আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১২

তাফসীর
وَاِنۡ نَّکَثُوۡۤا اَیۡمَانَہُمۡ مِّنۡۢ بَعۡدِ عَہۡدِہِمۡ وَطَعَنُوۡا فِیۡ دِیۡنِکُمۡ فَقَاتِلُوۡۤا اَئِمَّۃَ الۡکُفۡرِ ۙ اِنَّہُمۡ لَاۤ اَیۡمَانَ لَہُمۡ لَعَلَّہُمۡ یَنۡتَہُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়া ইন নাকাছূদ্মআইমা-নাহুম মিম বা‘দি ‘আহদিহিম ওয়া তা‘আনূফী দীনিকুম ফাকাতিলূআইম্মাতাল কুফরি ইন্নাহুম লা-আইমা-না লাহুম লা‘আল্লাহুম ইয়ানতাহূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তারা যদি চুক্তি সম্পন্ন করার পর নিজেদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এবং তোমাদের দ্বীনের নিন্দা করে, তবে কুফরের এ সকল নেতৃবর্গের সঙ্গে এই আশায় যুদ্ধ কর যে, তারা হয়ত নিরস্ত হবে। ১২ বস্তুত এরা এমন লোক, যাদের প্রতিশ্রুতির কোনও মূল্য নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১২. পূর্বের আয়াতসমূহের দৃষ্টিতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এক অর্থ হতে পারে ইসলাম গ্রহণের পর মুরতাদ হয়ে যাওয়া, যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাতের পর অনেকে মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল এবং হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.) তাদের সঙ্গে জিহাদ করেছিলেন। আবার এ অর্থও হতে পারে যে, যাদের সঙ্গে তোমাদের চুক্তি ছিল এবং তারা সে চুক্তি আগেই ভঙ্গ করেছে কিংবা যাদের চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ হতে আরও নয় মাস বাকি আছে, তারা যদি এই সময়ের মধ্যে চুক্তি ভঙ্গ করে, তবে তাদের সঙ্গে জিহাদ করবে। ‘এই আশায় যুদ্ধ কর যে, তারা হয়ত নিরস্ত হবে’ এর অর্থ, তোমাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধের উদ্দেশ্য রাজ্য বিস্তার নয়; বরং এই হওয়া চাই যে, তোমাদের শত্রু যাতে কুফর ও জুলুম পরিত্যাগ করে।