আল আহ্‌যাব

সূরা নং: ৩৩, আয়াত নং: ৫৫

তাফসীর
لَا جُنَاحَ عَلَیۡہِنَّ فِیۡۤ اٰبَآئِہِنَّ وَلَاۤ اَبۡنَآئِہِنَّ وَلَاۤ اِخۡوَانِہِنَّ وَلَاۤ اَبۡنَآءِ اِخۡوَانِہِنَّ وَلَاۤ اَبۡنَآءِ اَخَوٰتِہِنَّ وَلَا نِسَآئِہِنَّ وَلَا مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُہُنَّ ۚ وَاتَّقِیۡنَ اللّٰہَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ شَہِیۡدًا

উচ্চারণ

লা-জুনা-হা‘আলাইহিন্না ফীআ-বাইহিন্না ওয়ালাআবনাইহিন্না ওয়ালা ইখওয়ানিহিন্না ওয়ালাআবনাই ইখওয়া-নিহিন্না ওয়ালাআবনাই আখাওয়া-তিহিন্না ওয়ালানিছাইহিন্না ওয়ালা-মা-মালাকাত আইমা-নুহুন্না, ওয়াত্তাকীনাল্লা-হা ইন্নাল্লা-হা কা-না ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন শাহীদা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

নবীর স্ত্রীগণের জন্য তাদের পিতাগণ, তাদের পুত্রগণ, তাদের ভাইগণ, তাদের ভাতিজাগণ, তাদের ভাগিনাগণ, তাদের আপন নারীগণ ৪৮ ও তাদের দাসীগণের ক্ষেত্রে (অর্থাৎ তাদের সামনে পর্দাহীনভাবে আসাতে) কোন গুনাহ নেই এবং (হে নারীগণ!) তোমরা আল্লাহকে ভয় করে চলো। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি বস্তুর প্রত্যক্ষকারী।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৮. ‘তাদের আপন নারীগণ’ সূরা নূরেও (২৪ : ৩১) এরূপ গত হয়েছে। কোন কোন মুফাসসিরের মতে এর দ্বারা মুসলিম নারীগণকে বোঝানো হয়েছে। সুতরাং অমুসলিম নারীদের থেকেও পর্দা করা জরুরী। কিন্তু যেহেতু বিভিন্ন হাদীস দ্বারা জানা যায়, অমুসলিম নারীগণ উম্মুল মুমিনীনদের কাছে যাতায়াত করত, তাই ইমাম রাযী (রহ.) ও আল্লামা আলুসী (রহ.) বলেন, ‘আপন নারী’ হল সেই সকল নারী, যাদের সাথে মেলামেশা করা হয়, তারা মুসলিম হোক বা অমুসলিম। এরূপ নারীদের সাথে নারীদের পর্দা করা ওয়াজিব নয়। এছাড়া আরও যাদের সঙ্গে পর্দা ওয়াজিব নয়, তার বিস্তারিত বিবরণ সূরা নুরের ২৪ : ৩১ নং আয়াতের টীকায় গত হয়েছে।