اَلَا لِلّٰہِ الدِّیۡنُ الۡخَالِصُ ؕ وَالَّذِیۡنَ اتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِہٖۤ اَوۡلِیَآءَ ۘ مَا نَعۡبُدُہُمۡ اِلَّا لِیُقَرِّبُوۡنَاۤ اِلَی اللّٰہِ زُلۡفٰی ؕ اِنَّ اللّٰہَ یَحۡکُمُ بَیۡنَہُمۡ فِیۡ مَا ہُمۡ فِیۡہِ یَخۡتَلِفُوۡنَ ۬ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یَہۡدِیۡ مَنۡ ہُوَ کٰذِبٌ کَفَّارٌ
মুফতী তাকী উসমানী
স্মরণ রেখ, খালেস আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য। যারা তাঁকে ছাড়া অন্যসব অভিভাবক বানিয়ে নিয়েছে (এই কথা বলে যে,) আমরা তাদের উপাসনা করি কেবল এজন্য যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেবে, ১ আল্লাহ তাদের মধ্যে সেই বিষয়ে মীমাংসা করে দেবেন যার মাঝে তারা মতবিরোধ করছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ এমন কোন ব্যক্তিকে পথে আনেন না, যে চরম মিথ্যুক, ঘোর কাফের।
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১. আরবের মুশরিকগণ সাধারণভাবে আল্লাহ তাআলাকেই বিশ্ব-জগতের সৃষ্টিকর্তা বলে বিশ্বাস করত, কিন্তু তারা মনগড়া কিছু দেব-দেবীর প্রতিমা বানিয়ে তাদের সম্পর্কে এই বিশ্বাস জন্ম দিয়েছিল যে, আমরা এদের উপাসনা করলে এরা খুশী হয়ে আল্লাহ তাআলার দরবারে আমাদের জন্য সুপারিশ করবে এবং তাদের মাধ্যমে আমরা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করতে পারব। কুরআন মাজীদে এটাকেও শিরক সাব্যস্ত করা হয়েছে। কেননা এক তো ওসব দেব-দেবীর কোন বাস্তবতা নেই। দ্বিতীয়ত ইবাদত কেবল আল্লাহ তাআলারই হক। অন্য কারও ইবাদত যে নিয়তেই করা হোক না কেন তা শিরক। এর দ্বারা জানা গেল, কোন ব্যক্তি যদি বাস্তবিকই আল্লাহর ওলী ও বুযুর্গ হয়, তবুও তার ইবাদত করা শিরক । তা এ নিয়তে করলেও যে, তার ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন করতে পারবে।