আত তাগাবুন

সূরা নং: ৬৪, আয়াত নং: ১৪

তাফসীর
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّ مِنۡ اَزۡوَاجِکُمۡ وَاَوۡلَادِکُمۡ عَدُوًّا لَّکُمۡ فَاحۡذَرُوۡہُمۡ ۚ وَاِنۡ تَعۡفُوۡا وَتَصۡفَحُوۡا وَتَغۡفِرُوۡا فَاِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ

উচ্চারণ

ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ ইন্না মিন আঝওয়া-জিকুম ওয়া আওলা-দিকুম ‘আদুওওয়াল লাকুম ফাহযারূহুম ওয়া ইন তা‘ফূওয়া তাসফাহূওয়া তাগফিরূফাইন্নাল্লা-হা গাফূরুর রাহীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

হে মুমিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও তোমাদের সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু। সুতরাং তাদের ব্যাপারে সাবধান থাক। যদি তোমরা মার্জনা কর ও উপেক্ষা কর এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ তো অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩. যেই স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহ তাআলার নাফরমানী করতে উৎসাহিত করে, তারা শত্রুতুল্য। তবে তারা যদি অনুতপ্ত হয় ও তাওবা করে তবে তাদেরকে ক্ষমা করা উচিত এবং তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করা উচিত [তখন যদি তাদের সঙ্গে কঠোর আচরণ করা হয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে দুনিয়ার শান্তি-শৃঙ্খলা ভেস্তে যাবে। যুক্তি-বুদ্ধি ও শরীয়তের বিচারে যতটুকু সম্ভব তাদের নির্বুদ্ধিতাকে উপেক্ষা করা ও তাদের দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করা চাই। যে ব্যক্তি তাদের প্রতি এরূপ মহানুভবতার পরিচয় দিবে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি দয়া করবেন ও তার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করবেন। প্রকাশ থাকে যে, সব স্ত্রী ও সকল সন্তান-সন্ততিই এ রকম নয়। এমন বহু নারী আছে, যারা তাদের স্বামীদের দীন ও ঈমান হেফাজত করে এবং নেক কাজে তাদের সৎ পরামর্শক ও উত্তম সহযোগী হয়। এমনিভাবে অনেক সৌভাগ্যবান সন্তান রয়েছে, যারা তাদের পিতা-মাতার জন্য স্থায়ী পুণ্য হয়ে থাকে -অনুবাদক, তাফসীরে উছমানী অবলম্বনে]।