আয্‌-যুমার

সূরা নং: ৩৯, আয়াত নং: ২৯

তাফসীর
ضَرَبَ اللّٰہُ مَثَلًا رَّجُلًا فِیۡہِ شُرَکَآءُ مُتَشٰکِسُوۡنَ وَرَجُلًا سَلَمًا لِّرَجُلٍ ؕ ہَلۡ یَسۡتَوِیٰنِ مَثَلًا ؕ اَلۡحَمۡدُ لِلّٰہِ ۚ بَلۡ اَکۡثَرُہُمۡ لَا یَعۡلَمُوۡنَ

উচ্চারণ

দারাবাল্লা-হু মাছালার রাজূলান ফীহি শুরাকাউ মুতাশা-কিছূনা ওয়া রাজূলান ছালামাল লিরাজুলিন হাল ইয়াছতাবিইয়া-নি মাছালান আলহামদুলিল্লা-হি বাল আকছারুহুম লা-ইয়া‘লামূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আল্লাহ একটি দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন এই যে, এক ব্যক্তি (অর্থাৎ এক গোলাম) এমন, যার মধ্যে কয়েক ব্যক্তি অংশীদার; যারা পরস্পর বিরুদ্ধ ভাবাপন্ন আর অপর ব্যক্তি (অন্য গোলাম) এমন, যে সম্পূর্ণরূপে একই ব্যক্তির মালিকানায়। এ উভয় ব্যক্তির অবস্থা একই রকম হতে পারে? ১৫ আলহামদুলিল্লাহ! (এ দৃষ্টান্ত দ্বারা বিষয়টি সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেছে), কিন্তু তাদের অধিকাংশেই বোঝে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৫. যে গোলাম যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তির মালিকানায় থাকে আর মালিকগণও এমন যে, তাদের মধ্যে বিবাদ ও রেষারেষি লেগেই থাকে, সে সব সময় এই দুর্ভাবনায় থাকে যে, কার কথা মেনে তাকে খুশী করব আর কার কথা না মেনে তাকে নারাজ করব? পক্ষান্তরে যে গোলাম একজন মাত্র মনিবের মালিকানাধীন, তার এই পেরেশানী থাকে না। সে একনিষ্ঠভাবে নিজ মনিবের আনুগত্য করতে পারে। এভাবেই যে ব্যক্তি তাওহীদে বিশ্বাসী সে সর্বদা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকেই ডাকে এবং তারই ইবাদত করে। অপর দিকে যারা বহু মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে তারা কখনও এক দেবতার আশ্রয় নেয়, কখনও অন্য দেবতার। তারা কখনও একাগ্রচিত্ত হতে পারে না, পায় না মনের শান্তি। এটা যেমন তাওহীদের দলীল, তেমনি তার তাৎপর্যও বটে।