আল আনফাল

সূরা নং: ৮, আয়াত নং: ৩৪

তাফসীর
وَمَا لَہُمۡ اَلَّا یُعَذِّبَہُمُ اللّٰہُ وَہُمۡ یَصُدُّوۡنَ عَنِ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ وَمَا کَانُوۡۤا اَوۡلِیَآءَہٗ ؕ اِنۡ اَوۡلِیَآؤُہٗۤ اِلَّا الۡمُتَّقُوۡنَ وَلٰکِنَّ اَکۡثَرَہُمۡ لَا یَعۡلَمُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়ামা-লাহুম আল্লা-ইউ‘আযযিবাহুমুল্লা-হু ওয়া হুম ইয়াসুদ্দূনা ‘আনিল মাছজিদিল হারা-মি ওয়ামা-কা-নূআওলিয়াআউহূ ইন আওলিয়াউহূইল্লাল মুত্তাকূনা ওয়ালা-কিন্না আকছারাহুম লা-ইয়া‘লামূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আর তাদের কী-বা গুণ আছে যে, আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবেন না, অথচ তারা (মানুষকে) মসজিদুল হারামে যেতে বাধা দেয়, ২১ যদিও তারা তার মুতাওয়াল্লী নয়। মুত্তাকীগণ ছাড়া অন্য কোনও লোক তার মুতাওয়াল্লী হতেও পারে না। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোক (এ কথা) জানে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২১. অর্থাৎ যদিও উপরে বর্ণিত দুই কারণে দুনিয়ায় তাদের উপর কোন শাস্তি অবতীর্ণ হচ্ছে না, তাই বলে এটা মনে করা ঠিক হবে না যে, তারা শাস্তির উপযুক্তই নয়। বস্তুত কুফর ও শিরক ছাড়াও তারা এমন বহু অপরাধ করে থাকে, যা তাদের জন্য শাস্তিকে অবধারিত করে রেখেছে, যেমন তাদের একটা অপরাধ হল, তারা মুসলিমদেরকে মসজিদুল হারামে ইবাদত করতে দেয় না। পূর্বে এ সম্পর্কে হযরত সাদ ইবনে মুয়াজ (রাযি.)-এর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। (দেখুন এ সূরার পরিচিতি)। সুতরাং যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ মক্কা মুকাররমা থেকে বের হয়ে যাবেন, তখন তাদের উপর আংশিক শাস্তি এসে যাবে, যেমনটা পরবর্তীকালে মক্কা বিজয়রূপে দেখা দিয়েছিল। অতঃপর তারা আখিরাতে পূর্ণাঙ্গ শাস্তির সম্মুখীন হবে।