আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১৯

তাফসীর
اَجَعَلۡتُمۡ سِقَایَۃَ الۡحَآجِّ وَعِمَارَۃَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ کَمَنۡ اٰمَنَ بِاللّٰہِ وَالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَجٰہَدَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ؕ  لَا یَسۡتَوٗنَ عِنۡدَ اللّٰہِ ؕ  وَاللّٰہُ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الظّٰلِمِیۡنَ ۘ

উচ্চারণ

আজা‘আলতুম ছিকা-ইয়াতাল হাজজি ওয়া ‘ইমা-রাতাল মাছজিদিল হারা-মি কামান আমানা বিল্লা-হি ওয়াল ইয়াওমিল আ-খিরি ওয়া জা-হাদা ফী ছাবীলিল্লা-হি লা-ইয়াছতাঊনা ‘ইনদাল্লা-হি ওয়াল্লা-হু লা-ইয়াহদিল কাওমাজ্জা-লিমীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা কি হাজীদেরকে পানি পান করানো ও মসজিদুল হারামকে আবাদ করার কাজকে সেই ব্যক্তির (কার্যাবলীর) সমান মনে কর, যে আল্লাহ ও পরকালে ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে? ১৭ আল্লাহর কাছে এরা সমতুল্য নয়। আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে লক্ষ্যস্থলে পৌঁছান না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৭. এ আয়াতে মূলনীতি বলে দেওয়া হয়েছে যে, সমস্ত নেক কাজ সম-মর্যাদার হয় না। কোনও ব্যক্তি যদি ফরয কাজসমূহ আদায় না করে নফল ইবাদতে লিপ্ত থাকে, তবে এটা কোন নেক কাজ হিসেবেই গণ্য হবে না। নিশ্চয়ই হাজীদেরকে পানি পান করানো একটি মহৎ কাজ, কিন্তু মর্যাদা হিসেবে তা নফল বৈ নয়। অনুরূপ মসজিদুল হারামের তত্ত্বাবধানও অবস্থাভেদে ফরযে কিফায়া কিংবা একটি নফল ইবাদত। পক্ষান্তরে ঈমান তো মানুষের মুক্তির জন্য বুনিয়াদী শর্ত। আর জিহাদ কখনও ফরযে আইন এবং কখনও ফরযে কিফায়া। প্রথমোক্ত কাজ দু’টির তুলনায় এ দু’টোর মর্যাদা অনেক উপরে। সুতরাং ঈমান ব্যতিরেকে কেবল এ জাতীয় সেবার কারণে কেউ কোনও মুমিনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে পারে না।