প্রবন্ধ
কিছু অমূল্য নসিহত
৩৪০৪০
০
চার জায়গাতে ৪ জিনিসের হেফাজত করা খুবই জরুরী,
১.মজলিসে- জবানের
২.বাজারে- চোখের
৩.দস্তরখানায়- পেটের
৪. নামাজে- ব্রেইনের।
৪টি জিনিস যা খুবই সর্তকতার সাথে সর্বাবস্থায় হেফাজত করা ফরজ
১. চোখের হেফাজত
২. জবানের হেফাজত
৩. কানের হেফাজত
৪. অন্তরের হেফাজত (শিরক ও অন্যান্য গোনাহ থেকে পাক রাখা)
দৈনিক ৪টি কাজ অবশ্যই করা চাই
১. প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত
২. প্রতিদিন দাওয়াতের মেহনত
৩. দৈনিক লম্বা সময় প্রাণ ভরে দোয়া করা।
৪. শেষ রাতে তাহাজ্জুদের প্রতি গুরুত্ব দেয়া।
৪টি কাজের প্রতি গুরুত্বদান ছাড়া কখনো বুযুর্গি লাভ করা সম্ভব নয়
১.তাকবীরে উলা
২. মিসওয়াক
৩. নফল আমলসমূহের প্রতি গুরুত্ব দেয়া।
৪. সকাল বিকাল তিন তাছবিহ আদায়।
৪টি কারণে দ্বীনের উপর চলা সম্ভব হয় না
১. বিলাসিতা
২. গাফলতি বা অলসতা
৩. লৌকিকতা
৪. স্বেচ্ছাচারিতা
৪টি জজবার কুরবানী না হলে দ্বীনের হাকীকত কখনো আসবে না,
১. আরামের জজবা
২. মালের জজবা
৩. বড়ত্বের জজবা
৪. খাহেশাতের জজবা।
প্রত্যেক ঈমান ওয়ালার ৪টি কাজ জরুরী,
১. ঈমানকে শেখা -দাওয়াতের দ্বারা
২. ঈমানকে পাকানো- কষ্ট মুজাহাদার দ্বারা
৩. ঈমানকে বাঁচানো- আখলাকের দ্বারা
৪. ঈমানকে ছড়ানো-হিজরতের দ্বারা।
যখন পরস্পরে বিভেদ তৈরি হবে তখন আর কোন আমলই আসমানে উঠবে না । তাই পারস্পরিক মহব্বত আর ঐক্য প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরী।
ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য ৪টি কাজ জরুরী
১. বিনয়, ধৈর্য ও ক্ষমা করা
২. পরামর্শ করে কাজ করা
৩. অর্থ ও স্বার্থের চিন্তা বাদ দিতে হবে।
৪. ব্যক্তিত্ব , হিংসা ও অহংকার ত্যাগ করা।
দ্বীনের যাবতীয় কাজে ৪টি বিষয়কে অবশ্যই একত্রে রাখতে হবে
১. দাওয়াত: তালিম, জিকির, জেহাদ ছাড়া ক্যানভাসার।
২. তালিম: জিকির, জিহাদ ও দাওয়াত ছাড়া গির্জার পাদ্রী।
৩. জিকির(তাযকীয়া) : দাওয়াত, তালিম, জেহাদ ছাড়া সন্ন্যাসী।
৪. জিহাদ: দাওয়াত, তালিম (শরীয়ত) ও জিকির ছাড়া ধোঁকাবাজি।
সারা দুনিয়াতে ৪ লাইনে দ্বীনের মেহনত চলছে, সব মেহনত কামিয়াব হবে না, ঐ মেহনত কামিয়াব হবে যে মেহনতের মিল রাসূলের মেহনতের সাথে হবে। সকল মেহনত ওয়ালাই কামিয়াব হবে না বরং সেই কামিয়াব হবে যার জিন্দেগী রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জিন্দেগীর সাথে মিল হবে।
৪ লাইনে যে সব মেহনত চলছে গোটা পৃথিবীতে তা হলো
১. কলম- লেখালেখি ও অধ্যয়ন গ্রন্থ প্রকাশ।
২. কওল- সভা সেমিনার, ওয়াজ, মাহফিল।
৩. ক্বলব- তাযকীয়া, জিকির-আজকার ও আত্মশুদ্ধির খানকা।
৪. ক্বদম- মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়া এবং আল্লাহর রাস্তায় জান ও মালকে ব্যয় করা।
রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে থেকে সাহাবারা এই ৪র্থ মেহনতটি শিখে সাড়া দুনিয়াতে কদম ফেলে ছড়িয়ে পড়েছিলেন। যেখানে তাদের ক্বদম পড়েছে সেখানেই কলম কলব আর কওলের মেহনত জিন্দা হয়েছে। আজ আমরা ঐ প্রথম মেহনতটা ভুলে গেছি।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
তাবলীগী মেহনতের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি
হযরত মাওলানা সায়্যিদ আবুল হাসান ‘আলী নাদাবী রাহ. বাংলাদেশের এক সফরে কাকরাইল মসজিদে বয়ান করেছিলেন। তা...
বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় ভিন দেশী সংস্কৃতির প্রবর্তন
...
হযরতজী ইলিয়াস সাহেব রহ.-এর নির্বাচিত বাণীসমূহ
বর্তমান বিশ্বে জনসাধারণের মাঝে সহীহ দীনী মেহনতসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা কার্যকর, নিরাপদ ও ব্যাপক মেহন...
বিশ্ব ইজতেমা মানুষের জীবনে ইসলামি প্রভাব ফেলছে কতটা?
টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা। করোনা মহামারিতে দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন