আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১০৬

তাফসীর
وَاٰخَرُوۡنَ مُرۡجَوۡنَ لِاَمۡرِ اللّٰہِ اِمَّا یُعَذِّبُہُمۡ وَاِمَّا یَتُوۡبُ عَلَیۡہِمۡ ؕ وَاللّٰہُ عَلِیۡمٌ حَکِیۡمٌ

উচ্চারণ

ওয়া আ-খারুনা মুরজাওনা লিআমরিল্লা-হি ইম্মা-ইউ‘আযযিবুহুম ওয়া ইম্মা-ইয়াতূব ‘আলাইহিম ওয়াল্লা-হু ‘আলীমুন হাকীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এবং অপর কিছু লোক রয়েছে, যাদের সম্পর্কে ফায়সালা মুলতবি রাখা হয়েছে আল্লাহর হুকুমের জন্য। আল্লাহ হয়ত তাদেরকে শাস্তি দেবেন অথবা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। ৮৮ আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৮৮. যেই দশজন সাহাবী বিনা ওজরে কেবল অলসতাবশত তাবুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকেছিলেন, তাদের সাতজনের বৃত্তান্ত তো পেছনে বর্ণিত হয়েছে। এবার বাকি তিনজনের অবস্থা বর্ণিত হচ্ছে। এ তিনজন হলেন হযরত কাব ইবনে মালিক (রাযি.), হযরত হেলাল ইবনে উমাইয়া (রাযি.) ও হযরত মুরারা ইবনে রাবী (রাযি.)। তারা অনুতপ্ত তো হয়েছিলেন, কিন্তু হযরত আবু লুবাবা (রাযি.) ও তার সাথীগণ যে দ্রুততার সাথে তাওবা করেছিলেন, তারা অতটা দ্রুত করেননি এবং তাঁদের অনুরূপ পন্থাও তাঁরা অবলম্বন করেননি। সুতরাং তারা যখন ক্ষমা প্রার্থনার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে পৌঁছলেন, তখন তিনি তাদের ব্যাপারে ফায়সালা মূলতবী রাখলেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোনও হুকুম না আসে ততক্ষণের জন্য হুকুম দিলেন, মুসলিমগণ যেন সামাজিকভাবে তাদেরকে বয়কট করে চলে। সুতরাং পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত তাদেরকে বয়কট করে রাখা হল। অতঃপর তাদের তাওবা কবুল হল। সামনে ১১৮ নং আয়াতে তা বিস্তারিত আসছে।