আল আনআম

সূরা নং: ৬, আয়াত নং: ১৬৪

তাফসীর
قُلۡ اَغَیۡرَ اللّٰہِ اَبۡغِیۡ رَبًّا وَّہُوَ رَبُّ کُلِّ شَیۡءٍ ؕ وَلَا تَکۡسِبُ کُلُّ نَفۡسٍ اِلَّا عَلَیۡہَا ۚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَۃٌ وِّزۡرَ اُخۡرٰی ۚ ثُمَّ اِلٰی رَبِّکُمۡ مَّرۡجِعُکُمۡ فَیُنَبِّئُکُمۡ بِمَا کُنۡتُمۡ فِیۡہِ تَخۡتَلِفُوۡنَ

উচ্চারণ

কুল আগাইরাল্লা-হি আবগী রাব্বাওঁ ওয়া হুয়া রাব্বুকুল্লি শাইয়িওঁ ওয়া লা-তাকছিবুকুল্লু নাফছিন ইল্লা-‘আলাইহা- ওয়া লা- তাঝিরু ওয়াঝিরাতুওঁবিঝরা উখরা- ছু ম্মা ইলা-রাব্বিকুম মারিজ‘উকুম ফাইউনাব্বিউকুম বিমা-কুনতুম ফীহি তাখতালিফূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

বলে দাও, আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনও প্রতিপালক সন্ধান করব, অথচ তিনি প্রতিটি জিনিসের মালিক? প্রত্যেক ব্যক্তি যা-কিছু করে, তার লাভ-ক্ষতি অন্য কারও উপর নয়, স্বয়ং তার উপরই বর্তায় এবং কোনও ভার-বহনকারী অন্য কারও ভার বহন করবে না। ১০০ পরিশেষে তোমার প্রতিপালকের কাছেই তোমাদের সকলকে ফিরে যেতে হবে। তোমরা যে সব বিষয়ে মতভেদ করতে, তখন তিনি সে সম্পর্কে তোমাদেরকে অবহিত করবেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১০০. কাফেরগণ কখনও কখনও মুসলিমদেরকে বলত, তোমরা আমাদের ধর্ম গ্রহণ করে নাও। তাতে যদি কোনও শাস্তি হয়, তবে তোমাদের শাস্তিও আমরা মাথা পেতে নেব, যেমন সূরা আনকাবূতে (২৯ : ১২) তাদের সে কথা বর্ণিত হয়েছে। এ আয়াত তাদের সে কথার উত্তরেই নাযিল হয়েছে। এর ভেতর এই মহা মূল্যবান শিক্ষা রয়েছে যে, প্রত্যেকের উচিত নিজের পরিণাম চিন্তা করা। অন্য কেউ তাকে শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না। এই একই বিষয় সূরা বনী ইসরাঈল (১৭ : ১৫), সূরা ফাতির (৩৫ : ১৮), সূরা যুমার (৩৯ : ১৭) ও সূরা নাজম (৫৩ : ৩৮)-এও বর্ণিত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ সূরা নাজমে এটা আরও বিস্তারিতভাবে আসবে।