আল আহ্‌যাব

সূরা নং: ৩৩, আয়াত নং: ৫৬

তাফসীর
اِنَّ اللّٰہَ وَمَلٰٓئِکَتَہٗ یُصَلُّوۡنَ عَلَی النَّبِیِّ ؕ یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا صَلُّوۡا عَلَیۡہِ وَسَلِّمُوۡا تَسۡلِیۡمًا

উচ্চারণ

ইন্নাল্লা-হা ওয়া-মালাইকাতাহূইউসাললূনা ‘আলান নাবিইয়ি ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আমানূসাললূ‘আলাইহি ওয়া ছালিলমূতাছলীমা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। ৪৯ হে মুমিনগণ! তোমরাও তার প্রতি দরূদ পাঠাও এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৯. ‘দরূদ পাঠান’ কুরআন মাজীদে ব্যবহৃত শব্দ হল সালাত। ‘নবীর প্রতি সালাত’ এর অর্থ হল নবীর প্রতি দয়া ও মমতা দেখানো, তাঁর প্রশংসা করা ও তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন। এই সালাত পাঠানো তথা নবীর প্রতি দয়া ও মমতা দেখানো এবং প্রশংসা করা ও সম্মান প্রদর্শনকে বুঝতে হবে এর কর্তার শান মোতাবেক। এ আয়াতে বলা হয়েছে সালাত পাঠানোর কাজটি আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ করেন, তারপর মুমিনদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তোমরাও নবীর প্রতি সালাত পাঠাও। তাহলে সালাত পাঠানোর এক কর্তা তো আল্লাহ তাআলা, দ্বিতীয় কর্তা ফেরেশতাগণ এবং তৃতীয় কর্তা মুমিনগণ। এ তিনের প্রত্যেকের শান মোতাবেকই সালাতের মর্ম নির্ধারিত হবে। উলামায়ে কেরাম বলেন, আল্লাহর সালাত হল রহমত বর্ষণ, ফেরেশতাদের সালাত হল ইসতিগফার আর মুমিনদের সালাত হল রহমত বর্ষণের দুআ (-অনুবাদক তাফসীরে উসমানী থেকে সংক্ষেপিত)।