আন নিসা

সূরা নং: ৪, আয়াত নং: ১০১

তাফসীর
وَاِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِی الۡاَرۡضِ فَلَیۡسَ عَلَیۡکُمۡ جُنَاحٌ اَنۡ تَقۡصُرُوۡا مِنَ الصَّلٰوۃِ ٭ۖ اِنۡ خِفۡتُمۡ اَنۡ یَّفۡتِنَکُمُ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا ؕ اِنَّ الۡکٰفِرِیۡنَ کَانُوۡا لَکُمۡ عَدُوًّا مُّبِیۡنًا

উচ্চারণ

ওয়া ইযা-দারাবতুম ফিল আরদিফালাইছা ‘আলাইকুম জুনা-হুন আন তাকসুরূমিনাসসালা-তি ইন খিফতুম আইঁ ইয়াফতিনাকুমুল্লাযীনা কাফারূ ইন্নাল কা-ফিরীনা কা-নূলাকুম ‘আদুওওয়াম মুবীনা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা যখন যমীনে সফর কর এবং তোমাদের আশংকা হয় যে, কাফিরগণ তোমাদেরকে বিপন্ন করবে, তখন সালাত কসর করলে তাতে তোমাদের কোনও গুনাহ নেই। ৭৩ নিশ্চয়ই কাফিরগণ তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৭৩. আল্লাহ তাআলা সফর অবস্থায় জোহর, আসর ও ইশার নামায অর্ধেক করে দিয়েছেন। একে কসর বলে। সাধারণ সফরে সর্বাবস্থায় কসর ওয়াজিব, তাতে শত্রুর ভয় থাকুক বা নাই থাকুক। কিন্তু এস্থলে এক বিশেষ ধরনের কসর সম্পর্কে আলোচনা করা উদ্দেশ্য, যা কেবল শত্রুর সাথে মুকাবিলা করার সময়ই প্রযোজ্য। তাতে এই সুবিধাও দেওয়া হয়েছে যে, মুসলিম সৈন্যগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে একই ইমামের পেছনে পালাক্রমে এক রাকাআত করে আদায় করবে এবং দ্বিতীয় রাকাআত পরে একাকী পূর্ণ করবে। পরবর্তী আয়াতে এর নিয়ম বলে দেওয়া হয়েছে। এটা যেহেতু বিশেষ ধরনের কসর, যাকে ‘সালাতুল খাওফ’ বলা হয় এবং শত্রুর সাথে মুকাবিলাকালেই প্রযোজ্য হয়, তাই এর জন্য শর্ত আরোপ করা হয়েছে যে, ‘তোমাদের আশঙ্কা হয় কাফিরগণ তোমাদেরকে বিপন্ন করবে’ (ইবনে জারীর)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘যাতুর রিকা’-এর যুদ্ধকালে ‘সালাতুল খাওফ’ পড়েছিলেন। সালাতুল খাওফের বিস্তারিত নিয়ম হাদীস ও ফিকহের গ্রন্থাবলীতে বর্ণিত হয়েছে।