আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ৬৪

তাফসীর
یَحۡذَرُ الۡمُنٰفِقُوۡنَ اَنۡ تُنَزَّلَ عَلَیۡہِمۡ سُوۡرَۃٌ تُنَبِّئُہُمۡ بِمَا فِیۡ قُلُوۡبِہِمۡ ؕ قُلِ اسۡتَہۡزِءُوۡا ۚ اِنَّ اللّٰہَ مُخۡرِجٌ مَّا تَحۡذَرُوۡنَ

উচ্চারণ

ইয়াহযারুল মুনা-ফিকূনা আন তুনাঝঝালা ‘আলাইহিম ছূরাতুন তুনাব্বিউহুম বিমা-ফী কুলূবিহিম কুলিছ তাহঝিঊ ইন্নাল্লা-হা মুখরিজুম মা-তাহযারুন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

মুনাফিকগণ ভয় পায় যে, পাছে মুসলিমদের প্রতি এমন কোনও সূরা নাযিল হয়, যা তাদেরকে তাদের (অর্থাৎ মুনাফিকদের) মনের কথা জানিয়ে দিবে। ৫৮ বলে দাও, তোমরা ঠাট্টা করতে থাক। তোমরা যা ভয় কর আল্লাহ তা প্রকাশ করেই দিবেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৫৮. মুনাফিকগণ তাদের নিজেদের মধ্যকার আলাপ-আলোচনায় মুসলিমদেরকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। কেউ এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলত, আমরা এসব কথা কেবল ফূর্তি করেই বলেছিলাম, মনের থেকে বলিনি। (তারা মনের দিক থেকে যেহেতু দোদুল্যমান ছিল, যেমন কুফর পরিত্যাগ করতে পারছিল না, তেমনি চাক্ষুস প্রমাণাদি দেখে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতকেও পুরোপুরি অগ্রাহ্য করতে পারছিল না, তাই হাজারও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ সত্ত্বেও মনের মধ্যে একটা খটকা তাদের লেগেই থাকত। মাঝে মধ্যে ওহীর মাধ্যমে তাদের কোন কোন গোপন কথা প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় সে খটকা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা শঙ্কিত হয়ে ওঠে, না জানি কুরআনের একটা পূর্ণাঙ্গ সূরাই তাদের সম্পর্কে নাযিল হয়ে যায় আর তা তাদের সব গোমর ফাঁস করে দেয় এবং সমস্ত মানুষের মধ্যে তাদেরকে লাঞ্ছিত করে ছাড়ে।-অনুবাদক) ৬৪ থেকে ৬৬ নং পর্যন্ত আয়াতসমূহে তাদের এসব কার্যকলাপের পর্যালোচনা করা হচ্ছে।