِ، ثُمَّ تُصَلِّي فِيهِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৯
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৩। ইসহাক ইবনে শাহীন (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এর সঙ্গে তাঁর কোন এক স্ত্রী ইস্তিহাযার অবস্থায় ই’তিকাফ করেন। তিনি রক্ত দেখতেন এবং স্রাবের কারণে প্রায়ই তার নীচে একটি পাত্র রাখতেন। রাবী বলেনঃ আয়িশা (রাযিঃ) হলুদ রংয়ের পানি দেখে বলেছেন, এ যেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অমুক স্ত্রীর ইস্তিহাযার রক্ত।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
309 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَكَفَ مَعَهُ بَعْضُ نِسَائِهِ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ تَرَى الدَّمَ» ، فَرُبَّمَا وَضَعَتِ الطَّسْتَ تَحْتَهَا مِنَ الدَّمِ، وَزَعَمَ أَنَّ عَائِشَةَ رَأَتْ مَاءَ العُصْفُرِ، فَقَالَتْ: كَأَنَّ هَذَا شَيْءٌ كَانَتْ فُلاَنَةُ تَجِدُهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩১০
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৪। কুতায়বা (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে তার কোন একজন স্ত্রী ই’তিকাফ করেছিলেন। তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন আর তাঁর নীচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় নামায আদায় করতেন।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
310 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «اعْتَكَفَتْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةٌ مِنْ أَزْوَاجِهِ، فَكَانَتْ تَرَى الدَّمَ وَالصُّفْرَةَ وَالطَّسْتُ تَحْتَهَا وَهِيَ تُصَلِّي»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩১১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৫। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, উম্মুল-মু’মিনীনের একজন ইস্তিহাযা অবস্থায় ই'তিকাফ করেছিলেন।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
311 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ بَعْضَ أُمَّهَاتِ المُؤْمِنِينَ اعْتَكَفَتْ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩১২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৩। হায়য অবস্থায় পরিহিত পোশাকে নামায আদায় করা যায় কি?
৩০৬। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো একটির বেশী কাপড় ছিল না। তিনি হায়েয অবস্থায়ও এই কাপড়খানিই ব্যবহার করতেন, তাতে রক্ত লাগলে থুথু দিয়ে ভিজিয়ে নখ দ্বারা রগড়িয়ে নিতেন।
كتاب الحيض
بَابٌ: هَلْ تُصَلِّي المَرْأَةُ فِي ثَوْبٍ حَاضَتْ فِيهِ؟
312 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: «مَا كَانَ لِإِحْدَانَا إِلَّا ثَوْبٌ وَاحِدٌ تَحِيضُ فِيهِ، فَإِذَا أَصَابَهُ شَيْءٌ مِنْ دَمٍ قَالَتْ بِرِيقِهَا، فَقَصَعَتْهُ بِظُفْرِهَا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৪। হায়য থেকে পবিত্রতার গোসলে সুগন্ধি ব্যবহার।
৩০৭। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রাহঃ) ..... উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কোন মৃত ব্যক্তির জন্য আমাদের তিন দিনের বেশী শোক পালন করা থেকে নিষেধ করা হত। কিন্তু স্বামীর ক্ষেত্রে চার মাস দশ দিন (শোক পালনের অনুমতি ছিল)। আমরা তখন সুরমা লাগাতাম না, সুগন্ধি ব্যবহার করতাম না, ইয়ামানের তৈরী রংিন কাপড় ছাড়া অন্য কোন রংিন কাপড় পরতাম না। তবে হায়য থেকে পবিত্রতার গোসলে আযফারের খোশবু মিশ্রিত বস্ত্রখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি ছিল। আর আমাদের জানাযার পেছনে যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল।
এই বর্ণনা হিশাম ইবনে হাসসান (রাহঃ) হাফসা (রাযিঃ) থেকে, তিনি উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে এবং তিনি নবী (ﷺ) থেকে বিবৃত করেছেন।
এই বর্ণনা হিশাম ইবনে হাসসান (রাহঃ) হাফসা (রাযিঃ) থেকে, তিনি উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে এবং তিনি নবী (ﷺ) থেকে বিবৃত করেছেন।
كتاب الحيض
باب الطِّيبِ لِلْمَرْأَةِ عِنْدَ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ
313 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الوَهَّابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: أَوْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: «كُنَّا نُنْهَى أَنْ نُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ، إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا، وَلاَ نَكْتَحِلَ وَلاَ نَتَطَيَّبَ وَلاَ نَلْبَسَ ثَوْبًا مَصْبُوغًا، إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ، وَقَدْ رُخِّصَ لَنَا عِنْدَ الطُّهْرِ إِذَا اغْتَسَلَتْ إِحْدَانَا مِنْ مَحِيضِهَا فِي نُبْذَةٍ مِنْ كُسْتِ أَظْفَارٍ، وَكُنَّا نُنْهَى عَنِ اتِّبَاعِ الجَنَائِزِ» ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: رَوَاهُ هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ حَفْصَةَ [ص:70]، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীস নং: ৩০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৫। হায়যের পরে পবিত্রতা অর্জনের সময় দেহ ঘষামাজা করা, গোসলের পদ্ধতি এবং মিশকযুক্ত বস্ত্রখণ্ড দিয়ে রক্তের চিহ্ন পরিষ্কার করা।
৩০৮। ইয়াহয়া (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে হায়যের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাকে গোসলের নিয়ম বলে দিলেন যে, এক টুকরা কস্তুরী লাগানো নেকড়া নিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা বললেনঃ কিভাবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা (তৃতীয়বার) বললেন; কিভাবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা দিয়ে তুমি পবিত্রতা হাসিল কর। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আমি তাকে টেনে আমার কাছে নিয়ে আসলাম এবং বললামঃ তা দিয়ে রক্তের চিহ্ন বিশেষভাবে মুছে ফেল।
كتاب الحيض
باب دَلْكِ الْمَرْأَةِ نَفْسَهَا إِذَا تَطَهَّرَتْ مِنَ الْمَحِيضِ وَكَيْفَ تَغْتَسِلُ، وَتَأْخُذُ فِرْصَةً مُمَسَّكَةً فَتَتَّبِعُ بِهَا أَثَرَ الدَّمِ
314 - حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ صَفِيَّةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ غُسْلِهَا مِنَ المَحِيضِ، فَأَمَرَهَا كَيْفَ تَغْتَسِلُ، قَالَ: «خُذِي فِرْصَةً مِنْ مَسْكٍ، فَتَطَهَّرِي بِهَا» قَالَتْ: كَيْفَ أَتَطَهَّرُ؟ قَالَ: «تَطَهَّرِي بِهَا» ، قَالَتْ: كَيْفَ؟، قَالَ: «سُبْحَانَ اللَّهِ، تَطَهَّرِي» فَاجْتَبَذْتُهَا إِلَيَّ، فَقُلْتُ: تَتَبَّعِي بِهَا أَثَرَ الدَّمِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৬। হায়যের গোসলের বিবরণ।
৩০৯। মুসলিম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, একজন আনসারী মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আমি কিভাবে হায়যের গোসল করবো? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এক টুকরা কস্তুরীযুক্ত নেকড়া লও এবং তিনবার ধুয়ে নাও। নবী (ﷺ) এরপর লজ্জাবশত অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন অথবা বললেনঃ তা দিয়ে তুমি পবিত্র হও। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি তাকে নিজের দিকে টেনে নিলাম। তারপর তাকে নবী (ﷺ) এর কথার মর্ম বুঝিয়ে দিলাম।
كتاب الحيض
باب غُسْلِ الْمَحِيضِ
315 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ امْرَأَةً مِنَ الأَنْصَارِ قَالَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَيْفَ أَغْتَسِلُ مِنَ المَحِيضِ؟ قَالَ: «خُذِي فِرْصَةً مُمَسَّكَةً، فَتَوَضَّئِي ثَلاَثًا» ثُمَّ إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَحْيَا، فَأَعْرَضَ بِوَجْهِهِ، أَوْ* قَالَ: «تَوَضَّئِي بِهَا» فَأَخَذْتُهَا فَجَذَبْتُهَا، فَأَخْبَرْتُهَا بِمَا يُرِيدُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
তাহকীক: