یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ فَتَبَیَّنُوۡا وَلَا تَقُوۡلُوۡا لِمَنۡ اَلۡقٰۤی اِلَیۡکُمُ السَّلٰمَ لَسۡتَ مُؤۡمِنًا ۚ تَبۡتَغُوۡنَ عَرَضَ الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۫ فَعِنۡدَ اللّٰہِ مَغَانِمُ کَثِیۡرَۃٌ ؕ کَذٰلِکَ کُنۡتُمۡ مِّنۡ قَبۡلُ فَمَنَّ اللّٰہُ عَلَیۡکُمۡ فَتَبَیَّنُوۡا ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرًا
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৬৯. ‘আল্লাহর পথে সফর করা’ দ্বারা জিহাদে যাওয়া বোঝানো হয়েছে। একবার একটা ঘটনা ঘটে যে, এক জিহাদের সময় কিছু সংখ্যক অমুসলিম নিজেদের মুসলিম হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দানের লক্ষ্যে সাহাবায়ে কেরামকে সালাম দিল। সাহাবীগণ মনে করলেন, তারা কেবল নিজেদের প্রাণ রক্ষার উদ্দেশ্যেই সালাম দিয়েছে; প্রকৃতপক্ষে তারা ইসলাম গ্রহণ করেনি। সুতরাং তারা তাদেরকে হত্যা করে ফেললেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াত নাযিল হয়। এতে মূলনীতি বলে দেওয়া হয়েছে যে, কোনও ব্যক্তি যদি আমাদের সামনে ইসলাম গ্রহণ করে এবং ইসলামের সমস্ত আকীদা-বিশ্বাস স্বীকার করে নেয়, তবে আমরা তাকে মুসলিমই মনে করব আর তার মনের অবস্থা আল্লাহর কাছে ছেড়ে দেব। প্রকাশ থাকে যে, আয়াতে আদৌ এরূপ বলা হয়নি যে, কোনও ব্যক্তি কুফরী আকীদা-বিশ্বাস পোষণ করা সত্ত্বেও কেবল ‘আস-সালামু আলাইকুম’ বলে দেওয়ার কারণে তাকে মুসলিম গণ্য করতে হবে।