আশ্‌-শূরা

সূরা নং: ৪২, আয়াত নং: ৫১

তাফসীর
وَمَا کَانَ لِبَشَرٍ اَنۡ یُّکَلِّمَہُ اللّٰہُ اِلَّا وَحۡیًا اَوۡ مِنۡ وَّرَآیِٔ حِجَابٍ اَوۡ یُرۡسِلَ رَسُوۡلًا فَیُوۡحِیَ بِاِذۡنِہٖ مَا یَشَآءُ ؕ اِنَّہٗ عَلِیٌّ حَکِیۡمٌ

উচ্চারণ

ওয়ামা-কা-না লিবাশারিন আইঁ ইউকালিলমাহুল্লা-হু ইল্লা-ওয়াহইয়ান আও মিওঁ ওয়ারাই হিজা-বিন আও ইউরছিলা রাছূলান ফাইঊহিয়া বিইযনিহী মা ইয়াশাউ ইন্নাহূ ‘আলিইয়ুন হাকীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

কোন মানুষের এ যোগ্যতা নেই যে, আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন ১৪ (সামনা সামনি), তবে ওহীর মাধ্যমে (বলতে পারেন) অথবা কোন পর্দার আড়াল থেকে কিংবা তিনি কোন বার্তাবাহী (ফেরেশতা) পাঠিয়ে দেবেন, যে তাঁর নির্দেশে তিনি যা চান সেই ওহীর বার্তা পৌঁছে দেবে। নিশ্চয়ই তিনি অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন, প্রজ্ঞাময়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৪. এ দুনিয়ায় আল্লাহ তাআলা কোন মানুষের সাথে সামনা সামনি কথা বলেন না। কেননা মানুষের তা সহ্য করার ক্ষমতা নেই। মানুষের সাথে কথা বলার জন্য তিনি তিনটি পদ্ধতির কোনও একটি গ্রহণ করেন। (এক) একটি পদ্ধতিকে তিনি ‘ওহী’ নামে অভিহিত করেছেন। তার মানে তিনি যে কথা বলতে চান, তা কারও অন্তরে ঢেলে দেন। (দুই) দ্বিতীয় পদ্ধতি হল পর্দার আড়াল থেকে বলা। অর্থাৎ কে বলছে তা দেখা ছাড়াই তার কথা কানের মাধ্যমেই শুনতে পাওয়া। যেমন হযরত মূসা আলাইহিস সালামের সাথে এভাবে আল্লাহ তাআলা কথা বলেছিলেন। (তিন) নিজ বাণী কোন ফেরেশতার মাধ্যমে কোন নবীর কাছে পাঠানো।