আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১০৮

তাফসীর
لَا تَقُمۡ فِیۡہِ اَبَدًا ؕ لَمَسۡجِدٌ اُسِّسَ عَلَی التَّقۡوٰی مِنۡ اَوَّلِ یَوۡمٍ اَحَقُّ اَنۡ تَقُوۡمَ فِیۡہِ ؕ فِیۡہِ رِجَالٌ یُّحِبُّوۡنَ اَنۡ یَّتَطَہَّرُوۡا ؕ وَاللّٰہُ یُحِبُّ الۡمُطَّہِّرِیۡنَ

উচ্চারণ

লা-তাকুম ফীহি আবাদাল লামাছজিদুন উছছিছা ‘আলাততাকওয়া-মিন আওওয়ালি ইয়াওমিন আহাক্কুআন তাকূমা ফীহি ফীহি রিজা-লুইঁ ইউহিববূনা আইঁ ইয়াতাতাহহারু ওয়াল্লা-হু ইউহিব্বুল মুতাতাহহিরীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(হে নবী!) তুমি তাতে (অর্থাৎ তথাকথিত ওই মসজিদে) কখনও (নামাযের জন্য) দাঁড়াবে না। যে মসজিদের ভিত্তি প্রথম দিন থেকেই তাকওয়ার উপর স্থাপিত হয়েছে, সেটাই তোমার দাঁড়ানোর বেশি উপযুক্ত। ৯০ তাতে এমন লোক আছে, যারা পাক-পবিত্রতাকে বেশি পছন্দ করে। আল্লাহ পাক-পবিত্র লোকদের পছন্দ করেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৯০. এর দ্বারা কুবার মসজিদ ও মসজিদে নববী উভয়ই বোঝানো হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কা মুকাররামা থেকে হিজরত করে আসেন এবং কুবা পল্লীতে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন, সেই সময় তিনি সেখানে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। কুবার সেই মসজিদটিই ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সর্বপ্রথম মসজিদ। কুবা থেকে মদীনা মুনাওয়ারায় পৌঁছার পর তিনি মসজিদে নববী প্রতিষ্ঠা করেন। এ উভয় মসজিদেরই ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল তাকওয়া ও আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উপর। এ মসজিদের ফযীলত বলা হয়েছে যে, এর মুসল্লীগণ পাক-সাফের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখে। দেহের বাহ্যিক পবিত্রতা যেমন এর অন্তর্ভুক্ত, তেমনি আমল-আখলাকের পবিত্রতা ও বিশুদ্ধতাও।