আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
১৭- নামাযে কসরের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৫ টি
হাদীস নং: ১০১৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮০
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৫. নামাযে কসরের অধ্যায়ঃ কসর সম্পর্কে বর্ণনা এবং কতদিন অবস্থান পর্যন্ত কসর করবে।
১০১৯। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) একবার সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং নামায কসর করেন। কাজেই (কোথাও) আমরা উনিশ দিনের সফরে থাকলে কসর করি এবং এর চাইতে বেশী হলে পুরোপুরি নামায আদায় করি।*
*এখানে বর্ণনাকারী মক্কা বিজয়কালীন মক্কায় অবস্থানের দিনগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন সহীহ হাদীসের আলোকে ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এ মত পোষণ করেন যে, পনের দিনের ইকামতের নিয়ত করলে নামায পুরা করবে, কসর নয়।
*এখানে বর্ণনাকারী মক্কা বিজয়কালীন মক্কায় অবস্থানের দিনগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন সহীহ হাদীসের আলোকে ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এ মত পোষণ করেন যে, পনের দিনের ইকামতের নিয়ত করলে নামায পুরা করবে, কসর নয়।
أبواب تقصير الصلوة
أَبْوَابُ تَقْصِيرِ الصَّلاَةِ بَابُ مَا جَاءَ فِي التَّقْصِيرِ وَكَمْ يُقِيمُ حَتَّى يَقْصُرَ
1080 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، وَحُصَيْنٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «أَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِسْعَةَ عَشَرَ يَقْصُرُ، فَنَحْنُ إِذَا سَافَرْنَا تِسْعَةَ عَشَرَ قَصَرْنَا، وَإِنْ زِدْنَا أَتْمَمْنَا»
হাদীস নং: ১০২০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮১
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৫. নামাযে কসরের অধ্যায়ঃ কসর সম্পর্কে বর্ণনা এবং কতদিন অবস্থান পর্যন্ত কসর করবে।
১০২০। আবু মা’মার (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী (ﷺ) এর সঙ্গে মদীনা থেকে মক্কায় গমন করি, আমরা মদীনা ফিরে আসা পর্যন্ত তিনি দু’রাকআত দু’রাকআত নামায আদায় করেছেন। (রাবী বলেন) আমি আনাস (রাযিঃ)-কে বললাম, আপনারা মক্কায় কত দিন ছিলেন? তিনি বললেন, আমরা সেখানে দশ দিন ছিলাম।*
*এ হলো বিদায় হজ্জের সময়ের বর্ণনা।
*এ হলো বিদায় হজ্জের সময়ের বর্ণনা।
أبواب تقصير الصلوة
أَبْوَابُ تَقْصِيرِ الصَّلاَةِ بَابُ مَا جَاءَ فِي التَّقْصِيرِ وَكَمْ يُقِيمُ حَتَّى يَقْصُرَ
1081 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ: " خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ المَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ فَكَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ حَتَّى رَجَعْنَا إِلَى المَدِينَةِ، قُلْتُ: أَقَمْتُمْ بِمَكَّةَ شَيْئًا؟ قَالَ: أَقَمْنَا بِهَا عَشْرًا "
হাদীস নং: ১০২১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮২
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৬. মিনায় নামায।
১০২১। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ), আবু বকর এবং উমর (রাযিঃ) এর সঙ্গে মিনায় দু’রাকআত নামায আদায় করেছি। উসমান (রাযিঃ) এর সঙ্গেও তাঁর খিলাফতের প্রথম দিকে দু’রাকআত আদায় করেছি। তারপর তিনি পূর্ণ নামায আদায় করতে লাগলেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب الصَّلاَةِ بِمِنًى
1082 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي [ص:43] نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَأَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ وَمَعَ عُثْمَانَ صَدْرًا مِنْ إِمَارَتِهِ ثُمَّ أَتَمَّهَا»
হাদীস নং: ১০২২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৩
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৬. মিনায় নামায।
১০২২। আবুল ওয়ালীদ (রাহঃ) ......... হারিসা ইবনে ওয়াহব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) নিরাপদ অবস্থায় আমাদেরকে নিয়ে মিনায় দু’রাকআত নামায আদায় করেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب الصَّلاَةِ بِمِنًى
1083 - حَدَّثَنَا أَبُو الوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ حَارِثَةَ بْنَ وَهْبٍ، قَالَ: «صَلَّى بِنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آمَنَ مَا كَانَ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ»
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০২৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৪
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৬. মিনায় নামায।
১০২৩। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবরাহীম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ (রাহঃ) কে বলতে শুনেছি, উসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ) আমাদেরকে নিয়ে মিনায় চার রাকআত নামায আদায় করেছেন। তারপর এ সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) কে বলা হল, তিনি প্রথমে ‘ইন্না লিল্লাহ্’ পড়লেন। এবপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে মিনায় দু’রাকআত পড়েছি, আবু বকর (রাযিঃ) এর সঙ্গে মিনায় দু’রাকআত পড়েছি এবং উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) এর সঙ্গে মিনায় দু’রাকআত পড়েছি। কতই না ভাল হতো যদি চার রাকআতের পরিবর্তে দু’রাকআত মকবুল নামায হতো।
أبواب تقصير الصلوة
باب الصَّلاَةِ بِمِنًى
1084 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ: صَلَّى بِنَا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِمِنًى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ، فَقِيلَ: ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَاسْتَرْجَعَ، ثُمَّ قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَصَلَّيْتُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَصَلَّيْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ» ، فَلَيْتَ حَظِّي مِنْ أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ رَكْعَتَانِ مُتَقَبَّلَتَانِ
হাদীস নং: ১০২৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৫
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৭. নবী করীম (ﷺ) বিদায় হজ্জে কত দিন অবস্থান করেছিলেন?
১০২৪। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণ (যিলহজ্জের) ৪র্থ তারিখ সকালে (মক্কায়) আগমন করেন এবং তাঁরা হজ্জের জন্য তালবীয়া পাঠ করতে থাকেন। তারপর তিনি তাঁদের হজ্জ কে উমরায় রূপান্তরিত করার নির্দেশ দিলেন। তবে যাঁদের সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার ছিল, তাঁরা এ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত নন। হাদীস বর্ণনায় আতা (রাহঃ) আবুল আলিয়া (রাহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب كَمْ أَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّتِهِ
1085 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي العَالِيَةِ البَرَّاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ لِصُبْحِ رَابِعَةٍ يُلَبُّونَ بِالحَجِّ، فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً إِلَّا مَنْ مَعَهُ الهَدْيُ» تَابَعَهُ عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرٍ
হাদীস নং: ১০২৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৬
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৮. কত দিনের সফরে নামায কসর করবে।
এক দিন ও এক রাতের সফরকে নবী (ﷺ) সফর বলে উল্লেখ করেছেন।
ইবনে উমর ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) চার ‘বুরদ’ অর্থাৎ ষোল ফারসাখ* দূরত্বে কসর করতেন এবং রোযা পালন করতেন না।
* ১ ফারসাখ হলো- ৩ মাইল।
এক দিন ও এক রাতের সফরকে নবী (ﷺ) সফর বলে উল্লেখ করেছেন।
ইবনে উমর ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) চার ‘বুরদ’ অর্থাৎ ষোল ফারসাখ* দূরত্বে কসর করতেন এবং রোযা পালন করতেন না।
* ১ ফারসাখ হলো- ৩ মাইল।
১০২৫। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মহিলাই যেন মাহরাম পুরুষকে সঙ্গে না নিয়ে তিন দিনের সফর না করে।
أبواب تقصير الصلوة
باب فِي كَمْ يَقْصُرُ الصَّلاَةَ وَسَمَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا وَلَيْلَةً سَفَرًا. وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ يَقْصُرَانِ وَيُفْطِرَانِ فِي أَرْبَعَةِ بُرُدٍ وَهْيَ سِتَّةَ عَشَرَ فَرْسَخًا
1086 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الحَنْظَلِيُّ، قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي أُسَامَةَ: حَدَّثَكُمْ عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ تُسَافِرِ المَرْأَةُ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ»
হাদীস নং: ১০২৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৭
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৮. কত দিনের সফরে নামায কসর করবে।
১০২৬। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মহিলার সাথে মাহরাম পুরুষ না থাকলে, সে যেন তিন দিনের সফর না করে।
আহমদ (রাহঃ) ইবনে উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদ (রাহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।
আহমদ (রাহঃ) ইবনে উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদ (রাহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب فِي كَمْ يَقْصُرُ الصَّلاَةَ
1087 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ تُسَافِرِ المَرْأَةُ ثَلاَثًا إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ» تَابَعَهُ أَحْمَدُ، عَنْ ابْنِ المُبَارَكِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীস নং: ১০২৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৮
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৮. কত দিনের সফরে নামায কসর করবে।
১০২৭। আদম (রাহঃ) ......... আবু হুরাইরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে এক দিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়েয নয়।
ইয়াহয়া ইবনে আবু কাসীর, সুহাইল ও মালিক (রাহঃ) ......... হাদীস বর্ণনায় ইবনে আবু যি'ব (রাহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।
ইয়াহয়া ইবনে আবু কাসীর, সুহাইল ও মালিক (রাহঃ) ......... হাদীস বর্ণনায় ইবনে আবু যি'ব (রাহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب فِي كَمْ يَقْصُرُ الصَّلاَةَ
1088 - حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ المَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَاليَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُسَافِرَ مَسِيرَةَ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ لَيْسَ مَعَهَا حُرْمَةٌ» تَابَعَهُ يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، وَسُهَيْلٌ، وَمَالِكٌ، عَنِ المَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
হাদীস নং: ১০২৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৯
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৯. যখন নিজ আবাসস্থল থেকে বের হবে তখন থেকে কসর করবে।
আলী (রা.) বের হওয়ার পরই কসর করলেন। অথচ তাঁকে বলা হল, এ তো কূফা। তিনি বললেন, না, যতক্ষণ পর্যন্ত কূফায় প্রবেশ না করি।
আলী (রা.) বের হওয়ার পরই কসর করলেন। অথচ তাঁকে বলা হল, এ তো কূফা। তিনি বললেন, না, যতক্ষণ পর্যন্ত কূফায় প্রবেশ না করি।
১০২৮। আবু নু’আইম (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে মদীনায় যোহরের নামায চার রাকআত আদায় করেছি এবং যুল হুলাইফায় আসরের নামায দু’রাকআত আদায় করেছি।
أبواب تقصير الصلوة
بَابُ يَقْصُرُ إِذَا خَرَجَ مِنْ مَوْضِعِهِ وَخَرَجَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلاَمُ: فَقَصَرَ وَهُوَ يَرَى البُيُوتَ، فَلَمَّا رَجَعَ قِيلَ لَهُ هَذِهِ الكُوفَةُ قَالَ: «لاَ حَتَّى نَدْخُلَهَا»
1089 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ [ص:44]: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ المُنْكَدِرِ، وَإِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «صَلَّيْتُ الظُّهْرَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا، وَبِذِي الحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ»
হাদীস নং: ১০২৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯০
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯৯. যখন নিজ আবাসস্থল থেকে বের হবে তখন থেকে কসর করবে।
১০২৯। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় নামায দু’রাক'আত করে ফরয করা হয় তারপর সফরে নামায সে ভাবেই স্থায়ী থাকে এবং মুকীম অবস্থায় নামায পূর্ণ (চার রাকআত) করা হয়েছে।
যুহরী (রাহঃ) রলেন, আমি উরওয়া (রাহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, (মিনায়) আয়িশা (রাযিঃ) কেন নামায পূর্ণ আদায় করতেন? তিনি বললেন, উসমান (রাযিঃ) যে ব্যাখ্যা প্রহণ করেছেন, আয়িশা (রাযিঃ) তা গ্রহণ করেছেন।
যুহরী (রাহঃ) রলেন, আমি উরওয়া (রাহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, (মিনায়) আয়িশা (রাযিঃ) কেন নামায পূর্ণ আদায় করতেন? তিনি বললেন, উসমান (রাযিঃ) যে ব্যাখ্যা প্রহণ করেছেন, আয়িশা (রাযিঃ) তা গ্রহণ করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
بَابُ يَقْصُرُ إِذَا خَرَجَ مِنْ مَوْضِعِهِ
1090 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: «الصَّلاَةُ أَوَّلُ مَا فُرِضَتْ رَكْعَتَيْنِ، فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ، وَأُتِمَّتْ صَلاَةُ الحَضَرِ» قَالَ الزُّهْرِيُّ: فَقُلْتُ لِعُرْوَةَ: مَا بَالُ عَائِشَةَ تُتِمُّ؟ قَالَ: «تَأَوَّلَتْ مَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ»
হাদীস নং: ১০৩০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯১ - ১০৯২
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০০. সফরে মাগরিবের নামায তিন রাকাআত আদায় করা।
১০৩০। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের নামায বিলম্বিত করেছেন, এমন কি মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) সফরের ব্যস্ততার সময় অনুরূপ করতেন।
অপর এক সূ্ত্রে সালিম (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। সালিম (রাহঃ) আরও বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাঁর স্ত্রী সাফীয়্যা বিনতে আবু উবাইদ (রাযিঃ) এর দুঃসংবাদ পেয়ে মদীনা প্রত্যাবর্তনকালে মাগরিবের নামায বিলম্বিত করেন। আমি তাঁকে বললাম, নামাযের সময় হয়ে গেছে। তিনি বললেন, চলতে থাক। আমি আবার বললাম, নামায? তিনি বললেন, চলতে থাক। এমনকি (এভাবে) দু’ বা তিন মাইল অগ্রসর হলেন। এরপর নেমে নামায আদায় করলেন। পরে বললেন, আমি নবী (ﷺ) কে সফরের ব্যস্ততার সময় এরূপভাবে নামায আদায় করতে দেখেছি। আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) আরো বলেন, আমি নবী (ﷺ) কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের নামায (দেরী করে) আদায় করেছেন এবং তা তিন রাকআতই আদায় করেছেন। মাগরিবের সালাম ফিরিয়ে কিছু বিলম্ব করেই ইশার ইকামত দেওয়া হত এবং দু’রাকআত আদায় করে সালাম ফিরাতেন। কিন্তু ইশার পরে গভীর রাত না হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতেন না।
অপর এক সূ্ত্রে সালিম (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। সালিম (রাহঃ) আরও বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাঁর স্ত্রী সাফীয়্যা বিনতে আবু উবাইদ (রাযিঃ) এর দুঃসংবাদ পেয়ে মদীনা প্রত্যাবর্তনকালে মাগরিবের নামায বিলম্বিত করেন। আমি তাঁকে বললাম, নামাযের সময় হয়ে গেছে। তিনি বললেন, চলতে থাক। আমি আবার বললাম, নামায? তিনি বললেন, চলতে থাক। এমনকি (এভাবে) দু’ বা তিন মাইল অগ্রসর হলেন। এরপর নেমে নামায আদায় করলেন। পরে বললেন, আমি নবী (ﷺ) কে সফরের ব্যস্ততার সময় এরূপভাবে নামায আদায় করতে দেখেছি। আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) আরো বলেন, আমি নবী (ﷺ) কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের নামায (দেরী করে) আদায় করেছেন এবং তা তিন রাকআতই আদায় করেছেন। মাগরিবের সালাম ফিরিয়ে কিছু বিলম্ব করেই ইশার ইকামত দেওয়া হত এবং দু’রাকআত আদায় করে সালাম ফিরাতেন। কিন্তু ইশার পরে গভীর রাত না হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতেন না।
أبواب تقصير الصلوة
باب يُصَلِّي الْمَغْرِبَ ثَلاَثًا فِي السَّفَرِ
1091 - حَدَّثَنَا أَبُو اليَمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سَالِمٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ فِي السَّفَرِ يُؤَخِّرُ المَغْرِبَ، حَتَّى يَجْمَعَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ العِشَاءِ» قَالَ سَالِمٌ: وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يَفْعَلُهُ إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ "
1092 - وَزَادَ اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ سَالِمٌ: " كَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: يَجْمَعُ بَيْنَ المَغْرِبِ وَالعِشَاءِ بِالْمُزْدَلِفَةِ " قَالَ سَالِمٌ: وَأَخَّرَ ابْنُ عُمَرَ المَغْرِبَ، وَكَانَ اسْتُصْرِخَ عَلَى امْرَأَتِهِ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، فَقُلْتُ لَهُ: الصَّلاَةَ، فَقَالَ: سِرْ، فَقُلْتُ: الصَّلاَةَ، فَقَالَ: سِرْ، حَتَّى سَارَ مِيلَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةً، ثُمَّ نَزَلَ فَصَلَّى، ثُمَّ قَالَ: «هَكَذَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ» وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ يُؤَخِّرُ المَغْرِبَ، فَيُصَلِّيهَا ثَلاَثًا، ثُمَّ يُسَلِّمُ، ثُمَّ قَلَّمَا يَلْبَثُ حَتَّى يُقِيمَ العِشَاءَ، فَيُصَلِّيهَا رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يُسَلِّمُ وَلاَ يُسَبِّحُ بَعْدَ العِشَاءِ حَتَّى يَقُومَ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ»
1092 - وَزَادَ اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ سَالِمٌ: " كَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: يَجْمَعُ بَيْنَ المَغْرِبِ وَالعِشَاءِ بِالْمُزْدَلِفَةِ " قَالَ سَالِمٌ: وَأَخَّرَ ابْنُ عُمَرَ المَغْرِبَ، وَكَانَ اسْتُصْرِخَ عَلَى امْرَأَتِهِ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، فَقُلْتُ لَهُ: الصَّلاَةَ، فَقَالَ: سِرْ، فَقُلْتُ: الصَّلاَةَ، فَقَالَ: سِرْ، حَتَّى سَارَ مِيلَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةً، ثُمَّ نَزَلَ فَصَلَّى، ثُمَّ قَالَ: «هَكَذَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ» وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَعْجَلَهُ السَّيْرُ يُؤَخِّرُ المَغْرِبَ، فَيُصَلِّيهَا ثَلاَثًا، ثُمَّ يُسَلِّمُ، ثُمَّ قَلَّمَا يَلْبَثُ حَتَّى يُقِيمَ العِشَاءَ، فَيُصَلِّيهَا رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يُسَلِّمُ وَلاَ يُسَبِّحُ بَعْدَ العِشَاءِ حَتَّى يَقُومَ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ»
হাদীস নং: ১০৩১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৩
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০১. বাহনের উপরে বাহন যেদিকে মুখ করে সেদিকে ফিরে নফল নামায আদায় করা।
১০৩১। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) কে দেখেছি, তাঁর বাহন যেদিকেই ফিরেছে, তিনি সেদিকেই নামায আদায় করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الدَّوَابِّ وَحَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ
1093 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ»
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৪
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০১. বাহনের উপরে বাহন যেদিকে মুখ করে সেদিকে ফিরে নফল নামায আদায় করা।
১০৩২। আবু নু’আইম (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) সওয়ার থাকাবস্থায় কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে নফল নামায আদায় করেছেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الدَّوَابِّ وَحَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ
1094 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَهُ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي التَّطَوُّعَ وَهُوَ رَاكِبٌ فِي غَيْرِ القِبْلَةِ»
হাদীস নং: ১০৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৫
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০১. বাহনের উপরে বাহন যেদিকে মুখ করে সেদিকে ফিরে নফল নামায আদায় করা।
১০৩৩। আব্দুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ (রাহঃ) ......... নাফি’ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাঁর সওয়ারীর উপর (নফল) নামায আদায় করতেন এবং এর উপর বিতরও আদায় করতেন। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ করতেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الدَّوَابِّ وَحَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ
1095 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا «يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ، وَيُوتِرُ عَلَيْهَا» ، وَيُخْبِرُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُهُ
হাদীস নং: ১০৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৬
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০২. জন্তুর উপর ইশারায় নামায আদায় করা।
১০৩৪। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) সফরে সওয়ারী যেদিকেই ফিরেছে সেদিকেই মুখ ফিরে ইশারায় নামায আদায় করতেন এবং আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ করতেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب الإِيمَاءِ عَلَى الدَّابَّةِ
1096 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا «يُصَلِّي فِي السَّفَرِ عَلَى رَاحِلَتِهِ، أَيْنَمَا تَوَجَّهَتْ يُومِئُ» وَذَكَرَ عَبْدُ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:45] كَانَ يَفْعَلُهُ
হাদীস নং: ১০৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৭ - ১০৯৮
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০৩. ফরয নামাযের জন্য সওয়ারী থেকে অবতরণ করা।
১০৩৫। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) ......... আমীর ইবনে রবীআ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দেখেছি, তিনি সওয়ারীর উপর উপবিষ্ট অবস্থায় মাথা দিয়ে ইশারা করে সেদিকেই নামায আদায় করতেন যেদিকে সওয়ারী ফিরত। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফরয নামাযে এরূপ করতেন না।
লাইস (রাহঃ) ......... সালিম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) সফরকালে রাতের বেলায় সওয়ারীর উপর থাকা অবস্থায় নামায আদায় করতেন, কোন্ দিকে তাঁর মুখ রয়েছে সে দিকে লক্ষ্য করতেন না এবং ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সওয়ারীর উপর নফল নামায আদায় করেছেন, সওয়ারী যে দিকে মুখ ফিরিয়েছে সেদিকেই এবং তার উপর বিতরও আদায় করেছেন। কিন্তু সওয়ারীর উপর ফরয নামায আদায় করতেন না।
লাইস (রাহঃ) ......... সালিম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) সফরকালে রাতের বেলায় সওয়ারীর উপর থাকা অবস্থায় নামায আদায় করতেন, কোন্ দিকে তাঁর মুখ রয়েছে সে দিকে লক্ষ্য করতেন না এবং ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সওয়ারীর উপর নফল নামায আদায় করেছেন, সওয়ারী যে দিকে মুখ ফিরিয়েছে সেদিকেই এবং তার উপর বিতরও আদায় করেছেন। কিন্তু সওয়ারীর উপর ফরয নামায আদায় করতেন না।
أبواب تقصير الصلوة
باب يَنْزِلُ لِلْمَكْتُوبَةِ
1097 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، أَنَّ عَامِرَ بْنَ رَبِيعَةَ أَخْبَرَهُ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عَلَى الرَّاحِلَةِ يُسَبِّحُ، يُومِئُ بِرَأْسِهِ قِبَلَ أَيِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ، وَلَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي الصَّلاَةِ المَكْتُوبَةِ»
1098 - وَقَالَ اللَّيْثُ: حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: قَالَ سَالِمٌ: «كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يُصَلِّي عَلَى دَابَّتِهِ مِنَ اللَّيْلِ، وَهُوَ مُسَافِرٌ مَا يُبَالِي حَيْثُ مَا كَانَ وَجْهُهُ» قَالَ ابْنُ عُمَرَ: «وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَبِّحُ عَلَى الرَّاحِلَةِ قِبَلَ أَيِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ، وَيُوتِرُ عَلَيْهَا، غَيْرَ أَنَّهُ لاَ يُصَلِّي عَلَيْهَا المَكْتُوبَةَ»
1098 - وَقَالَ اللَّيْثُ: حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: قَالَ سَالِمٌ: «كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يُصَلِّي عَلَى دَابَّتِهِ مِنَ اللَّيْلِ، وَهُوَ مُسَافِرٌ مَا يُبَالِي حَيْثُ مَا كَانَ وَجْهُهُ» قَالَ ابْنُ عُمَرَ: «وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَبِّحُ عَلَى الرَّاحِلَةِ قِبَلَ أَيِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ، وَيُوتِرُ عَلَيْهَا، غَيْرَ أَنَّهُ لاَ يُصَلِّي عَلَيْهَا المَكْتُوبَةَ»
হাদীস নং: ১০৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯৯
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০৩. ফরয নামাযের জন্য সওয়ারী থেকে অবতরণ করা।
১০৩৬। মু’আয ইবনে ফাযালা (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) সওয়ারীর উপর থাকা অবস্থায় পূর্বদিকে ফিরেও নামায আদায় করেছেন। কিন্তু যখন তিনি ফরয নামায আদায় করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি সওয়ারী থেকে নেমে যেতেন এবং কিবলামুখী হতেন।
أبواب تقصير الصلوة
باب يَنْزِلُ لِلْمَكْتُوبَةِ
1099 - حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ نَحْوَ المَشْرِقِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُصَلِّيَ المَكْتُوبَةَ نَزَلَ، فَاسْتَقْبَلَ القِبْلَةَ»
হাদীস নং: ১০৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ১১০০
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০৪. গাধার উপর নফল নামায আদায় করা।
১০৩৭। আহমদ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে সীরীন (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) যখন শাম (সিরিয়া) থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন আমরা তাঁকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম। আইনুত্ তামর (নামক) স্থানে আমরা তাঁর সাক্ষাত পেলাম। তখন আমি তাঁকে দেখলাম গাধার পিঠে (আরোহী অবস্থায়) সামনের দিকে মুখ করে নামায আদায় করেছেন। অর্থাৎ কিবলার বাম দিকে মুখ করে। তখন তাঁকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনাকে তো দেখলাম কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে নামায আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে এরূপ করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।
أبواب تقصير الصلوة
باب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الْحِمَارِ
1100 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَبَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ، قَالَ: اسْتَقْبَلْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ حِينَ قَدِمَ مِنَ الشَّأْمِ، فَلَقِينَاهُ بِعَيْنِ التَّمْرِ فَرَأَيْتُهُ «يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ، وَوَجْهُهُ مِنْ ذَا الجَانِبِ» - يَعْنِي عَنْ يَسَارِ القِبْلَةِ - فَقُلْتُ: رَأَيْتُكَ تُصَلِّي لِغَيْرِ القِبْلَةِ، فَقَالَ: لَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَهُ لَمْ أَفْعَلْهُ " رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীস নং: ১০৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১১০১
- নামাযে কসরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০৫. সফরকালে ফরয নামাযের আগে ও পরে নফল নামায আদায় না করা।
১০৩৮। ইয়াহয়া ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) ......... হাফস ইবনে আসিম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) একবার সফর করেন এবং বলেন, আমি নবী (ﷺ) এর সাহচর্যে থেকেছি, সফরে তাঁকে নফল নামায আদায় করতে দেখিনি এবং আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাবঃ ২১১)
أبواب تقصير الصلوة
باب مَنْ لَمْ يَتَطَوَّعْ فِي السَّفَرِ دُبُرَ الصَّلاَةِ وَقَبْلَهَا
1101 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَّ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ حَدَّثَهُ، قَالَ: سَافَرَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، فَقَالَ: " صَحِبْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمْ أَرَهُ يُسَبِّحُ فِي السَّفَرِ، وَقَالَ اللَّهُ جَلَّ ذِكْرُهُ: (لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ إِسْوَةٌ حَسَنَةٌ) "