আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৫৪- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৮৫ টি
হাদীস নং: ৪৯১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৯৭
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯২. ইশারার মাধ্যমে তালাক ও অন্যান্য কাজ।
ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন।
কা’ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও।
আসমা (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের নামায আদায় করেন। ‘আয়িশা (রাযিঃ) নামায আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ব্যাপার কি ? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের প্রতি ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি ? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হ্যাঁ।
আনাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা আবু বকর (রাযিঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন।
ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই।
আবু কাতাদা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) মুহরিম-এর (এহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইশারা করেছিলে ? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও।
ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন।
কা’ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও।
আসমা (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের নামায আদায় করেন। ‘আয়িশা (রাযিঃ) নামায আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ব্যাপার কি ? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের প্রতি ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি ? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হ্যাঁ।
আনাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা আবু বকর (রাযিঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন।
ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই।
আবু কাতাদা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) মুহরিম-এর (এহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইশারা করেছিলে ? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও।
৪৯১৫। ‘আলী ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সাথে ছিলাম। সূর্য অস্ত গেলে তিনি এক ব্যক্তি (বিলাল) কে বললেনঃ নেমে যাও আমার জন্য ছাতু গোল। সে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ যদি আপনি সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন। (তাহলে রোযাটি পূর্ণ হত)। তিনি পূনরায় বললেনঃ নেমে গিয়ে ছাতু গোল। সে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি সন্ধ্যা হতে দিতেন! এখনো তো দিন রয়ে গেছে। তিনি আবার বললেনঃ যাও, গিয়ে ছাতু গুলে আন। তৃতীয়বার আদেশ দেওয়ার পর সে নামল এবং তার জন্য ছাতু প্রস্তুত করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা পান করলেন। এরপর তিনি পূর্বদিকে হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ যখন তোমরা এদিক থেকে রাত নেমে আসতে দেখবে তখন রোযাদার ইফতার করবে।
كتاب الطلاق
باب الإِشَارَةِ فِي الطَّلاَقِ وَالأُمُورِ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ يُعَذِّبُ اللَّهُ بِدَمْعِ الْعَيْنِ وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا. فَأَشَارَ إِلَى لِسَانِهِ. وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَشَارَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ أَيْ خُذِ النِّصْفَ. وَقَالَتْ أَسْمَاءُ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكُسُوفِ، فَقُلْتُ لِعَائِشَةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ وَهْيَ تُصَلِّي، فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا إِلَى الشَّمْسِ، فَقُلْتُ آيَةٌ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ نَعَمْ. وَقَالَ أَنَسٌ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يَتَقَدَّمَ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ لاَ حَرَجَ. وَقَالَ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّيْدِ لِلْمُحْرِمِ: آحَدٌ مِنْكُمْ أَمَرَهُ أَنْ يَحْمِلَ عَلَيْهَا أَوْ أَشَارَ إِلَيْهَا. قَالُوا لاَ. قَالَ: فَكُلُوا
5297 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الحَمِيدِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ: كُنَّا فِي سَفَرٍ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا غَرَبَتِ الشَّمْسُ، قَالَ لِرَجُلٍ: «انْزِلْ [ص:52] فَاجْدَحْ لِي» قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَمْسَيْتَ، ثُمَّ قَالَ: «انْزِلْ فَاجْدَحْ» قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَمْسَيْتَ، إِنَّ عَلَيْكَ نَهَارًا، ثُمَّ قَالَ: «انْزِلْ فَاجْدَحْ» فَنَزَلَ فَجَدَحَ لَهُ فِي الثَّالِثَةِ، فَشَرِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ أَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى المَشْرِقِ، فَقَالَ: «إِذَا رَأَيْتُمُ اللَّيْلَ قَدْ أَقْبَلَ مِنْ هَا هُنَا، فَقَدْ أَفْطَرَ الصَّائِمُ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৯৮ - ৫২৯৯
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯২. ইশারার মাধ্যমে তালাক ও অন্যান্য কাজ।
ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন।
কা’ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও।
আসমা (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের নামায আদায় করেন। ‘আয়িশা (রাযিঃ) নামায আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ব্যাপার কি ? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের প্রতি ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি ? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হ্যাঁ।
আনাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা আবু বকর (রাযিঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন।
ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই।
আবু কাতাদা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) মুহরিম-এর (এহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইশারা করেছিলে ? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও।
ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন।
কা’ব ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও।
আসমা (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের নামায আদায় করেন। ‘আয়িশা (রাযিঃ) নামায আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ব্যাপার কি ? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের প্রতি ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি ? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হ্যাঁ।
আনাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা আবু বকর (রাযিঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন।
ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই।
আবু কাতাদা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) মুহরিম-এর (এহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইশারা করেছিলে ? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও।
৪৯১৬। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘উদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে-সাহরী থেকে বিরত না রাখে। কেননা, সে আযান দেয়, যাতে তোমাদের রাত্রি জাগরণকারীরা (রাতের ইবাদতকারীরা) কিছু আরাম করতে পারে। সকাল বা ফজর হয়েছে এমন কিছু বুঝানো তার উদ্দেশ্য নয়। ইয়াযীদ তার হাত দু‘টি সম্মূখে প্রসারিত করে দু-দিকে ছড়িয়ে দিলেন। (সুবহে সা’দিক কিভাবে উদ্ভাসিত হয় তা দেখানোর জন্য)।
লাঈস (রাহঃ) বলেনঃ জা‘ফর ইবনে রাবী‘আ, ‘আব্দুর রহমান ইবনে হুরমুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর কাছে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কৃপন ও দাতা ব্যক্তির দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন দু‘ব্যক্তির ন্যায়, যাদের পরিধানে বক্ষস্থল থেকে গলার হাড় পর্যন্ত লৌহ-নির্মিত পোশাক রয়েছে। দানকারী যখনই কিছু দান করে, তখনই তার শরীরে পোশাকটি বড় ও প্রশস্ত হতে থাকে, এমনকি এটা তার আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গগুলিকে ঢেকে ফেলে।
পক্ষান্তরে, কৃপণ যখনই দান করার ইচ্ছা করে, তখনই তার পোশাকের প্রতিটি হলকা চেপে যায়। সে প্রশস্ত করার চেষ্টা করলেও সেটা প্রশস্ত হয় না। এ কথা বলে তিনি নিজের আঙ্গুল দ্বারা কণ্ঠনালীর প্রতি ইশারা করলেন (অর্থাৎ দাতা ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করলে তার অন্তর প্রশস্ত হয়, সে উদার হস্তে দান করতে পারে; কিন্তু কৃপণ দান করতে ইচ্ছা করলেই তার অন্তর সংকুচিত হয়, তার হাত গুটিয়ে আসে, সে দান করতে পারে না।)
লাঈস (রাহঃ) বলেনঃ জা‘ফর ইবনে রাবী‘আ, ‘আব্দুর রহমান ইবনে হুরমুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর কাছে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কৃপন ও দাতা ব্যক্তির দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন দু‘ব্যক্তির ন্যায়, যাদের পরিধানে বক্ষস্থল থেকে গলার হাড় পর্যন্ত লৌহ-নির্মিত পোশাক রয়েছে। দানকারী যখনই কিছু দান করে, তখনই তার শরীরে পোশাকটি বড় ও প্রশস্ত হতে থাকে, এমনকি এটা তার আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গগুলিকে ঢেকে ফেলে।
পক্ষান্তরে, কৃপণ যখনই দান করার ইচ্ছা করে, তখনই তার পোশাকের প্রতিটি হলকা চেপে যায়। সে প্রশস্ত করার চেষ্টা করলেও সেটা প্রশস্ত হয় না। এ কথা বলে তিনি নিজের আঙ্গুল দ্বারা কণ্ঠনালীর প্রতি ইশারা করলেন (অর্থাৎ দাতা ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করলে তার অন্তর প্রশস্ত হয়, সে উদার হস্তে দান করতে পারে; কিন্তু কৃপণ দান করতে ইচ্ছা করলেই তার অন্তর সংকুচিত হয়, তার হাত গুটিয়ে আসে, সে দান করতে পারে না।)
كتاب الطلاق
باب الإِشَارَةِ فِي الطَّلاَقِ وَالأُمُورِ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ يُعَذِّبُ اللَّهُ بِدَمْعِ الْعَيْنِ وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا. فَأَشَارَ إِلَى لِسَانِهِ. وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَشَارَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ أَيْ خُذِ النِّصْفَ. وَقَالَتْ أَسْمَاءُ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكُسُوفِ، فَقُلْتُ لِعَائِشَةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ وَهْيَ تُصَلِّي، فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا إِلَى الشَّمْسِ، فَقُلْتُ آيَةٌ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ نَعَمْ. وَقَالَ أَنَسٌ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يَتَقَدَّمَ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ لاَ حَرَجَ. وَقَالَ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّيْدِ لِلْمُحْرِمِ: آحَدٌ مِنْكُمْ أَمَرَهُ أَنْ يَحْمِلَ عَلَيْهَا أَوْ أَشَارَ إِلَيْهَا. قَالُوا لاَ. قَالَ: فَكُلُوا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَمْنَعَنَّ أَحَدًا مِنْكُمْ نِدَاءُ بِلاَلٍ ـ أَوْ قَالَ أَذَانُهُ ـ مِنْ سَحُورِهِ، فَإِنَّمَا يُنَادِي أَوْ قَالَ يُؤَذِّنُ لِيَرْجِعَ قَائِمُكُمْ ". وَلَيْسَ أَنْ يَقُولَ كَأَنَّهُ يَعْنِي الصُّبْحَ أَوِ الْفَجْرَ، وَأَظْهَرَ يَزِيدُ يَدَيْهِ ثُمَّ مَدَّ إِحْدَاهُمَا مِنَ الأُخْرَى.
وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَثَلُ الْبَخِيلِ وَالْمُنْفِقِ كَمَثَلِ رَجُلَيْنِ عَلَيْهِمَا جُبَّتَانِ مِنْ حَدِيدٍ، مِنْ لَدُنْ ثَدْيَيْهِمَا إِلَى تَرَاقِيهِمَا، فَأَمَّا الْمُنْفِقُ فَلاَ يُنْفِقُ شَيْئًا إِلاَّ مَادَّتْ عَلَى جِلْدِهِ حَتَّى تُجِنَّ بَنَانَهُ وَتَعْفُوَ أَثَرَهُ، وَأَمَّا الْبَخِيلُ فَلاَ يُرِيدُ يُنْفِقُ إِلاَّ لَزِمَتْ كُلُّ حَلْقَةٍ مَوْضِعَهَا، فَهْوَ يُوسِعُهَا فَلاَ تَتَّسِعُ ". وَيُشِيرُ بِإِصْبَعِهِ إِلَى حَلْقِهِ.
وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَثَلُ الْبَخِيلِ وَالْمُنْفِقِ كَمَثَلِ رَجُلَيْنِ عَلَيْهِمَا جُبَّتَانِ مِنْ حَدِيدٍ، مِنْ لَدُنْ ثَدْيَيْهِمَا إِلَى تَرَاقِيهِمَا، فَأَمَّا الْمُنْفِقُ فَلاَ يُنْفِقُ شَيْئًا إِلاَّ مَادَّتْ عَلَى جِلْدِهِ حَتَّى تُجِنَّ بَنَانَهُ وَتَعْفُوَ أَثَرَهُ، وَأَمَّا الْبَخِيلُ فَلاَ يُرِيدُ يُنْفِقُ إِلاَّ لَزِمَتْ كُلُّ حَلْقَةٍ مَوْضِعَهَا، فَهْوَ يُوسِعُهَا فَلاَ تَتَّسِعُ ". وَيُشِيرُ بِإِصْبَعِهِ إِلَى حَلْقِهِ.
হাদীস নং: ৪৯১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০০
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৩. লি‘আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)।
মহান আল্লাহর বাণীঃ “যারা তাদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ আরোপ করবে, আবার নিজেরা ছাড়া অন্য কোন সাক্ষীও থাকবে না ..... থেকে যদি সে সত্যবাদী’’ পর্যন্ত। যদি কোন বোবা (মূক) লোক লিখিতভাবে বা ইশারায় কিংবা কোন পরিচিত ইঙ্গিতের মাধ্যমে নিজ স্ত্রীকে অপবাদ দেয়, তাহলে তার হুকুম বাকশক্তি সম্পন্ন মানুষের মতই। কেননা নবী (ﷺ) ফরয বিষয়গুলিতে ইশারা করার অনুমতি দিয়েছেন। হিজাজ ও অন্যান্য স্থানের কিছু সংখ্যক আলিমেরও এ মত। আল্লাহ্ বলেছেনঃ “সে (মারইয়াম) সন্তানের প্রতি ইশারা করলো, লোকেরা বলল, দোলনার শিশুর সাথে আমরা কিভাবে কথোপকথন করবো?
যাহ্হাক বলেনঃ ইঙ্গিত এবং ইশারার মাধ্যমে। কিছু লোকের মন্তব্য হলোঃ ইশারার মাধ্যমে কোন হদ্ (শরয়ী’ দন্ড) বা লি‘আন নেই, আবার তাদেরই মত হলো লিখিতভাবে কিংবা ইশারা ইঙ্গিতে তালাক দেয়া জায়েয আছে। অথচ তালাক এবং অপবাদের মধ্যে কোন ব্যবধান নেই। যদি তারা বলেঃ কথা বলা ছাড়া তো অপবাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে তো তালাক দেওয়া, অপবাদ দেওয়া এমনিভাবে গোলাম আযাদ করা, কোনটাই ইশারার মাধ্যমে জায়েয হতে পারে না। অথচ আমরা দেখি বধির ব্যক্তিও লি‘আন করতে পারে। শা’বী ও কাতাদা (রাহঃ) বলেনঃ যদি কেউ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে তার স্ত্রীকে বলে, তুমি তালাকপ্রাপ্তা, তাহলে ইশারার দ্বারা স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
ইবরাহীম বলেনঃ বোবা ব্যক্তি স্বহস্তে তালাকপ্রাপ্ত লিপিবদ্ধ করলে অবশ্যই তালাক হবে।
হাম্মাদ বলেনঃ বোবা এবং বধির মাথার ইঙ্গিতে বললেও জায়েয হবে।
মহান আল্লাহর বাণীঃ “যারা তাদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ আরোপ করবে, আবার নিজেরা ছাড়া অন্য কোন সাক্ষীও থাকবে না ..... থেকে যদি সে সত্যবাদী’’ পর্যন্ত। যদি কোন বোবা (মূক) লোক লিখিতভাবে বা ইশারায় কিংবা কোন পরিচিত ইঙ্গিতের মাধ্যমে নিজ স্ত্রীকে অপবাদ দেয়, তাহলে তার হুকুম বাকশক্তি সম্পন্ন মানুষের মতই। কেননা নবী (ﷺ) ফরয বিষয়গুলিতে ইশারা করার অনুমতি দিয়েছেন। হিজাজ ও অন্যান্য স্থানের কিছু সংখ্যক আলিমেরও এ মত। আল্লাহ্ বলেছেনঃ “সে (মারইয়াম) সন্তানের প্রতি ইশারা করলো, লোকেরা বলল, দোলনার শিশুর সাথে আমরা কিভাবে কথোপকথন করবো?
যাহ্হাক বলেনঃ ইঙ্গিত এবং ইশারার মাধ্যমে। কিছু লোকের মন্তব্য হলোঃ ইশারার মাধ্যমে কোন হদ্ (শরয়ী’ দন্ড) বা লি‘আন নেই, আবার তাদেরই মত হলো লিখিতভাবে কিংবা ইশারা ইঙ্গিতে তালাক দেয়া জায়েয আছে। অথচ তালাক এবং অপবাদের মধ্যে কোন ব্যবধান নেই। যদি তারা বলেঃ কথা বলা ছাড়া তো অপবাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে তো তালাক দেওয়া, অপবাদ দেওয়া এমনিভাবে গোলাম আযাদ করা, কোনটাই ইশারার মাধ্যমে জায়েয হতে পারে না। অথচ আমরা দেখি বধির ব্যক্তিও লি‘আন করতে পারে। শা’বী ও কাতাদা (রাহঃ) বলেনঃ যদি কেউ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে তার স্ত্রীকে বলে, তুমি তালাকপ্রাপ্তা, তাহলে ইশারার দ্বারা স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
ইবরাহীম বলেনঃ বোবা ব্যক্তি স্বহস্তে তালাকপ্রাপ্ত লিপিবদ্ধ করলে অবশ্যই তালাক হবে।
হাম্মাদ বলেনঃ বোবা এবং বধির মাথার ইঙ্গিতে বললেও জায়েয হবে।
৪৯১৭। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের বলব কি, আনসারদের মধ্যে সর্বোত্তম গোত্র কোনটি? তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ হাঁ বলুন। তিনি বললেনঃ তারা বনু নাজ্জার। এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী, বনু আব্দুল আশহাল, এরপর তাদের নিকটবর্তী যারা বনু হারিস ইবনে খাযরাজ। এরপর তাদের সন্নিকটে যারা বনু সাঈদা। এরপর তিনি হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। হাতের আঙ্গুলগুলোকে সংকুচিত করে পূনরায় তা সাম্প্রসারিত করলেন। যেমন কেউ কিছু নিক্ষেপকালে করে থাকে। এরপর বলেনঃ আনসারদের প্রত্যেকটি গোত্রেই কল্যাণ নিহিত আছে।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلاَّ أَنْفُسُهُمْ} إِلَى قَوْلِهِ: {مِنَ الصَّادِقِينَ}، فَإِذَا قَذَفَ الأَخْرَسُ امْرَأَتَهُ بِكِتَابَةٍ أَوْ إِشَارَةٍ أَوْ بِإِيمَاءٍ مَعْرُوفٍ، فَهْوَ كَالْمُتَكَلِّمِ، لأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَجَازَ الإِشَارَةَ فِي الْفَرَائِضِ، وَهْوَ قَوْلُ بَعْضِ أَهْلِ الْحِجَازِ وَأَهْلِ الْعِلْمِ، وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {فَأَشَارَتْ إِلَيْهِ قَالُوا كَيْفَ نُكَلِّمُ مَنْ كَانَ فِي الْمَهْدِ صَبِيًّا}. وَقَالَ الضَّحَّاكُ: {إِلاَّ رَمْزًا} إِشَارَةً. وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لاَ حَدَّ وَلاَ لِعَانَ. ثُمَّ زَعَمَ أَنَّ الطَّلاَقَ بِكِتَابٍ أَوْ إِشَارَةٍ أَوْ إِيمَاءٍ جَائِزٌ، وَلَيْسَ بَيْنَ الطَّلاَقِ وَالْقَذْفِ فَرْقٌ، فَإِنْ قَالَ الْقَذْفُ لاَ يَكُونُ إِلاَّ بِكَلاَمٍ. قِيلَ لَهُ كَذَلِكَ الطَّلاَقُ لاَ يَجُوزُ إِلاَّ بِكَلاَمٍ، وَإِلاَّ بَطَلَ الطَّلاَقُ وَالْقَذْفُ، وَكَذَلِكَ الْعِتْقُ، وَكَذَلِكَ الأَصَمُّ يُلاَعِنُ. وَقَالَ الشَّعْبِيُّ وَقَتَادَةُ إِذَا قَالَ أَنْتِ طَالِقٌ. فَأَشَارَ بِأَصَابِعِهِ، تَبِينُ مِنْهُ بِإِشَارَتِهِ. وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ الأَخْرَسُ إِذَا كَتَبَ الطَّلاَقَ بِيَدِهِ لَزِمَهُ. وَقَالَ حَمَّادٌ الأَخْرَسُ وَالأَصَمُّ إِنْ قَالَ بِرَأْسِهِ جَازَ
5300 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ دُورِ الأَنْصَارِ؟» قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «بَنُو النَّجَّارِ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ بَنُو عَبْدِ الأَشْهَلِ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ بَنُو الحَارِثِ بْنِ الخَزْرَجِ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ بَنُو سَاعِدَةَ» ثُمَّ قَالَ [ص:53] بِيَدِهِ فَقَبَضَ أَصَابِعَهُ، ثُمَّ بَسَطَهُنَّ كَالرَّامِي بِيَدِهِ، ثُمَّ قَالَ: «وَفِي كُلِّ دُورِ الأَنْصَارِ خَيْرٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০১
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৩. লি‘আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)।
৪৯১৮। ‘আলী ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবী সাহল ইবনে সা’দ-সাঈদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার আবির্ভাব এবং কিয়ামতের মাঝে দুরত্ব এ আঙ্গুল থেকে এ আঙ্গুলের দূরত্বের ন্যায়। কিংবা তিনি বলেনঃ এ দু’টির দূরত্বের ন্যায়। এই বলে তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল দু’টি মিলিত করলেন।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ
5301 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ أَبُو حَازِمٍ: سَمِعْتُهُ مِنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَذِهِ مِنْ هَذِهِ، أَوْ: كَهَاتَيْنِ " وَقَرَنَ بَيْنَ السَّبَّابَةِ وَالوُسْطَى
হাদীস নং: ৪৯১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০২
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৩. লি‘আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)।
৪৯১৯। আদম (রাহঃ) ......... ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মাস এত, এত এবং এত দিনে হয়, অর্থাৎ ত্রিশ দিনে। তিনি আবার বললেন মাস এত, এত ও এত দিনেও হয়। অর্থাৎ উনত্রিশ দিনে। তিনি বলতেনঃ কখনও ত্রিশ দিনে আবার কখনও উনত্রিশ দিনে মাস হয়।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ
5302 - حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا جَبَلَةُ بْنُ سُحَيْمٍ، سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:: «الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا» - يَعْنِي: ثَلاَثِينَ - ثُمَّ قَالَ: «وَهَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا» - يَعْنِي تِسْعًا وَعِشْرِينَ - يَقُولُ: مَرَّةً ثَلاَثِينَ، وَمَرَّةً تِسْعًا وَعِشْرِينَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৩
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৩. লি‘আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)।
৪৯২০। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... আবু মাস’উদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) স্বীয় হাত দ্বারা ইয়ামানের দিকে ইশারা করে দু’বার বললেনঃ ঈমান ওখানে। জেনে রেখ! হৃদয়ের কঠোরতা ও কাঠিন্য উট পালনকারীদের মধ্যে (কৃষকদের মধ্যে)। যে দিকে শয়তানের দুটি শিং উদিত হবে তাহলো (কঠোর হৃদয়) রাবী’আ ও মুযার গোত্রদ্বয়।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ
5303 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ المُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ: وَأَشَارَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ نَحْوَ اليَمَنِ: «الإِيمَانُ هَا هُنَا - مَرَّتَيْنِ - أَلاَ وَإِنَّ القَسْوَةَ وَغِلَظَ القُلُوبِ فِي الفَدَّادِينَ - حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنَا الشَّيْطَانِ - رَبِيعَةَ وَمُضَرَ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৪৯২১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৪
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৩. লি‘আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)।
৪৯২১। ‘আমর ইবনে যুরারা (রাহঃ) ......... সাহল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি ও ইয়াতীমের প্রতিপালনকারী জান্নাতে এরূপ নিকটে থাকব। এই বলে তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল দু’টি দ্বারা ইশারা করলেন এবং এ দু’টির মাঝে সামান্য ফাঁক রাখলেন।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ
5304 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَأَنَا وَكَافِلُ اليَتِيمِ فِي الجَنَّةِ هَكَذَا» وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ وَالوُسْطَى، وَفَرَّجَ بَيْنَهُمَا شَيْئًا
হাদীস নং: ৪৯২২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৫
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৪. ইঙ্গিতে সন্তান অস্বীকার করা।
৪৯২২। ইয়াহয়া ইবনে কাযা’আ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ) -এর কাছে এসে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার একটি কালো সন্তান জন্মেছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার কিছু উট আছে কি? সে উত্তর করলঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ সেগুলোর রং কেমন? সে বললঃ লাল। তিনি বললেনঃ সেগুলোর মধ্যে কোনটি ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তবে সেটিতে এমন বর্ণ কোথেকে এলো? লোকটি বললঃ সম্ভবতঃ পূর্ববর্তী বংশের কারণে এরূপ হয়েছে। তিনি বললেনঃ তাহলে হতে পারে, তোমার এ সন্তানও বংশগত কারণে এরূপ হয়েছে।
كتاب الطلاق
باب إِذَا عَرَّضَ بِنَفْىِ الْوَلَدِ
5305 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ قَزَعَةَ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ المُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وُلِدَ لِي غُلاَمٌ أَسْوَدُ، فَقَالَ: «هَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «مَا أَلْوَانُهَا؟» قَالَ: حُمْرٌ، قَالَ: «هَلْ فِيهَا مِنْ أَوْرَقَ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «فَأَنَّى ذَلِكَ؟» قَالَ: لَعَلَّهُ نَزَعَهُ عِرْقٌ، قَالَ: «فَلَعَلَّ ابْنَكَ هَذَا نَزَعَهُ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৬
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৫. লি’আনকারীকে শপথ করানো
৪৯২৩। মুসা ইবনে ইসমা’ঈল (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আনসারদের জনৈক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল। নবী (ﷺ) উভয়কে শপথ করালেন এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন।
كتاب الطلاق
باب إِحْلاَفِ الْمُلاَعِنِ
5306 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «أَنَّ رَجُلًا مِنَ الأَنْصَارِ قَذَفَ امْرَأَتَهُ، فَأَحْلَفَهُمَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৭
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৬. পুরুষকে প্রথমে লি’আন করানো হবে।
৪৯২৪। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, হিলাল ইবনে উমাইয়্যা তার স্ত্রীকে (যিনার) অপবাদ দেয়। তিনি এসে সাক্ষ্য দিলেন। নবী (ﷺ) বলনঃ আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই জানেন তোমাদের দু’জনের একজন নিঃসন্দেহে মিথ্যাবাদী। অতএব কে তাওবা করতে প্রস্তুত আছ? এরপর স্ত্রী দাঁড়াল এবং সাক্ষ্য দিল (সে দোষমুক্ত)।
كتاب الطلاق
باب يَبْدَأُ الرَّجُلُ بِالتَّلاَعُنِ
5307 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ هِلاَلَ بْنَ أُمَيَّةَ قَذَفَ امْرَأَتَهُ، فَجَاءَ فَشَهِدَ، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ، فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ؟» ثُمَّ قَامَتْ فَشَهِدَتْ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৮
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৭. লি’আন এবং লি’আনের পর তালাক দেওয়া
৪৯২৫। ইসমা‘ঈল (রাহঃ) ......... সাহল ইবনে সা‘দ সা‘ঈদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, উওয়াইমির আজলানী (রাযিঃ) ‘আসিম ইবনে ‘আদী আনসারী (রাযিঃ) -এর কাছে এসে বললেনঃ হে ‘আসিম! কি বল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অপর ব্যক্তিকে (ব্যভিচার-রত অবস্থায়) পায় তবে সে কি তাকে হত্যা করবে? আর এতে তোমরাও কি তাকে হত্যা করবে? (যদি সে হত্যা না করে) তাহলে কি করবে? হে ‘আসিম! তুমি আমার এ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা কর। এরপর ‘আসিম (রাযিঃ) এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ধরনের জিজ্ঞাসাকে অপছন্দ করলেন এবং অশোভনীয় মনে করলেন। এমন কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে ‘আসিম (রাযিঃ) যা শুনলেন তাতে তার খুব খারাপ লাগল।
‘আসিম (রাযিঃ) গৃহে প্রত্যাবর্তন করলে উওয়াইমির এসে জিজ্ঞাসা করলঃ হে ‘আসিম? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাকে কি উত্তর দিলেন। ‘আসিম (রাযিঃ) উওয়াইমিরকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে কোন ভাল কাজ নিয়ে আসনি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ধরনের জিজ্ঞাসাকে অপছন্দ করেছেন, সে সম্বন্ধে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি। উওয়াইমির (রাযিঃ) বললেন আল্লাহর শপথ তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করে ক্ষ্যান্ত হব না।
এরপর উওয়াইমির (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কাছে এসে তাঁকে লোকদের মাঝে পেলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কী বলেন, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর ব্যক্তিকে (ব্যভিচার-রত) দেখতে পায় সে কি তাকে হত্যা করবে? আর আপনারাও কি তাকে হত্যার বদলে হত্যা করবেন? অন্যথায় সে কি করবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে আয়াত অবর্তীর্ণ হয়েছে যাও তাকে নিয়ে এসো।
সাহল (রাযিঃ) বলেন, তারা উভয়ে লি‘আন করল। সে সময় আমি লোকদের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকটে ছিলাম। উভয়ে লি‘আন করা সমাপ্ত করলে উওয়াইমির বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আমি তাকে (স্ত্রী হিসাবে) রাখি, তবে আমি তার উপর মিথ্যা আরোপ করেছি বলে প্রমাণিত হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে নির্দেশ দেওয়ার পূর্বেই তিনি স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন।
ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেনঃ উভয়কে পৃথক করে দেওয়াই পরবর্তীতে লি‘আন কারীদ্বয়ের হুকুম হিসাবে পরিগণিত হল।
‘আসিম (রাযিঃ) গৃহে প্রত্যাবর্তন করলে উওয়াইমির এসে জিজ্ঞাসা করলঃ হে ‘আসিম? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাকে কি উত্তর দিলেন। ‘আসিম (রাযিঃ) উওয়াইমিরকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে কোন ভাল কাজ নিয়ে আসনি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ ধরনের জিজ্ঞাসাকে অপছন্দ করেছেন, সে সম্বন্ধে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি। উওয়াইমির (রাযিঃ) বললেন আল্লাহর শপথ তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করে ক্ষ্যান্ত হব না।
এরপর উওয়াইমির (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কাছে এসে তাঁকে লোকদের মাঝে পেলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কী বলেন, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর ব্যক্তিকে (ব্যভিচার-রত) দেখতে পায় সে কি তাকে হত্যা করবে? আর আপনারাও কি তাকে হত্যার বদলে হত্যা করবেন? অন্যথায় সে কি করবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে আয়াত অবর্তীর্ণ হয়েছে যাও তাকে নিয়ে এসো।
সাহল (রাযিঃ) বলেন, তারা উভয়ে লি‘আন করল। সে সময় আমি লোকদের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকটে ছিলাম। উভয়ে লি‘আন করা সমাপ্ত করলে উওয়াইমির বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আমি তাকে (স্ত্রী হিসাবে) রাখি, তবে আমি তার উপর মিথ্যা আরোপ করেছি বলে প্রমাণিত হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে নির্দেশ দেওয়ার পূর্বেই তিনি স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন।
ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেনঃ উভয়কে পৃথক করে দেওয়াই পরবর্তীতে লি‘আন কারীদ্বয়ের হুকুম হিসাবে পরিগণিত হল।
كتاب الطلاق
باب اللِّعَانِ وَمَنْ طَلَّقَ بَعْدَ اللِّعَانِ
5308 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ، أَخْبَرَهُ: أَنَّ عُوَيْمِرًا العَجْلاَنِيَّ جَاءَ إِلَى عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ الأَنْصَارِيِّ، فَقَالَ لَهُ: يَا عَاصِمُ، أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا، أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ، أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ؟ سَلْ لِي يَا عَاصِمُ عَنْ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَ [ص:54] عَاصِمٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المَسَائِلَ وَعَابَهَا، حَتَّى كَبُرَ عَلَى عَاصِمٍ مَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا رَجَعَ عَاصِمٌ إِلَى أَهْلِهِ جَاءَهُ عُوَيْمِرٌ، فَقَالَ: يَا عَاصِمُ، مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ عَاصِمٌ لِعُوَيْمِرٍ: لَمْ تَأْتِنِي بِخَيْرٍ، قَدْ كَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المَسْأَلَةَ الَّتِي سَأَلْتُهُ عَنْهَا، فَقَالَ عُوَيْمِرٌ: وَاللَّهِ لاَ أَنْتَهِي حَتَّى أَسْأَلَهُ عَنْهَا، فَأَقْبَلَ عُوَيْمِرٌ حَتَّى جَاءَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَطَ النَّاسِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا، أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ، أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أُنْزِلَ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ، فَاذْهَبْ فَأْتِ بِهَا» قَالَ سَهْلٌ: فَتَلاَعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا فَرَغَا مِنْ تَلاَعُنِهِمَا، قَالَ عُوَيْمِرٌ: كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا، فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا، قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَكَانَتْ سُنَّةَ المُتَلاَعِنَيْنِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০৯
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৮. মসজিদে লি‘আন করা
৪৯২৬। ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... ইবনে জুরাইজ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ইবনে শিহাব (রাহঃ) লি‘আন ও তার হুকুম সম্বন্ধে সা’দ গোত্রের সাহল ইবনে সা’দ (রাযিঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, আনসারদের জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কাছে এসে বলল ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি কি বলেন, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অপর ব্যক্তিকে দেখতে পায়, তবে কি সে তাকে হত্যা করবে? অথবা কি করবে? এরপর আল্লাহ তা‘আলা তার ব্যাপারে কুরআনে উল্লেখিত লি‘আনের বিধান অবতীর্ণ করেন। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ আল্লাহ তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছেন।
রাবী বলেনঃ আমি উপস্থিত থাকতেই তারা উভয়ে মসজিদে লি‘আন করল। উভয়ের লি‘আন কাজ সমাধা হলে সে ব্যক্তি বললঃ ইয়া রাসুলাল্লা! যদি আমি তাকে স্ত্রী হিসাবে রেখে দেই; তবে তার উপর মিথ্যারোপ করেছি বলে সাব্যস্ত হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে আদেশ দেয়ার পূর্বেই সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সামনেই তারা পৃথক হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ এই সম্পর্কোচ্ছেদই লি‘আনকারীদ্বয়ের জন্য বিধান।
ইবনে জুরাইজ বলেনঃ ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেছেনঃ তাদের পর লি‘আনকারীদ্বয়ের মধো পৃথক করার হুকুম প্রবর্তিত হয়। উপরোক্ত মহিলা ছিল সন্তান সম্ভবা। তার বাচ্চাকে মায়ের পরিচয়ে ডাকা হত। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর উত্তরাধিকারের ব্যাপারেও হুকুম প্রবর্তিত হল যে, মহিলা সন্তানের উত্তরাধিকারী হবে এবং সন্তানও তার উত্তরাধিকারী হবে, যতটুকু আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করেছেন।
হাদীসে ইবনে জুরাইজ, ইবনে শিহাবের সূত্রে সাহল ইবনে সা’দ সা‘ঈদী থেকে বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যদি ঐ মহিলা ওহরার (এক প্রকার ছোট প্রাণী) এর মতো লাল ও বেটে সন্তান প্রসব করে, তবে বুঝবো মহিলাই সত্য বলেছে, আর সেই তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আর যদি সে কালো চক্ষু বিশিষ্ট বড় নিতম্বযুক্ত সন্তান প্রসব করে, তবে বুঝবো, সে ব্যক্তি সত্যই বলেছে। পরে মহিলাটি কালো সন্তানই প্রসব করেছিল।
রাবী বলেনঃ আমি উপস্থিত থাকতেই তারা উভয়ে মসজিদে লি‘আন করল। উভয়ের লি‘আন কাজ সমাধা হলে সে ব্যক্তি বললঃ ইয়া রাসুলাল্লা! যদি আমি তাকে স্ত্রী হিসাবে রেখে দেই; তবে তার উপর মিথ্যারোপ করেছি বলে সাব্যস্ত হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে আদেশ দেয়ার পূর্বেই সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সামনেই তারা পৃথক হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ এই সম্পর্কোচ্ছেদই লি‘আনকারীদ্বয়ের জন্য বিধান।
ইবনে জুরাইজ বলেনঃ ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেছেনঃ তাদের পর লি‘আনকারীদ্বয়ের মধো পৃথক করার হুকুম প্রবর্তিত হয়। উপরোক্ত মহিলা ছিল সন্তান সম্ভবা। তার বাচ্চাকে মায়ের পরিচয়ে ডাকা হত। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর উত্তরাধিকারের ব্যাপারেও হুকুম প্রবর্তিত হল যে, মহিলা সন্তানের উত্তরাধিকারী হবে এবং সন্তানও তার উত্তরাধিকারী হবে, যতটুকু আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করেছেন।
হাদীসে ইবনে জুরাইজ, ইবনে শিহাবের সূত্রে সাহল ইবনে সা’দ সা‘ঈদী থেকে বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যদি ঐ মহিলা ওহরার (এক প্রকার ছোট প্রাণী) এর মতো লাল ও বেটে সন্তান প্রসব করে, তবে বুঝবো মহিলাই সত্য বলেছে, আর সেই তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আর যদি সে কালো চক্ষু বিশিষ্ট বড় নিতম্বযুক্ত সন্তান প্রসব করে, তবে বুঝবো, সে ব্যক্তি সত্যই বলেছে। পরে মহিলাটি কালো সন্তানই প্রসব করেছিল।
كتاب الطلاق
باب التَّلاَعُنِ فِي الْمَسْجِدِ
5309 - حَدَّثَنَا يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنِ المُلاَعَنَةِ، وَعَنِ السُّنَّةِ فِيهَا، عَنْ حَدِيثِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، أَخِي بَنِي سَاعِدَةَ: أَنَّ رَجُلًا مِنَ الأَنْصَارِ جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا، أَيَقْتُلُهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ؟ فَأَنْزَلَ اللَّهُ فِي شَأْنِهِ مَا ذَكَرَ فِي القُرْآنِ مِنْ أَمْرِ المُتَلاَعِنَيْنِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ قَضَى اللَّهُ فِيكَ وَفِي امْرَأَتِكَ» قَالَ: فَتَلاَعَنَا فِي المَسْجِدِ وَأَنَا شَاهِدٌ، فَلَمَّا فَرَغَا قَالَ: كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا، فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا، قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ فَرَغَا مِنَ التَّلاَعُنِ، فَفَارَقَهَا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: ذَاكَ تَفْرِيقٌ بَيْنَ كُلِّ مُتَلاَعِنَيْنِ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَكَانَتِ السُّنَّةُ بَعْدَهُمَا أَنْ يُفَرَّقَ بَيْنَ المُتَلاَعِنَيْنِ. وَكَانَتْ حَامِلًا، وَكَانَ ابْنُهَا يُدْعَى لِأُمِّهِ، قَالَ: ثُمَّ جَرَتِ السُّنَّةُ فِي مِيرَاثِهَا أَنَّهَا تَرِثُهُ وَيَرِثُ مِنْهَا مَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ فِي هَذَا الحَدِيثِ، إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنْ جَاءَتْ بِهِ أَحْمَرَ قَصِيرًا، كَأَنَّهُ وَحَرَةٌ، فَلاَ أُرَاهَا إِلَّا قَدْ صَدَقَتْ وَكَذَبَ عَلَيْهَا، وَإِنْ جَاءَتْ بِهِ أَسْوَدَ أَعْيَنَ، ذَا أَلْيَتَيْنِ، فَلاَ أُرَاهُ إِلَّا قَدْ صَدَقَ عَلَيْهَا» فَجَاءَتْ بِهِ عَلَى المَكْرُوهِ مِنْ ذَلِكَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১০
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯৯. নবী (ﷺ) -এর উক্তিঃ আমি যদি প্রমাণ ছাড়া রজম করতাম।
৪৯২৭। সা‘ঈদ ইবনে উফায়র (রাহঃ) ......... ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে নবী (ﷺ) -এর কাছে লি‘আন করার প্রসঙ্গ আলোচিত হল। ‘আসিম ইবনে ‘আদী (রাযিঃ) এ ব্যাপারে একটি কথা জিজ্ঞাসা করে চলে গেলেন। এরপর তার গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে অভিযোগ করল যে সে তার স্ত্রীর সাথে অপর এক ব্যক্তিকে পেয়েছে। ‘আসিম (রাযিঃ) বললেনঃ অযথা জিজ্ঞাসার কারণেই আমি এধরনের বিপদে পড়লাম। এরপর তিনি লোকটিকে নিয়ে নবী (ﷺ) -এর কাছে গেলেন এবং অভিযোগকারীর বিষয়টি তাকে অবহিত করলেন। লোকটি ছিল হলদে-হালকা দেহ সোজা চুল বিশিষ্ট। আর ঐ লোকটি যাকে তার স্ত্রীর কাছে পেয়েছে বলে সে অভিযূক্ত করে, সে ছিল প্রায় কালো, মোটা ধরনের, স্থুল দেহের অধিকারী।
নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ! সমস্যাটি সমাধান করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতি বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করল যাকে তার স্বামী তার কাছে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিল। নবী (ﷺ) তাদের (স্বামী-স্ত্রী) উভয়কে লি‘আন করালেন। এক ব্যক্তি ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) কে সে বৈঠকেই জিজ্ঞাসা করল, এ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেন “আমি যদি কাউকে বিনা প্রমাণে রজম করতাম তবে একেই রজম করতাম”। ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বললেনঃ না। সে ছিল (অন্য এক) মহিলা, যে মুসলিম সমাজে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত থাকত।
নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ! সমস্যাটি সমাধান করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতি বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করল যাকে তার স্বামী তার কাছে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিল। নবী (ﷺ) তাদের (স্বামী-স্ত্রী) উভয়কে লি‘আন করালেন। এক ব্যক্তি ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) কে সে বৈঠকেই জিজ্ঞাসা করল, এ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেন “আমি যদি কাউকে বিনা প্রমাণে রজম করতাম তবে একেই রজম করতাম”। ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বললেনঃ না। সে ছিল (অন্য এক) মহিলা, যে মুসলিম সমাজে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত থাকত।
كتاب الطلاق
باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لَوْ كُنْتُ رَاجِمًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ "
5310 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ [ص:55] بْنِ القَاسِمِ، عَنِ القَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ ذُكِرَ التَّلاَعُنُ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ عَاصِمُ بْنُ عَدِيٍّ فِي ذَلِكَ قَوْلًا ثُمَّ انْصَرَفَ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِهِ يَشْكُو إِلَيْهِ أَنَّهُ قَدْ وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا، فَقَالَ عَاصِمٌ: مَا ابْتُلِيتُ بِهَذَا الأَمْرِ إِلَّا لِقَوْلِي، فَذَهَبَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي وَجَدَ عَلَيْهِ امْرَأَتَهُ، وَكَانَ ذَلِكَ الرَّجُلُ مُصْفَرًّا قَلِيلَ اللَّحْمِ سَبْطَ الشَّعَرِ، وَكَانَ الَّذِي ادَّعَى عَلَيْهِ أَنَّهُ وَجَدَهُ عِنْدَ أَهْلِهِ خَدْلًا آدَمَ كَثِيرَ اللَّحْمِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ بَيِّنْ» فَجَاءَتْ شَبِيهًا بِالرَّجُلِ الَّذِي ذَكَرَ زَوْجُهَا أَنَّهُ وَجَدَهُ، فَلاَعَنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَهُمَا. قَالَ رَجُلٌ لِابْنِ عَبَّاسٍ فِي المَجْلِسِ: هِيَ الَّتِي قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ رَجَمْتُ أَحَدًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ، رَجَمْتُ هَذِهِ» فَقَالَ: لاَ، تِلْكَ امْرَأَةٌ كَانَتْ تُظْهِرُ فِي الإِسْلاَمِ السُّوءَ قَالَ أَبُو صَالِحٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ: آدَمَ خَدِلًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১১
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০০. লি‘আনকারিণীর মোহর
৪৯২৮। আমর ইবনে যুরারা (রাহঃ) ......... সা‘ঈদ ইবনে জুবাইর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে ‘উমরকে জিজ্ঞাসা করলাম, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল- (তার বিধান কি?) তিনি বললেন, নবী (ﷺ) বনু আজলানের স্বামী-স্ত্রীর দু’জনকে পৃথক করে দিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সুতরাং তোমাদের কেউ তাওবা করতে রাযী আছ কি? তারা দু’জনেই অস্বীকার করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী সুতরাং কেউ তাওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? তারা আবারও অস্বীকার করল। এরপর তিনি তাদেরকে পৃথক করে দেন।
আইয়্যুব বলেনঃ আমাকে ‘আমর ইবনে দীনার (রাহঃ) বললেন এ হাদীসে আরও কিছু কথা আছে তোমাকে তা বর্ণনা করতে দেখছি না কেন? তিনি বলেন লোকটি বললঃ আমার (দেওয়া) মালের (মোহর) কি হবে? তাকে বলা হল, তোমার মাল ফিরে পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও (তবুও পাবে না) (কেননা) তুমি তার সাথে সহবাস করেছ। আর যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও, তবে তা পাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না।
আইয়্যুব বলেনঃ আমাকে ‘আমর ইবনে দীনার (রাহঃ) বললেন এ হাদীসে আরও কিছু কথা আছে তোমাকে তা বর্ণনা করতে দেখছি না কেন? তিনি বলেন লোকটি বললঃ আমার (দেওয়া) মালের (মোহর) কি হবে? তাকে বলা হল, তোমার মাল ফিরে পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও (তবুও পাবে না) (কেননা) তুমি তার সাথে সহবাস করেছ। আর যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও, তবে তা পাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না।
كتاب الطلاق
باب صَدَاقِ الْمُلاَعَنَةِ
5311 - حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ: رَجُلٌ قَذَفَ امْرَأَتَهُ، فَقَالَ: فَرَّقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَخَوَيْ بَنِي العَجْلاَنِ، وَقَالَ: «اللَّهُ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ، فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ» فَأَبَيَا، وَقَالَ: «اللَّهُ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ، فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ» فَأَبَيَا، فَقَالَ: «اللَّهُ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ، فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ» فَأَبَيَا، فَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا قَالَ أَيُّوبُ: فَقَالَ لِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، إِنَّ فِي الحَدِيثِ شَيْئًا لاَ أَرَاكَ تُحَدِّثُهُ؟ قَالَ: قَالَ الرَّجُلُ مَالِي؟ قَالَ: قِيلَ: «لاَ مَالَ لَكَ، إِنْ كُنْتَ صَادِقًا فَقَدْ دَخَلْتَ بِهَا، وَإِنْ كُنْتَ كَاذِبًا فَهُوَ أَبْعَدُ مِنْكَ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১২
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০১. লি‘আনকারীদ্বয়কে ইমামের একথা বলা যে, নিশ্চয় তোমাদের কোন একজন মিথ্যাবাদী, তাই তোমাদের কেউ তাওবা করতে প্রস্তুত আছ কি ?
৪৯২৯। ‘আলী ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... সা‘ঈদ ইবনে যুবাইর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি লি‘আনকারীদ্বয় সম্পর্কে ইবনে ‘উমরকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেনঃ নবী (ﷺ) লি‘আনকায়ীদ্বয়কে লক্ষ্য করে বলেছিলেনঃ তোমাদের হিসাব গ্রহণের দায়িত্ব আল্লাহরই। তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। তার (স্ত্রীর) উপর তোমার কোন অধিকার নেই। লোকটি বললঃ তবে আমার মাল (মোহর হিসেবে প্রদত্ত)? তিনি বললেনঃ তুমি কোন মাল পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও তাহলে এর বিনিময়ে তুমি তার লজ্জাস্থানকে হালাল করে নিয়েছিলে। আর যদি তার উপর মিথ্যারোপ করে থাক তবে তো মাল চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
সুফিয়ান বলেনঃ আমি এ হাদীস আমর (রাযিঃ) এর কাছ থেকে মুখস্থ করেছি। আইয়্যুব বলেনঃ আমি সা‘ঈদ ইবনে জুবাইর-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে লি‘আন করল (এখন তাদের বিধান কি?) তিনি তার দু’আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ সুফিয়ান তার তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল ফাঁক করলেন নবী (ﷺ) বনু আজলানের এক দম্পত্তির বৈবাহিক সম্পর্ক এভাবে ছিন্ন করে দেন এবং বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন যে, তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সুতরাং কেউ তাওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? এভাবে তিনি তিনবার বললেন। সুফিয়ান বলেনঃ আমি তোমাকে যেভাবে হাদীসটি শুনাচ্ছি এভাবেই আমি আমর ও আইয়্যুব (রাযিঃ) থেকে মুখস্থ করেছি।
সুফিয়ান বলেনঃ আমি এ হাদীস আমর (রাযিঃ) এর কাছ থেকে মুখস্থ করেছি। আইয়্যুব বলেনঃ আমি সা‘ঈদ ইবনে জুবাইর-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে লি‘আন করল (এখন তাদের বিধান কি?) তিনি তার দু’আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ সুফিয়ান তার তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল ফাঁক করলেন নবী (ﷺ) বনু আজলানের এক দম্পত্তির বৈবাহিক সম্পর্ক এভাবে ছিন্ন করে দেন এবং বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন যে, তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সুতরাং কেউ তাওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? এভাবে তিনি তিনবার বললেন। সুফিয়ান বলেনঃ আমি তোমাকে যেভাবে হাদীসটি শুনাচ্ছি এভাবেই আমি আমর ও আইয়্যুব (রাযিঃ) থেকে মুখস্থ করেছি।
كتاب الطلاق
باب قَوْلِ الإِمَامِ لِلْمُتَلاَعِنَيْنِ إِنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ
5312 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ عَمْرٌو: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ، عَنْ حَدِيثِ المُتَلاَعِنَيْنِ، فَقَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمُتَلاَعِنَيْنِ: «حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ، أَحَدُكُمَا كَاذِبٌ، لاَ سَبِيلَ لَكَ عَلَيْهَا» قَالَ: مَالِي؟ قَالَ: «لاَ مَالَ لَكَ، إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا فَهُوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا، وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا فَذَاكَ أَبْعَدُ لَكَ» قَالَ سُفْيَانُ: حَفِظْتُهُ مِنْ عَمْرٍو وَقَالَ أَيُّوبُ، سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ: رَجُلٌ لاَعَنَ امْرَأَتَهُ، فَقَالَ: بِإِصْبَعَيْهِ - وَفَرَّقَ سُفْيَانُ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ، السَّبَّابَةِ وَالوُسْطَى - فَرَّقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَخَوَيْ بَنِي العَجْلاَنِ "، وَقَالَ: «اللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ، فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ» ثَلاَثَ مَرَّاتٍ " قَالَ سُفْيَانُ: حَفِظْتُهُ مِنْ عَمْرٍو وَأَيُّوبَ كَمَا أَخْبَرْتُكَ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১৩
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০২. লি‘আনকারীদ্বয়কে পৃথক করে দেওয়া।
৪৯৩০। ইবরাহীম ইবনে মুনযির (রাহঃ) ......... ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) জনৈক পুরুষ তার স্ত্রীকে অপবাদ দিলে, তিনি উভয়কে শপথ করান এরপর পৃথক করে দেন।
كتاب الطلاق
باب التَّفْرِيقِ بَيْنَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ
5313 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ المُنْذِرِ، حَدَّثَنَا [ص:56] أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَخْبَرَهُ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَّقَ بَيْنَ رَجُلٍ وَامْرَأَةٍ قَذَفَهَا، وَأَحْلَفَهُمَا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১৪
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০২. লি‘আনকারীদ্বয়কে পৃথক করে দেওয়া।
৪৯৩১। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) জনৈক আনসার ব্যক্তি ও তার স্ত্রীকে লি‘আন করান এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দেন।
كتاب الطلاق
باب التَّفْرِيقِ بَيْنَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ
5314 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «لاَعَنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ رَجُلٍ وَامْرَأَةٍ مِنَ الأَنْصَارِ، وَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১৫
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০৩. লি‘আনকারিণীকে সন্তান অর্পন করা হবে।
৪৯৩২। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) ......... ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রীকে লি‘আন করালেন এবং সন্তানের পৈতৃক সম্পর্ক ছিন্ন করে উভয়কে পৃথক করে দিলেন। আর সন্তান মহিলাকে দিয়ে দিলেন।
كتاب الطلاق
باب يَلْحَقُ الْوَلَدُ بِالْمُلاَعِنَةِ
5315 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَعَنَ بَيْنَ رَجُلٍ وَامْرَأَتِهِ فَانْتَفَى مِنْ وَلَدِهَا، فَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا، وَأَلْحَقَ الوَلَدَ بِالْمَرْأَةِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১৬
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০৪. ইমামের উক্তিঃ হে আল্লাহ্! সত্য প্রকাশ করে দিন।
৪৯৩৩। ইসমা‘ঈল (রাহঃ) ......... ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লি‘আনকারী দম্পত্তি সম্পর্কে রাসূল (ﷺ) -এর সম্মুখে আলোচনা হচ্ছিল। ইতিমধ্যে ‘আসিম ইবনে ‘আদী (রাযিঃ) এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে চলে গেলেন। এরপর স্বগোত্রীয় এক ব্যক্তি তার কাছে এসে জানাল যে, সে তার স্ত্রীর সাথে এক ব্যক্তিকে পেয়েছে। ‘আসিম (রাযিঃ) বললেন, অযথা জিজ্ঞাসাবাদের দরুনই আমি এ বিপদে পতিত হলাম। এরপর তিনি তাকে নিয়ে রাসূল (ﷺ) -এর কাছে গেলেন এবং যে লোকটিকে সে তার স্ত্রীর সাথে পেয়েছে, তার সম্পর্কে নবী (ﷺ) কে অবহিত করলেন। অভিযোগকারী ছিলেন হলদে, হালকা দেহ্ ও সোজা চুলের অধিকারী। আর তার স্ত্রীর কাছে পাওয়া লোকটি ছিল মোটা ধরণের স্থুলকায় ও খুব কোঁকড়ানো চুলের অধিকারী।
তখন রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে আল্লাহ্ আপনি সত্য প্রকাশ করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতি বিশিষ্ট একটি সন্তান প্রসব করে, যাকে তার স্বামী তার সাথে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিলেন। রাসূল (ﷺ) উভয়কেই লি‘আন করালেন। এক ব্যক্তি ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) কে সেই বৈঠকে জিজ্ঞাসা করল, ঐ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূল (ﷺ) বলেছিলেনঃ আমি যদি বিনা প্রমাণে কাউকে রজম করতাম তাহলে একে রজম করতাম? ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ না, সে ছিল অন্য এক মহিলা যে ইসলামে কুখ্যাত ব্যভিচারিণী ছিল।
তখন রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে আল্লাহ্ আপনি সত্য প্রকাশ করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতি বিশিষ্ট একটি সন্তান প্রসব করে, যাকে তার স্বামী তার সাথে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিলেন। রাসূল (ﷺ) উভয়কেই লি‘আন করালেন। এক ব্যক্তি ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) কে সেই বৈঠকে জিজ্ঞাসা করল, ঐ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূল (ﷺ) বলেছিলেনঃ আমি যদি বিনা প্রমাণে কাউকে রজম করতাম তাহলে একে রজম করতাম? ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ না, সে ছিল অন্য এক মহিলা যে ইসলামে কুখ্যাত ব্যভিচারিণী ছিল।
كتاب الطلاق
باب قَوْلِ الإِمَامِ اللَّهُمَّ بَيِّنْ
5316 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ القَاسِمِ، عَنِ القَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: ذُكِرَ المُتَلاَعِنَانِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ عَاصِمُ بْنُ عَدِيٍّ فِي ذَلِكَ قَوْلًا ثُمَّ انْصَرَفَ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِهِ، فَذَكَرَ لَهُ أَنَّهُ وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا، فَقَالَ عَاصِمٌ: مَا ابْتُلِيتُ بِهَذَا الأَمْرِ إِلَّا لِقَوْلِي، فَذَهَبَ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي وَجَدَ عَلَيْهِ امْرَأَتَهُ، وَكَانَ ذَلِكَ الرَّجُلُ مُصْفَرًّا، قَلِيلَ اللَّحْمِ سَبْطَ الشَّعَرِ، وَكَانَ الَّذِي وَجَدَ عِنْدَ أَهْلِهِ آدَمَ خَدْلًا كَثِيرَ اللَّحْمِ، جَعْدًا قَطَطًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ بَيِّنْ» فَوَضَعَتْ شَبِيهًا بِالرَّجُلِ الَّذِي ذَكَرَ زَوْجُهَا أَنَّهُ وَجَدَ عِنْدَهَا، فَلاَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَهُمَا، فَقَالَ رَجُلٌ لِابْنِ عَبَّاسٍ فِي المَجْلِسِ: هِيَ الَّتِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ رَجَمْتُ أَحَدًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ لَرَجَمْتُ هَذِهِ» ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: لاَ، تِلْكَ امْرَأَةٌ كَانَتْ تُظْهِرُ السُّوءَ فِي الإِسْلاَمِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩১৭
- তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮০৫. যদি মহিলাকে তিন তালাক দেয় এবং ইদ্দত শেষে সে অন্য স্বামীর কাছে বিয়ে বসে, কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সঙ্গম) না করে থাকে।
৪৯৩৪। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। (হাদীসটি নিম্নোক্ত হাদীসের অনুরূপ)। [দেখুন পরের হাদীস]
كتاب الطلاق
باب إِذَا طَلَّقَهَا ثَلاَثًا ثُمَّ تَزَوَّجَتْ بَعْدَ الْعِدَّةِ زَوْجًا غَيْرَهُ فَلَمْ يَمَسَّهَا
5317 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ح حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ رِفَاعَةَ القُرَظِيَّ تَزَوَّجَ امْرَأَةً ثُمَّ طَلَّقَهَا، فَتَزَوَّجَتْ آخَرَ، فَأَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ لَهُ أَنَّهُ لاَ يَأْتِيهَا، وَأَنَّهُ لَيْسَ مَعَهُ إِلَّا مِثْلُ هُدْبَةٍ، فَقَالَ: «لاَ، حَتَّى تَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ وَيَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ»
তাহকীক: