আশ্‌-শূরা

সূরা নং: ৪২, আয়াত নং: ৫২

তাফসীর
وَکَذٰلِکَ اَوۡحَیۡنَاۤ اِلَیۡکَ رُوۡحًا مِّنۡ اَمۡرِنَا ؕ  مَا کُنۡتَ تَدۡرِیۡ مَا الۡکِتٰبُ وَلَا الۡاِیۡمَانُ وَلٰکِنۡ جَعَلۡنٰہُ نُوۡرًا نَّہۡدِیۡ بِہٖ مَنۡ نَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِنَا ؕ  وَاِنَّکَ لَتَہۡدِیۡۤ اِلٰی صِرَاطٍ مُّسۡتَقِیۡمٍ ۙ

উচ্চারণ

ওয়া কাযা-লিকা আওহাইনাইলাইকা রূহাম মিন আমরিনা- মা-কুনতা তাদরী মাল কিতা-বুওয়ালাল ঈমা-নুওয়ালা-কিন জা‘আলনা-হু নূরান নাহদী বিহী মান নাশাউ মিন ‘ইবা-দিনা- ওয়া ইন্নাকা লা তাহদীইলা সিরা-তিম মুছতাকীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এভাবেই আমি আমার নির্দেশে তোমার প্রতি ওহীরূপে নাযিল করেছি এক রূহ। ১৫ ইতঃপূর্বে তুমি জানতে না কিতাব কী এবং (জানতে) না ঈমান। কিন্তু আমি একে (অর্থাৎ কুরআনকে) বানিয়েছি এক নূর, যার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্য হতে যাকে চাই হেদায়াত দান করি। নিশ্চয়ই তুমি মানুষকে দেখাচ্ছ হেদায়াতের সেই সরল পথ

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৫. ‘রূহ’ দ্বারা এ আয়াতে কুরআন মাজীদ ও তার বিধানাবলী বোঝানো হয়েছে। কেননা এর দ্বারা মানুষের মৃত আত্মায় প্রাণ সঞ্চার হয়, তার রূহানী জীবন সঞ্জীবিত হয়। এটাও সম্ভব যে, রূহ দ্বারা হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে বোঝানো উদ্দেশ্য। তাঁকে রূহুল কুদসও বলা হয়। কুরআন মাজীদ নাযিল করার জন্য আল্লাহ তাআলা তাঁকেই মাধ্যম বানিয়েছিলেন।