আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১২১

তাফসীর
وَلَا یُنۡفِقُوۡنَ نَفَقَۃً صَغِیۡرَۃً وَّلَا کَبِیۡرَۃً وَّلَا یَقۡطَعُوۡنَ وَادِیًا اِلَّا کُتِبَ لَہُمۡ لِیَجۡزِیَہُمُ اللّٰہُ اَحۡسَنَ مَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়ালা-ইউনফিকূ না নাফাকাতান সাগীরাতাওঁ ওয়ালা- কাবীরাতাওঁ ওয়ালা- ইয়াকতা‘ঊনা ওয়া-দিয়ান ইল্লা-কুতিবা লাহুম লিইয়াজঝিয়াহুমুল্লা-হু আহছানা মা-কা-নূইয়া‘মালূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তাছাড়া তারা (আল্লাহর পথে) যা কিছু ব্যয় করে, সে ব্যয় অল্প হোক বা বেশি এবং তারা যে-কোন উপত্যকাই অতিক্রম করে, তা সবই (তাদের আমলনামায় পুণ্য হিসেবে) লেখা হয়, যাতে আল্লাহ তাদেরকে (এরূপ প্রতিটি আমলের বিনিময়ে) এমন প্রতিদান দিতে পারেন, যা তাদের উৎকৃষ্ট আমলের জন্য নির্ধারিত আছে। ১০৪

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১০৪. অর্থাৎ মুজাহিদদের এসব কাজের মধ্যে কোনও কোনওটি তুচ্ছ মনে হলেও সওয়াব দেওয়া হবে তাদের উৎকৃষ্ট কাজের অনুরূপ। (প্রকাশ থাকে যে, কুরআন মাজীদে احسن শব্দটিকে আমলের বিশেষণরূপে উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ কেউ একে ‘জাযা’ বা প্রতিদানের বিশেষণও সাব্যস্ত করেছেন। কিন্তু আল্লামা আবু হায়্যান ‘আল-বাহরুল মুহীত’ গ্রন্থে ব্যাকরণের দৃষ্টিকোণ থেকে এর উপর যে আপত্তি তুলেছেন তার কোন সন্তোষজনক উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না। আল্লামা আলুসী (রহ.)-ও আপত্তিটি উল্লেখ করে তার সমর্থনই করেছেন। সুতরাং এ স্থলে আয়াতটির তরজমা মাদারিকুত তানযীলে বর্ণিত তাফসীর অনুসারেই করা হয়েছে।